Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১৩ আষাঢ় ১৪৩৩
  • সোমবার
  • ২৯ জুন ২০২৬
তাজ

বোমা মেরে উড়িয়ে দেওয়া হবে মুম্বইয়ের তাজ হোটেল! লস্কর ‘জঙ্গি’র হুমকি ফোনে চাঞ্চল্য

২৬/১১-র হামলার পুনরাবৃত্তির আশঙ্কা, বাড়ানো হয়েছে হোটেলের নিরাপত্তা।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ৩০, ২০২০, ১৪:১৩

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ৩০, ২০২০, ১৪:১৩

options
link
বোমা মেরে উড়িয়ে দেওয়া হবে মুম্বইয়ের তাজ হোটেল! লস্কর ‘জঙ্গি’র হুমকি ফোনে চাঞ্চল্য zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ২৬/১১-র হামলার পুনরাবৃত্তির চেষ্টা। বোমা মেরে মুম্বইয়ের তাজ হোটেল উড়িয়ে দেওয়ার হুমকি লস্কর জঙ্গিদের। পাকিস্তান থেকে হুমকি ফোন আসার পরই আতঙ্ক বাণিজ্যনগরীতে। টাটা গোষ্ঠীর দুটি হোটেলে বাড়ানো হয়েছে নিরাপত্তা।

সূত্রের খবর, সোমবার রাত সাড়ে ১২ টা নাগাদ মুম্বইয়ের ছত্রপতি শিবাজি টার্মিনাসের কাছে অবস্থিত তাজমহল প্যালেস (Taj Mahal Palace) এবং বান্দ্রার তাজ ল্যান্ডস এন্ডে (Taj Lands End) হুমকি ফোন আসে। নিজেকে লস্কর জঙ্গি বলে দাবি করা এক ব্যক্তি দুটি হোটেলকেই বোমা মেরে উড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দেয়। পরে নম্বরটি ট্র্যাক করে জানা যায়, ফোন এসেছিল পাকিস্তানের করাচি থেকে। যে ব্যাক্তি ফোন করেছিল সে লস্কর-ই-তইবার (Lashkar-e-Taiba) সদস্য বলেই প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে। পাকিস্তানের স্টক এক্সচেঞ্জে ভয়াবহ জঙ্গি হামলার দিনই এই হুমকি ফোন রীতিমতো আতঙ্কের সৃষ্টি করে। তড়িঘড়ি দুটি হোটেলেই নিরাপত্তা বাড়িয়ে দেয় মুম্বই পুলিশ। করোনা মহামারির জেরে দুটি হোটেলই এখন অতিথিশূন্য। তবে, রক্ষণেবেক্ষণের জন্য কিছু কর্মী হোটেলে যান। তাঁদের সতর্ক করা হয়েছে বলে সূত্রের খবর।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[আরও পড়ুন: ইন্টারনেট পরিষেবা ফের বন্ধ হচ্ছে কাশ্মীর ও লাদাখে! অমিত শাহের টুইট ঘিরে শোরগোল]

তাজ হোটেলে আসা এই হুমকি ফোন আরও একবার ২০০৮ সালের মুম্বই হামলার স্মৃতি উসকে দিল। ২০০৮ সালের ২৬ নভেম্বর মুম্বইয়ের এই তাজ হোটেলেই সন্ত্রাসবাদী হামলায় ১৬৬ জনের মৃত্যু হয়। জখম হন শতাধিক সাধারণ মানুষ। মৃতদের তালিকায় ছিলেন বেশ কয়েকজন বিদেশি নাগরিক। ৯০ ঘণ্টায় মোট ন’বারের হামলায় মুম্বই এটিএসের যুগ্ম কমিশনার হেমন্ত কারকারে, অ্যাডিশনাল কমিশনার অশোক কামতে, ইন্সপেক্টর বিজয় সালাসকর, শশাঙ্ক শিন্ডে, এনএসজির মেজর সন্দীপ উন্নিকৃষ্ণণ, বিভিন্ন নিরাপত্তা সংস্থার সদস্য ও ৬ মার্কিন নাগরিক-সহ মোট ১৬৬ জনের প্রাণ যায়। গুরুতর জখম হন আরও ৩০০-র বেশি মানুষ। ২০১২ সালের ২১ নভেম্বর ফাঁসি হয় এই হামলার অন্যতম চক্রী আজমল কাসভের।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.