Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৩১ আষাঢ় ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ১৭ জুলাই ২০২৬

জানেন, কীভাবে ফাঁস হয়েছিল গুরমিত রাম রহিম সিংয়ের কুর্কীতি?

কেন খুন হতে হয়েছিল এক সাংবাদিককে?

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ৩, ২০১৯, ১৭:১৪

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ৩, ২০১৯, ১৭:১৪

options
link
জানেন, কীভাবে ফাঁস হয়েছিল গুরমিত রাম রহিম সিংয়ের কুর্কীতি? zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক:  ডেরা সাচা সওদা সংগঠনের প্রধান ও স্বঘোষিত ধর্মগুরু গুরমিত রাম রহিম সিংয়ের বিরুদ্ধে ধর্ষণ মামলায় আজ রায়দান করতে পারে সিবিআইয়ের বিশেষ আদালত। সেদিকেই তাকিয়ে এখন গোটা দেশ। রায় ঘোষণার আগে থমথমে চণ্ডীগড়। অশান্তির আশঙ্কায় শুক্রবার থেকে শহরে ইন্টারনেট পরিষেবায় রাশ টেনেছে প্রশাসন। পাঁচকুলায় মোতায়েন করা হয়েছে সেনা ও আধাসেনা। বন্ধ চণ্ডীগড়ের সমস্ত স্কুল, কলেজ ও সরকারি দপ্তর। কিন্তু, কীভাবে ফাঁস হয়েছিল এই স্বঘোষিত ধর্মগুরুর কুর্কীতি? কেই বা ফাঁস করেছিলেন?  তা জানেন না অনেকেই।

[ধর্মগুরুর বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ, থমথমে চণ্ডীগড়ে মোতায়েন সেনা ও পুলিশ]

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

২০০২ সাল। চণ্ডীগড়ের স্থানীয় হিন্দি সংবাদপত্র ‘পুরা সাচ’-এ প্রকাশিত হয় এক বেনামি চিঠি। সেই চিঠি থেকেই প্রথম জানা যায়, নিজের আশ্রমে কীভাবে দিনের পর দিনে অবৈধ যৌনাচার চালাচ্ছেন স্বঘোষিত ধর্মগুরু গুরমিত রাম রহিম সিং। প্রকাশ্যে আসে বিশেষ ‘গুহা’য় টিভি দেখতে দেখতে পাশে আগ্নেয়াস্ত্র রেখে মহিলা ভক্তদের যৌন নিগ্রহ ও ধর্ষণ করার মতো চাঞ্চল্যকর তথ্য। আর স্বঘোষিত ধর্মগুরু গুরমিত রাম রহিম সিংয়ে কুর্কীতি ফাঁস করার চরম মাসুল দিতে হয় সাংবাদিক রাম চন্দর ছত্রপতিকে। মাস খানেক বাদে নিজের বাড়িতেই তাঁকে গুলি করে খুন করে দুষ্কৃতীরা। বাবার খুনের সুবিচারের জন্য ১৫ বছর ধরে আইনি লড়াই চালিয়ে যাচ্ছেন তাঁর ছেলে। ঘটনাচক্রে, সিবিআইয়ের যে বিশেষ আদালতে গুরমিত রাম রহিম সিংয়ের বিরুদ্ধে ধর্ষণ মামলার রায় ঘোষণা হওয়ার কথা, সেই আদালতেই সাংবাদিক খুনের মামলাটিও চলছে। নিহত সাংবাদিকের ছেলে বলছেন, ‘প্রায় ২৮ দিন ধরে হাসপাতালে মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়েছিলেন বাবা। স্থানীয় পুলিশ আধিকারিকদের কাছে বয়ান দিয়েছিলেন তিনি। বয়ানে ডেরা সাচা সওদা সংগঠনের প্রধান  গুরমিত রাম রহিম সিং-কে অভিযুক্ত হিসেবে উল্লেখ করেছিলেন। কিন্তু, পুলিশ এফআইআর তার নাম ঢোকাতে চায়নি। সেই থেকে আমার আইনি লড়াই চলছে।’  ২০০৫ সালে সিবিআই তদন্ত চেয়ে পাঞ্জাব ও হরিয়ানা হাই কোর্টে আবেদন করেন মৃতের পুত্র।

[তিন তালাকের বিরুদ্ধে মামলা লড়ে সামাজিক বয়কটে মুখে ইসরাত জাহান]

বস্তুত, ২০০২ সালে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী অটলবিহারী বাজপেয়ী, পাঞ্জাব ও হরিয়ানা হাই  কোর্টের প্রধান বিচারপতিদের কাছে চিঠি লিখে ডেরা প্রধান গুরমিতের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ তুলেছিলেন এক মহিলা।  সেই চিঠি কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক,   সিবিআই ও জাতীয় মানবাধিকার কমিশনেও পাঠানো হয়েছিল। কিন্তু, স্বঘোষিত ধর্মগুরু গুরমিত রাম রহিম সিংয়ের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ খতিয়ে দেখতে উদ্যোগ নেয়নি কোনও পক্ষই। শেষপর্যন্ত, পাঞ্জাব ও হরিয়ানা হাই কোর্ট অভিযোগের তদন্তের নির্দেশ দেয়।

[বাজারে ২০০ টাকার নয়া নোট, জেনে নিন এই ১৭টি বৈশিষ্ট্য]

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.