Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬

সিবিআই মামলায় সুপ্রিম ধাক্কা কেন্দ্রের, খারিজ অলোক ভার্মার অপসারণের সিদ্ধান্ত

পদ ফিরে পেলেও গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিতে পারবেন না সিবিআই ডিরেক্টর।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ৮, ২০১৯, ১৬:২৬

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ৮, ২০১৯, ১৬:২৬

options
link
সিবিআই মামলায় সুপ্রিম ধাক্কা কেন্দ্রের, খারিজ অলোক ভার্মার অপসারণের সিদ্ধান্ত zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: সিবিআই বনাম সিবিআই মামলায় বড় জয় ডিরেক্টর অলোক ভার্মার। মুখ পুড়ল কেন্দ্রের। সিবিআই ডিরেক্টরের অপসারণের সিদ্ধান্ত খারিজ করে দিল সর্বোচ্চ আদালত। গত ২৩ অক্টোবর মধ্যরাতে নজিরবিহীনভাবে সিবিআইয়ের দুই শীর্ষকর্তাকে অনির্দিষ্টকালের জন্য ছুটিতে পাঠিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় কেন্দ্র। সেই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আদালতের দ্বারস্থ হন সিবিআই ডিরেক্টর অলোক ভার্মা। তাঁর সেই আবেদন মঞ্জুর করল সর্বোচ্চ আদালত।

[লোকসভার আগেই রিজার্ভ ব্যাংকের সঞ্চিত টাকা ঢুকবে কেন্দ্রীয় কোষাগারে!]

মঙ্গলবার সুপ্রিম কোর্টের রায়ে একাধিক ইস্যুতে স্বস্তি পেলেন সিবিআই ডিরেক্টর। ভার্মাকে তাঁর পদে পুনর্বহালের নির্দেশ দিয়েছে সর্বোচ্চ আদালত। সেই সঙ্গে জানানো হয়েছে, সিবিআইয়ের কাজে কেন্দ্র কোনওভাবেই হস্তক্ষেপ করতে পারবে না। সিবিআই স্বশাসিত সংস্থার মতো নিজের কাজ নিয়ন্ত্রণ করবে। তবে, সিবিআইয়ের ডিরেক্টর পদে ফিরে এলেও সংস্থার নীতি নির্ধারণে অংশ নিতে পারবেন না অলোক ভার্মা। এমনিতে সিবিআই ডিরেক্টর নিয়োগ বা অপসারণের সিদ্ধান্ত নেন প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের কমিটি। এই কমিটিতে থাকেন বিরোধী দলনেতাও। নতুন করে এই কমিটিকে বৈঠকে বসার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। অলোক ভার্মার কার্যকালের মেয়াদ ৩১ জানুয়ারি পর্যন্ত। তারপর কী পদক্ষেপ হবে তা ঠিক করবে ওই কমিটি।

Advertisement

প্রধান বিচাররপতির ডিভিশন বেঞ্চে এতদিন ধরে এই মামলার শুনানি চলছিল। তবে, মঙ্গলবার ছুটিতে ছিলেন প্রধান বিচারপতি রঞ্জন গগৈ। তাঁর পরিবর্তে রায়ের কপি পড়ে শোনান বিচারপতি সঞ্জয় কিষণ কউল। শুনানি চলাকালীন কেন্দ্রকে একাধিক প্রশ্নের সম্মুখীন হতে হয়। ঠিক কী পরিস্থিতিতে সিবিআইয়ের প্রধানকে অপসারণ করা হয়, শুনানি চলাকালীন এই প্রশ্ন করা হয় সরকার পক্ষকে। সরকারের তরফে অ্যাটর্নি জেনারেল সওয়াল করেন । তিনি বলেন, সিবিআইয়ের অভ্যন্তরে একটি অনভিপ্রেত পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছিল যা বরদাস্ত করা সম্ভব ছিল না। সিভিসি-র সুপারিশ মেনেই অপসারণ করা হয় ভার্মাকে। যদিও, কেন্দ্রের সেই যুক্তি খারিজ হয়ে যায়। আদালতের এই রায়কে ইতিমধ্যেই স্বাগত জানিয়েছে কংগ্রেস-সহ অন্য বিরোধীরা। কংগ্রেস নেতা মল্লিকার্জুন খাড়গে বলেন, “রাফালে মামলার দুর্নীতির তথ্য জোগাড় করছিলেন বলেই সরকারের কোপে পড়তে হয়েছিল ভার্মাকে। তবে, আদালতে তিনি স্বস্তি পেয়েছেন, আমরা এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানাচ্ছি।”

 

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.