Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬

বিদ্রোহের ফল! সাংবিধানিক বেঞ্চে ব্রাত্য চার প্রবীণ বিচারপতি

শেষ হয়েও হইল না শেষ!

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ১৬, ২০১৮, ১০:৪৫

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ১৬, ২০১৮, ১০:৪৫

options
link
বিদ্রোহের ফল! সাংবিধানিক বেঞ্চে ব্রাত্য চার প্রবীণ বিচারপতি zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: শেষ হয়েও হইল না শেষ! সুপ্রিম বিচারপতিদের বিরোধ যেন শেষমেশ এই জায়গাতেই গিয়ে পৌঁছাল। সোমবার নিয়মমতো কাজে যোগ দিয়েছিলেন ‘বিদ্রোহী’ চার বিচারপতি। অ্যাটর্নি জেনারেল তো বিদ্রোহকে ‘চায়ের কাপের তুফান’ বলেই উড়িয়ে দিয়েছিলেন। বার কাউন্সিল জানিয়েছিল, ‘কাহিনি খতম’। কিন্তু সত্যিই কি শেষ হল? সোমবার প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বে পাঁচ সদস্যের যে সাংবিধানিক বেঞ্চ ঘোষণা করা হয়েছে সেখানেই ব্রাত্য বিদ্রোহী চার বিচারপতি।

বিয়েতে খাপ পঞ্চায়েতের দৌরাত্ম্য পুরোপুরি বেআইনি: সুপ্রিম কোর্ট ]

Advertisement

১৭ জানুয়ারি থেকে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ের ফয়সালা হবে এই সাংবিধানিক বেঞ্চে। আধারের বৈধতা থেকে সমকামী যৌনতার মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলি খতিয়ে দেখবে এই বেঞ্চ। এছাড়া বছরভর অন্যান্য বেঞ্চ যে বিষয়গুলো সাংবিধানিক বেঞ্চে পাঠিয়ে দেবে, সেগুলিও খতিয়ে দেখা হবে এখানেই। এই বেঞ্চের নেতৃত্বে থাকছেন প্রধান বিচারপতি। এবং উল্লেখযোগ্যভাবে সেখানে বাদ পড়েছেন চার বিদ্রোহী বিচারপতি।

রক্তাক্ত স্মৃতি অতীত, পূর্বপুরুষের টানে ফের মুম্বইয়ে পা রাখল মোশে ]

তাহলে কি এটা বিদ্রোহেরই ফল? আজ বিদ্রোহী চার বিচারপতির সঙ্গে দেখা করেন প্রধান বিচারপতি। তাতে বরফ গলার ইঙ্গিতই ছিল। যদিও রফাসূত্র মেলেনি বলেই জানা যাচ্ছে। গতকালই অবশ্য ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছিল, সমস্ত ঝামেলা মিটে গিয়েছে। ১২ জানুয়ারি প্রধান বিচারপতির বিরুদ্ধে মুখ খুলেছিলেন দেশের প্রবীণ চার বিচারপতি। গণতন্ত্রের স্বার্থে প্রকাশ্যে মুখ খোলা জরুরি বলে মনে করেছিলেন তাঁরা। স্বাধীনতাত্তোর ভারতে এই বিদ্রোহ ছিল নজিরবিহীন। দেশের বিচারব্যবস্থার উপর যাতে সাধারণ মানুষের ভরসা না উড়ে যায়, তা রক্ষা করতে উদ্যোগী হয় বার কাউন্সিল অফ ইন্ডিয়া। তড়িঘড়ি একটি প্রতিনিধি দল তৈরি করা হয়। সমস্ত বিচারপতিদের সঙ্গেই দেখা করেন প্রতিনিধিরা। তারপর সোমবার নিয়মমতো কাজে যোগ দেন চার বিচারপতি। বার কাউন্সিলের চেয়ারম্যান মনন কুমার মিশ্র ও অ্যাটর্নি জেনারেল বেণুগোপাল রাও লঘুচালেই পুরো বিষয়টি উড়িয়ে দিয়েছিলেন। কিন্তু এদিন সাংবিধানিক বেঞ্চের চেহারা জানিয়ে দিল, সমস্তটাই এত সহজে মিটে যাওয়ার নয়। বিচারপতিদের বিদ্রোহের প্রভাব যে পড়েছে তা আর চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দেওয়ার প্রয়োজন পড়ে না। অর্থাৎ শেষ হল বটে, তবু কিছু বিরোধিতা, বিদ্বেষ যেন থেকেও গেল।

এনকাউন্টারের হুমকি দেওয়া হচ্ছে, ষড়যন্ত্রের অভিযোগে সরব তোগাড়িয়া ]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.