Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬
জঙ্গি

গ্রেপ্তার শীর্ষ লস্কর জঙ্গি, বানচাল বড়সড় নাশকতার ছক

তার কাছ থেকে বেশ কিছু পরিমাণ অত্যাধুনিক অস্ত্রশস্ত্র বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ৪, ২০২০, ১২:৫৯

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ৪, ২০২০, ১২:৫৯

options
link
গ্রেপ্তার শীর্ষ লস্কর জঙ্গি, বানচাল বড়সড় নাশকতার ছক zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: বানচাল বড়সড় নাশকতার ছক। পুলিশের জালে ধরা পড়ল এক জঙ্গি। ধৃত নিশার আহমেদ দার লস্কর-ই-তৈবা জঙ্গি সংগঠনের সদস্য। তার কাছ থেকে বেশ কিছু পরিমাণ অত্যাধুনিক অস্ত্রশস্ত্র বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে।

নিশার আহমেদ দার নামে বছর তেইশের ওই জঙ্গির খোঁজে বহুদিন ধরে তল্লাশি চালাচ্ছে পুলিশ। গোপন সূত্রে খবর পাওয়া যায়, শুক্রবার রাতে জম্মু-কাশ্মীরের কুল্লান গান্দেরওয়াল এলাকায় রয়েছে বলেই খোঁজ পায় পুলিশ। সেই অনুযায়ী গোটা এলাকা নিরাপত্তার চাদরে মুড়ে ফেলা হয়। হাসপাতালে খোঁজ করতেই মিলল সাফল্য। সেখান থেকে গ্রেপ্তার করা হয় নিশার আহমেদ দারকে। ধৃত ওই জঙ্গির কাছ থেকে অত্যাধুনিক অস্ত্রশস্ত্র বাজেয়াপ্ত করেছে পুলিশ। সূত্রের খবর, শ্রীনগরে বড়সড় নাশকতার ছক কষেছিল লস্কর-ই-তৈবা জঙ্গি সংগঠনের ধৃত সদস্য। তাকে গ্রেপ্তারির জেরে বড়সড় নাশকতার ছক বানচাল হল বলেই দাবি তদন্তকারীদের।

Advertisement

[আরও পড়ুন: অফিস টাইমে পার্ক স্ট্রিট এলাকায় বাসে যুবতীর শ্লীলতাহানি, কান্নায় ভেঙে পড়লেন নির্যাতিতা]

পুলিশ সূত্রে খবর, বছর তেইশের নিশার আহমেদ দার একাধিক বড়সড় নাশকতার সঙ্গে জড়িত। ২০১৬ থেকে ২০১৯ সাল পর্যন্ত তার বিরুদ্ধে মোট সাতটি নাকশতার ঘটনায় যোগ মিলেছে নিশার আহমেদ দারের। তবে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে মাত্র দু’বার। প্রথম ২০১৬ সালে পুলিশের জালে ধরা পড়ে নিশার। পরে ২০১৭ সালে পুলিশ নিজেদের হেফাজতে নেয় ওই জঙ্গিকে। ২০১৯ সালে নিশার আহমেদ দারকে গ্রেপ্তারির অভিযান চালানো হয়। তবে সেবার পুলিশের হাত কোনওক্রমে পালিয়ে বাঁচে নিশার আহমেদ দার। নতুন বছরে গোপন সূত্রে পাওয়া খবরের ভিত্তিতে নিশার আহমেদ দারকে গ্রেপ্তার করা হল।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.