Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬
Shiv Sena

ডালে পচা গন্ধ! ক্যান্টিনের পরিচালককে ঠাসিয়ে চড় মেরে বিতর্কে শিব সেনা বিধায়ক

'এটা শিব সেনা স্টাইল', চড় মেরে বললেন অভিযুক্ত বিধায়ক।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ৯, ২০২৫, ১১:৪৮

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ৯, ২০২৫, ১১:৪৮

options
link
ডালে পচা গন্ধ! ক্যান্টিনের পরিচালককে ঠাসিয়ে চড় মেরে বিতর্কে শিব সেনা বিধায়ক zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ডালের গন্ধই বলে দিচ্ছে সেটার মান কীরকম। এমনই অভিযোগ তুলে মহারাষ্ট্রের এমএলএ ক্যান্টিনের বিরুদ্ধে সরব হলেন শিব সেনা বিধায়ক সঞ্জয় গায়কোয়াড়। তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠল ক্যান্টিনের পরিচালককে চড় মারার। এবং এই কাণ্ড ঘটিয়েও কোনও আক্ষেপ নেই অভিযুক্তর। শিব সেনা বিধায়কের সাফ জবাব, ‘এটা শিব সেনা স্টাইল।’

ঠিক কী অভিযোগ? এক সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন থেকে জানা যাচ্ছে, আকাশবাণী এমএলএ ক্যান্টিনে একটি থালি অর্ডার করেন সঞ্জয়। কিন্তু খাবার তাঁর টেবিলে আসতেই তিনি আবিষ্কার করেন, ডাল থেকে পচা গন্ধ বেরচ্ছে। নিজের কোমরে একটি তোয়ালে জড়িয়ে এরপর তিনি সটান হাজির হন ক্যান্টিনে। জানতে চান, এই ডাল কে বানিয়েছে। সকলকে ডেকে ডেকে প্যাকেটের ডাল শুঁকতেও আর্জি জানান তিনি। অভিযোগ করেন, সামান্য ডাল খেয়েই তাঁর পেট ব্যথা করছে। তিনি অসুস্থ বোধ করছেন। চিৎকার করতে থাকেন, ”এটা কে পাঠাল আমাকে। শুঁকে দেখো। প্যাকেটটা খাদ্য দপ্তরে পাঠাও। একজন বিধায়ককে এমন খাবার দেওয়া হচ্ছে? তাহলে বাকিদের কী দিচ্ছেন আপনারা? এসব খেলে তো লোক মারা যাবেন।”

Advertisement

এরপরই ওই বিধায়ক অধৈর্য হয়ে ওঠেন বলে অভিযোগ। ক্যান্টিনের পরিচালককে ডেকে পাঠান। দু’জন মুখোমুখি হলে সঞ্জয় তাঁকে ডালটি শুঁকে দেখতে বলেন। তিনি মুখটা সামনে আনতেই ঠাসিয়ে চড় মারেন তাঁকে। এরপর আরও দু’টি চড় মারেন ওই বিধায়ক। এখানেই শেষ নয়। এরপর তিনি ঘুসিও মারেন। যার ধাক্কায় মাটিতে ছিটকে পড়েন ক্যান্টিনের পরিচালক। 

পরে এই বিষয়ে মুখ খুলতে গিয়ে সঞ্জয় বলেন, ”আমি ডাল, ভাত আর দু’টো চাপাটি চেয়েছিলাম। খাওয়া শুরু করতেই শরীরটা খারাপ লাগতে শুরু করে। আমি ক্যান্টিনে গিয়ে খাবারটা বদলে দিতে বলি। ওরা বদলে দেয়নি। আমি ম্যানেজারকে ডেকে পাঠালাম। কিন্তু উনি বললেন, উনি খেতে রাজি নন। এরপর আমি নতুন করে খাবার দেওয়ার কথা বলি। ওঁদের মুরগি ও ডিমের স্টকও কয়েকদিনের পুরনো। হাজার হাজার মানুষের স্বাস্থ্য নিয়ে খেলা করা হচ্ছে। মানুষ অভিযোগ করতে এলেও তা শোনা হয় না।” এদিকে ক্যান্টিনে উপস্থিত অন্য গ্রাহকরাও সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন, খাবারের মান সত্যিই উন্নত করা দরকার। যদিও শিব সেনা বিধায়কের আক্রমণাত্মক আচরণেরও সমালোচনা করছেন তাঁরা। 

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.