Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬
Kerala

ভোটমুখী কেরলে গোমাংস উৎসব বামেদের! বিরোধিতায় সরব মুসলিম সংগঠন

বিতর্কিত ওই সিনেমার তীব্র সমালোচনা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী পিনারাই বিজয়ন। তাঁর অভিযোগ, ঘৃণা ছড়ানো এবং রাজ্যের ধর্মনিরপেক্ষ ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করার উদ্দেশ্যে এই সিনেমা তৈরি হয়েছে।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ২১, ২০২৬, ২০:০৯

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ২১, ২০২৬, ২০:০৯

options
link
ভোটমুখী কেরলে গোমাংস উৎসব বামেদের! বিরোধিতায় সরব মুসলিম সংগঠন zoom
কেরলে গোমাংস উৎসব বামেদের! ছবি সংগৃহীত

নির্বাচনমুখী কেরলে গো-মাংস উৎসব বামেদের। শুক্রবার সন্ধ্যায় কেরলের তিরুঅনন্তপুরম-সহ একাধিক জায়গায় প্রকাশ্যে গোমাংস খেতে দেখা গেল সিপিআইএমের ছাত্র সংগঠন এসএফআই (SFI) ও ডিওয়াইএফআই (DYFI)-এর সদস্যদের। এই ঘটনায় বিতর্ক চরম আকার নিয়েছে। বামেদের এহেন আচরণের নিন্দায় সরব হয়েছে কেরলের ইন্ডিয়ান ইউনিয়ন মুসলিম লিগের (আইইউএমএল) ছাত্র সংগঠন মুসলিম স্টুডেন্টস ফেডারেশন (এমএসএফ)।

জানা যাচ্ছে, এই বিতর্কের সূত্রপাত কেরলকে নিয়ে নির্মিত সিনেমা ‘দ্য কেরালা স্টোরি ২’ কে কেন্দ্র করে। অভিযোগ, সিনেমার ট্রেলারে এমন একটি দৃশ্য রয়েছে যেখানে দেখানো হয়েছে এক মুসলিম মহিলাকে জোর করে গোমাংস খাওয়ানো হচ্ছে। সিপিএমের অভিযোগ, এই সিনেমা ধর্মনিরপেক্ষ কেরলের ভাবমূর্তি নষ্ট করার পাশাপাশি সাম্প্রদায়িক ঘৃণা ছড়ানোর অপচেষ্টা। সিনেমাতে জোর করে ধর্মবদল ও গোমাংস খাওয়ানোর যে দৃশ্য দেখানো হয়েছে তা কেরলে কখনও হয়নি। মিথ্যা প্রচার করা হচ্ছে। এরই প্রতিবাদে তিরুঅনন্তপুরম-সহ একাধিক জায়গায় গোমাংস উৎসবের আয়োজন করে বামেরা। মাংসের সঙ্গে বিলি করা হয় রুটি। ঘটনার একাধিক ভিডিও সামনে এসেছে। যেখানে দেখা যাচ্ছে, গোমাংস খাচ্ছেন পড়ুয়ারা। তাঁদের হাতে সিপিএমের পতাকা ও ব্যানার। যেখানে লেখা, ‘This is the real Kerala story’, অর্থাৎ ‘এটাই কেরলের বাস্তব চিত্র।’ এক নেতাকে বলতে শোনা যাচ্ছে, ‘কেরলে গোমাংস অত্যন্ত জনপ্রিয়, তা মানুষ ভালোবেসেই খান। জোরাজুরির কোনও প্রশ্নই নেই।’

Advertisement

এমএসএফ-এর তরফে জানানো হয়েছে, ‘এই ধরনের কর্মসূচি হিন্দুদের ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করতে পারে। কেরলের হিন্দু সম্প্রদায়ের মধ্যে অনেকেই আছেন যাঁরা ধর্মীয় কারণে বা ব্যক্তিগত বিশ্বাসে গরুর মাংস খান না। আরএসএসের সঙ্গে লড়াই করতে গিয়ে হিন্দুদের ধর্মীয় বিশ্বাসে আঘাত করা হচ্ছে।’

বিতর্কিত ওই সিনেমার তীব্র সমালোচনা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী পিনারাই বিজয়ন। তাঁর অভিযোগ, ঘৃণা ছড়ানো এবং রাজ্যের ধর্মনিরপেক্ষ ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করার উদ্দেশ্যে এই সিনেমা তৈরি হয়েছে। তিনি বলেন, ”কেরলের ধর্মীয় সম্প্রীতি, দীর্ঘমেয়াদী উন্নয়ন ও আইনশৃঙ্খলা গোটা দেশের মধ্যে মডেল। সেখানে এই ধরনের মিথ্যে প্রচারের বিরুদ্ধে যৌথভাবে সরব হতে হবে আমাদের।”

তবে বাম সংগঠনের তরফে আয়োজিত গোমাংস উৎসবের বিরুদ্ধে সরব হয়েছে ছাত্র সংগঠন মুসলিম স্টুডেন্টস ফেডারেশন। এমএসএফ-এর রাজ্য সাধারণ সম্পাদক সি কে নাজাফ সোশাল মিডিয়ায় এই ঘটনার নিন্দা করে জানান, ‘এই ধরনের কর্মসূচি হিন্দুদের ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করতে পারে। কেরলের হিন্দু সম্প্রদায়ের মধ্যে অনেকেই আছেন যাঁরা ধর্মীয় কারণে বা ব্যক্তিগত বিশ্বাসে গরুর মাংস খান না। আরএসএসের সঙ্গে লড়াই করতে গিয়ে হিন্দুদের ধর্মীয় বিশ্বাসে আঘাত করা হচ্ছে। যা কোনওভাবেই উচিত নয়। আমাদের উচিত সকলের বিশ্বাসকে সম্মান জানানো।’

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.