Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৩১ আষাঢ় ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ১৭ জুলাই ২০২৬

আসারাম মামলায় গতি কোথায়, গুজরাট সরকারকে তীব্র ভর্ৎসনা সুপ্রিম কোর্টের

মামলা এত ঢিমেতালে চলছে কেন, প্রশ্ন শীর্ষ আদালতের।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ২, ২০১৯, ১৭:৫৪

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ২, ২০১৯, ১৭:৫৪

options
link
আসারাম মামলায় গতি কোথায়, গুজরাট সরকারকে তীব্র ভর্ৎসনা সুপ্রিম কোর্টের zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: আসারাম বাপুকে নিয়ে অস্বস্তির কাঁটা ছিলই। এবার সেই অস্বস্তি আরও বাড়িয়ে সুপ্রিম কোর্টের তীব্র ধিক্কারের মুখে পড়তে হল গুজরাত সরকারকে। আসারাম বাপুর বিরুদ্ধে ধর্ষণ মামলা এত ঢিমেতালে চলছে কেন? এখনও কেন অভিযোগকারীর বয়ান নেওয়া হল না? গুজরাট সরকারের কাছে সোমবার জানতে চাইল সুপ্রিম কোর্ট।

[রাম রহিমের ফাঁসি চেয়ে পথে বারাণসীর সাধু-সন্তরা]

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

হলফনামা দিয়ে রাজ্য সরকারকে শীর্ষ আদালতের কাছে এই অভিযোগের জবাব দিতে হবে। আমেদাবাদের কাছে আসারাম বাপুর আশ্রমের প্রাক্তন বাসিন্দা এক মহিলার অভিযোগের ভিত্তিতে ওই ধর্মগুরুকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। মহিলার অভিযোগ ছিল, ১৯৯৭ থেকে ২০০৬ সালের মধ্যে তাঁকে একাধিকবার যৌন নিগ্রহ করেন আসারাম বাপু। প্রসঙ্গত, ২০১৩-র আগস্ট থেকে রাজস্থানের জেলে রয়েছেন আসারাম। সে বছরের গোড়ায় নিজের আশ্রমেই এক ১৬ বছরের কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগ ওঠে তাঁর বিরুদ্ধে। অভিযোগের ভিত্তিতে ৭৬ বছর বয়সি আসারামকে গ্রেফতার করে যোধপুর পুলিশ। এখনও জেলেই আছেন তিনি। পাশাপাশি, তার ২ মাস বাদে আসারাম ও তাঁর ছেলে নারায়ণ সাই গুজরাটের সুরাটে তাঁদের আশ্রমে দু্ই বোনকে ধর্ষণে ফের অভিযুক্ত হন। সেই মামলায় বিচার চলছে গাঁধীনগরের আদালতে।

[LIVE: কী শাস্তি হতে চলেছে ধর্ষক রাম রহিমের?]

সুপ্রিম কোর্টে আসারামের জামিনের আবেদনের শুনানি চলছে। তাঁর আইনজীবীর বক্তব্য, যে মেয়েটির ধর্ষণ হয়েছে বলে দাবি, তাকে এখনও জিজ্ঞাসাবাদই করা হয়নি। অথচ আসারাম বাপুকে চার বছরেরও বেশি সময় ধরে জেলে কাটাতে হয়েছে। অবশ্য গোটা ঘটনার দায় গুজরাট সরকার আসারামের ওপরেই চাপিয়েছে। বিচারে অসহযোগিতার অভিযোগ তোলা হয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে।

গত এপ্রিলেই শীর্ষ আদালত গুজরাটের আদালতকে ধর্ষিতা ও অন্য সাক্ষীদের নথি, তথ্য নথিভুক্ত করায় গতি আনতে বলে। এখনও ৪০-এর বেশি সাক্ষীর বয়ান রেকর্ড করা বাকি রয়েছে। শরীর খারাপ হয়ে পড়ার মতো নানা কারণ দেখিয়ে আসারাম বাপু জামিন চেয়েছিলেন। সুপ্রিম কোর্ট সম্মতি দেয়নি।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.