২১ চৈত্র  ১৪২৬  শনিবার ৪ এপ্রিল ২০২০ 

Advertisement

‘দেশবিরোধী’ স্লোগানের অভিযোগ, কানহাইয়াদের বিরুদ্ধে তদন্ত এগোতে সায় কেজরিওয়ালের

Published by: Sucheta Sengupta |    Posted: February 28, 2020 8:53 pm|    Updated: February 29, 2020 4:01 pm

An Images

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: নতুন করে আইনি জটে তরুণ বামপন্থী নেতা কানহাইয়া কুমার। তাঁর বিরুদ্ধে বহুদিন ধরে পড়ে থাকা দেশদ্রোহিতার মামলা এগিয়ে নিয়ে যেতে দিল্লি পুলিশকে অনুমতি দিল কেজরিওয়াল সরকার। পাশাপাশি পুলিশকে সহযোগিতা করতে জওহরলাল নেহরু বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন ছাত্র কানহাইয়া কুমার, উমর খালিদদের ফাইল তুলে দেওয়া হবে বলে সূত্রের খবর। ২০১৬ সালে জেএনইউ-তে একটি সভা চলাকালীন ‘দেশবিরোধী’ স্লোগান তুলেছিলেন কানহাইয়া ও তাঁর কয়েকজন সহপাঠী, এই অভিযোগে ৭ জনের বিরুদ্ধে দায়ের হয় মামলা। 

জওহরলাল নেহরু বিশ্ববিদ্যালয়ের ইউনিয়ন রুম থেকেই বছর কয়েক আগে  বিতর্কিত  স্লোগান শোনা গিয়েছিল। নেপথ্যে ছিলেন ছাত্রনেতা কানহাইয়া কুমার, সঙ্গে দুই ছাত্র উমর খালিদ এবং অনির্বাণ ভট্টাচার্য। ওই সময়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের আফজল গুরুর স্মরণসভার আয়োজন করা হয়, সেখানে সন্ত্রাসবাদী হামলার মাস্টারমাইন্ড আফজল গুরুর পক্ষ নিয়ে স্লোগান তোলা হয় বলে অভিযোগ, যা আইনের চোখে দেশদ্রোহিতার বার্তা দেয়। পাশাপাশি ‘ভারত তেরে টুকরে হোঙ্গে’- এই স্লোগানও শোনা যায়। জেএনইউ ছাত্র সংসদের তৎকালীন সভাপতি কানহাইয়ার সামনে এসব স্লোগান উঠলেও, তিনি তা থামানোর চেষ্টা করেননি। এই অভিযোগে কানহাইয়া, উমর খালিদ, অনির্বাণ-সহ আরও ৪ জনের বিরুদ্ধে UAPA ধারায় মামলা দায়ের করে দিল্লির বসন্তকুঞ্জ থানার পুলিশ। গ্রেপ্তার হয়ে কয়েকদিন জেলেও ছিলেন কানহাইয়া। এই সময়ে তাঁদের গবেষণার কাজও বাধার মুখে পড়ে। সময়মতো গবেষণা শেষ করতে পারেনি, এই অভিযোগে উমর খালিদের রিসার্চ পেপারই প্রথমে জমা নেওয়া হয়নি। এমনই নানা সমস্যার মধ্যে দিয়ে যেতে হয়েছে ৭ মেধাবী ছাত্রকে।

[আরও পড়ুন: মৃত্যু বেড়ে ৪৩, অশান্তির আঁচ নিভিয়ে ছন্দে ফেরার চেষ্টায় উত্তর-পূর্ব দিল্লি]

২০১৯ সালে দিল্লি পুলিশ এঁদের বিরুদ্ধে চার্জশিট জমা দেয়। এরই মাঝে কানহাইয়া কুমার তরুণ বামপন্থী নেতা হিসেবে সর্বভারতীয় স্তরে নিজের জায়গা করে নিয়েছেন। এই পরস্থিতিতে ফের দিল্লি পুলিশ এই মামলার তদন্ত শেষ করতে তৎপর হয়ে উঠেছে। তৃতীয়বার দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পর অরবিন্দ কেজরিওয়ালকে চিঠি লিখে তদন্তে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার অনুমতি চাওয়া হয় দিল্লি পুলিশের স্পেশ্যাল সেল। যদিও চিফ মেট্রোপলিটান ম্যাজিস্ট্রেট পুরুষোত্তম পাঠক পুলিশকে মনে করিয়ে দিয়েছিলেন এই মামলাটির কথা। সরকারের কাছে প্রয়োজনীয় অনুমতি চাওয়ার কথাও বলা হয়। সেইমতো কেজরিওয়াল সরকারের থেকে অনুমতি নেয় পুলিশ। ফলে নতুন করে কানহাইয়াদের বিরুদ্ধে দেশদ্রোহিতার মামলার শুনানি শুরু হবে।

[আরও পড়ুন: ‘বাবা কখন আসবে…’ চার বছরের মেয়ের প্রশ্নে নির্বাক অশান্ত দিল্লি]

Advertisement

Advertisement

Advertisement