Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬

রিজার্ভ ব্যাংকের নতুন গভর্নর হলেন শক্তিকান্ত দাস

নোটবাতিলের সিদ্ধান্তের তিনি ছিলেন অন্যতম কারিগর।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ১১, ২০১৮, ২০:২৪

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ১১, ২০১৮, ২০:২৪

options
link
রিজার্ভ ব্যাংকের নতুন গভর্নর হলেন শক্তিকান্ত দাস zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: উর্জিত প্যাটেল ইস্তফা দেওয়ার একদিনের মধ্যেই নতুন গভর্নর পাচ্ছে ভারতীয় রিজার্ভ ব্যাংক। মঙ্গলবার ব্যাংকের তরফে বিবৃতি দিয়ে জানানো হয়েছে গভর্নর পদের জন্য শক্তিকান্ত দাসকে বেছে নেওয়া হয়েছে। মন্ত্রিসভার নিয়োগ কমিটি তাঁর নাম চূড়ান্ত করে দিয়েছে ইতিমধ্যেই।

সংবাদ সংস্থা সূত্রে খবর, তিন বছরের জন্য রিজার্ভ ব্যাংকের গভর্নর পদে থাকবেন শক্তিকান্ত দাস। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে তাঁর বেশ হৃদ্যতা রয়েছে বলেই শোনা যায়। দীর্ঘদিন তাঁর অর্থ সংক্রান্ত বিভাগের সচিব পদে অাসীন ছিলেন তিনি। ২০১৬ সালের নভেম্বর মাসে প্রধানমন্ত্রী যখন নোট বাতিলের সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন, তখনও শক্তিকান্ত সচিবের দায়িত্ব সামলাতেন। এছাড়া ১৫তম অর্থ কমিশনের সদস্য ছিলেন তিনি। ২০১৭ সালের মে মাসে তিনি অবসর নেন।

Advertisement

ভোটের ফল নিয়ে মশকরা সোশ্যাল মিডিয়ায়, মজার মিমে মজে নেটিজেনরা ]

সোমবার ব্যক্তিগত কারণ দেখিয়ে রিজার্ভ ব্যাংকের গভর্নর পদ থেকে সরে দাঁড়ান উর্জিত প্যাটেল। তবে তিনি ইস্তফাপত্রে ব্যক্তিগত কারণের কথা উল্লেখ করলেও তার পিছনে রাজনৈতিক গন্ধ পাচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা। মাসকয়েক আগে আরবিআইয়ের ডেপুটি গভর্নর বিরল আচার্য্য প্রকাশ্যেই অভিযোগ করেছিলেন, শীর্ষ ব্যাংকের কাজে হস্তক্ষেপ করছে সরকার। এরপরই অর্থমন্ত্রক এবং শীর্ষ ব্যাংকের মধ্যে বিবাদের খবর প্রকাশ্যে আসে। তখন থেকেই উর্জিতের পদত্যাগ নিয়ে জল্পনা শুরু হয়। এরপর সোমবার কেন্দ্রকে পদত্যাগপত্র পাঠিয়ে দেন উর্জিত। ইস্তফার পিছনে ব্যক্তিগত কারণ দেখালেও এই সংঘাতকেই মূল কারণ বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

কেন্দ্রের সঙ্গে রিজার্ভ ব্যাংকের যে বিরোধ তৈরি হয়েছে, তার আঁচ পাওয়া যাচ্ছিল বহু আগে থেকেই। মূলত তিনটি বিষয়ে বিরোধ দেখা দিয়েছিল। তার মধ্যে অন্যতম হল ব্যাংকের হাতে থাকা সঞ্চিত অর্থ। সরকারের দাবি ছিল, ওই অর্থ ভোটের আগে উন্নয়নের কাজে লাগানো যেতে পারে। তাছাড়া ব্যাংকগুলির বিপুল এনপিএ এবং মূলধনের অভাব সংক্রান্ত শীর্ষ ব্যাংকের বিধিনিষেধ নিয়েও কেন্দ্র উদ্বেগ প্রকাশ করে। আরবিআই ১১টি রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংককে ঋণ দেওয়ার পরিমাণে নিয়ন্ত্রণ আনতে এবং নিজেদের মূলধন বাড়াতে নির্দেশ দিয়েছিল। কিন্তু কেন্দ্র এই নির্দেশের সম্পূর্ণ বিপক্ষে ছিল। এই নিয়েই রিজার্ভ ব্যাংকের সঙ্গে কেন্দ্রের বিবাদ সৃষ্টি হয়। যার জেরে কার্যত সরে যেতে বাধ্য হন উর্জিত প্যাটেল।

রাজস্থান-ছত্তিশগড়ে জয় পেলেও এই বিষয়গুলি চিন্তায় রাখবে কংগ্রেসকে ]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.