Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৯ আগস্ট ২০২৬
Meghalay

মেঘালয়ে মধুচন্দ্রিমায় গিয়ে স্বামী রাজা রঘুবংশীকে ‘খুন’, বছর ঘুরে জামিন পেলেন সোনম!

গত ২৩ মে মেঘালয় থেকে নিখোঁজ হয়ে গিয়েছিলেন রাজা এবং সোনম। নিখোঁজ হওয়ার দশ দিন পরে ২ জুন চেরাপুঞ্জির জলপ্রপাতের ধার থেকে রাজার দেহ উদ্ধার করা হয়। এরও বেশ কয়েকদিন পর উত্তরপ্রদেশের গাজিপুর থেকে গ্রেপ্তার করা হয় সোনমকে।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ২৮, ২০২৬, ১৮:০৮

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ২৮, ২০২৬, ১৮:০৮

options
link
মেঘালয়ে মধুচন্দ্রিমায় গিয়ে স্বামী রাজা রঘুবংশীকে ‘খুন’, বছর ঘুরে জামিন পেলেন সোনম! zoom
Advertisement

মেঘালয়ে মধুচন্দ্রিমায় নিয়ে গিয়ে স্বামী রাজা রঘুবংশীক খুনের অভিযোগ তাঁর স্ত্রী সোনম রঘুবংশী এবং সোনমের প্রেমিক রাজ কুশওয়াহার বিরুদ্ধে। এই মামলায় গত ডিসেম্বরে আদলতে ৭০০ পাতার চার্জশিট জমা দিয়েছিল মেঘালয় পুলিশ। এর পরেও মঙ্গলবার মূল অভিযুক্ত সোনমকে জামিন দিল শিলংয়ের একটি আদালত। নিহত রাজার ভাই বিপিন রঘুবংশী সোনমের জামিনের খবর সামনে আনেন।

গত ২৩ মে মেঘালয় থেকে নিখোঁজ হয়ে গিয়েছিলেন রাজা এবং সোনম। নিখোঁজ হওয়ার দশ দিন পরে ২ জুন চেরাপুঞ্জির জলপ্রপাতের ধার থেকে রাজার দেহ উদ্ধার করা হয়। এরও বেশ কয়েকদিন পর উত্তরপ্রদেশের গাজিপুর থেকে গ্রেপ্তার করা হয় সোনমকে। মেঘালয় পুলিশ জানিয়েছিল, সোনম আত্মসমর্পণ করেছেন। রাজার খুনে তিনিই মূল অভিযুক্ত। এ ছাড়া, তাঁর প্রেমিক রাজ এবং কয়েক জন সহযোগীকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। প্রেমিক রাজের সঙ্গে যৌথভাবে পরিকল্পনা করে স্বামী রাজাকে খুন করা হয় বলে জানিয়েছে পুলিশ।

Advertisement

চার্জশিটে বলা হয়েছে, রাজার সঙ্গে মধুচন্দ্রিমায় যাওয়ার আগেই নিজের প্রয়োজনীয় জিনিস একটি কালো ট্রলিব্যাগে ভরে প্রেমিক রাজকে দিয়ে গিয়েছিলেন সোনম। মেঘালয় পুলিশের দাবি, এই ঘটনাই প্রমাণ করে যে, স্বামীকে মেঘালয়ে খুন করার পর রাজের সঙ্গে সংসার গড়ার পরিকল্পনা করে রেখেছিলেন সোনম। সেই মতোই রাজাকে খুন করতে পরিকল্পনামাফিক তিন বন্ধু রোহিত চৌহান, আনন্দ কুর্মি এবং আকাশ সিং রাজপুতকে আগেই মেঘালয়ে পাঠিয়েছিলেন রাজ। মেঘালয় পুলিশের দাখিল করা চার্জশিটে বলা হয়েছে, নির্দিষ্ট সময়ে স্বামী রাজাকে খুনের নির্দেশ দিয়েছিলেন সোনমই। ঘাতকদের তিনিই বলেছিলেন, “এখানেই কাজটা সেরে ফেলো। পরে আর সুযোগ পাওয়া যাবে না।”

যদিও সাজনো গোটা নাটকটাই ভেস্তে যায় সোনমের। উত্তরপ্রদেশের গাজিপুরে পুলিশের কাছে আত্মসমর্পণ করার পর প্রাথমিকভাবে নানা গল্প সাজালেও পরে সব স্বীকার করে নেন তিনি। গ্রেপ্তার হওয়ার পর থেকে শিলংয়ের কারাগারেই বন্দি রয়েছেন সোনম ও তাঁর প্রেমিক এবং বন্ধুরা। এর আগে তাঁদের জামিনের আর্জি খারিজ করে দিয়েছিল শিলংয়ের আদালত। যদিও নিহত রাজার ভাই বিপিন দাবি করেছেন, মূল অভিযুক্ত হওয়া সত্ত্বেও মঙ্গলবার সোনমের জামিন মঞ্জুর করেছে আদালত। যদিও জামিনের বিস্তারিত নির্দেশিকা এখনও সামনে আসেনি।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.