Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬

‘শৌচাগার নির্মাণের টাকা না থাকলে স্ত্রীকে বাজারে বিক্রি করে দিন’

জেলাশাসকের মন্তব্য ঘিরে তোলপাড় দেশ...

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ২৪, ২০১৭, ০৩:৪৩

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ২৪, ২০১৭, ০৩:৪৩

options
link
‘শৌচাগার নির্মাণের টাকা না থাকলে স্ত্রীকে বাজারে বিক্রি করে দিন’ zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: কথা ছিল, ‘স্বচ্ছ ভারত অভিযান’-এর আওতায় জেলাশাসক গ্রামবাসীদের বোঝাবেন, কেন বাড়িতে শৌচাগার নির্মাণ করা প্রয়োজন। কিন্তু সেই অনুষ্ঠানে যোগ দিতে গিয়ে বিহারের ঔরঙ্গাবাদ জেলার জেলাশাসক যা বললেন, তাঁর সেই মন্তব্যকে ঘিরে তোলপাড় শুরু হয়ে গেল। জেলাশাসক কানওয়াল তনুজ এক গ্রামবাসীকে বলে বসেন, “বাড়িতে শৌচাগার নির্মাণের টাকা না থাকলে স্ত্রীকে বাজারে বিক্রি করে দিন।”

প্রকাশ্যে শৌচকর্মের বিরোধিতা করে গ্রামবাসীদের বাড়িতেই শৌচাগার নির্মাণে উৎসাহ দিতে যান জেলাশাসক কানওয়াল তনুজ। কিন্তু তা বলে স্ত্রীকে বাজারে বিক্রি করে বাড়িতে শৌচাগার নির্মাণ করার যে দাওয়াই তিনি দেন, সেটা একেবারেই গ্রহণযোগ্য নয় তাঁর মতো এক উচ্চপদস্থ সরকারি কর্মীর কাছে থেকে, এমনটাই বলছেন গ্রামের মানুষ।

Advertisement

[নাছোড় বৃষ্টি থেকে এখনই মুক্তি নেই, মঙ্গলবার পর্যন্ত টানা বর্ষণ]

ঠিক কী বলেন জেলাশাসক কানওয়াল তনুজ?

শনিবার তিনি গ্রামবাসীদের বোঝাতে গিয়েছিলেন, বাড়িতে শৌচাগার থাকলে মহিলাদের সম্মান রক্ষা করা যায়। স্থানীয়দের উদ্দেশে তিনি বলেন, “বাড়ির মহিলাদের সম্মান বাঁচানোর দায়িত্ব আপনার হাতেই। আপনি কতটা গরিব? আপনার স্ত্রীর আব্রুর দাম কি ১২ হাজার টাকারও কম?” তিনি আরও বলেন, “কোন পুরুষ মানুষ বলবেন, যে তাঁর স্ত্রীর সম্মানের দাম ১২ হাজার টাকারও কম? এরকম কেউ আছেন কি?” তাঁর এই মন্তব্য শুনে একজন গ্রামবাসী বলে বসেন, “আমার কাছে শৌচাগার নির্মাণের টাকা নেই।” উত্তরে জেলাশাসক কানওয়াল তনুজ বলেন, “তাহলে আপনাকে বলি, বাজারে গিয়ে স্ত্রীকে বিক্রি করে দিন। আপনার মানসিকতা এরকমই হলে এখনই বাজারে গিয়ে স্ত্রীকে বিক্রি করে দিন।” তাঁর এই মন্তব্যকে ঘিরেই শুরু হয়েছে জোর বিতর্ক।

‘স্বচ্ছ ভারত অভিযান’-এর আওতায় ‘শৌচালয় নির্মাণ, ঘর কা সম্মান’ প্রকল্পে প্রত্যেক গ্রামবাসী সরকারের কাছ থেকে ১২ হাজার টাকা সাহায্য পান। কিন্তু জেলাশাসকের আক্ষেপ, বহু মানুষ আগাম অর্থ নিয়েও সেই টাকা শৌচাগার নির্মাণের জন্য খরচ করেন না। কিন্তু প্রকল্পের গুণাগুণ সম্পর্কে বোঝাতে গিয়ে যে ভাষা ও উদাহরণ ব্যবহার করেন জেলাশাসক, তার প্রতিবাদ জানিয়েছে সমাজবাদী পার্টি। একজন আইএএস অফিসার কী করে সাধারণ মানুষের সঙ্গে এই ভাষায় কথা বলেন, এই অভিযোগে নীতিশ কুমার সরকারকে জেলাশাসক কানওয়াল তনুজের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপের দাবি জানানো হয়েছে।

দেখুন ভিডিও:

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.