সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: বাড়ি বাড়ি গিয়ে লজেন্স বিক্রি করাই তাঁর পেশা। দিনে আর কতই বা আয় হয়। কিন্তু সম্প্রতি অন্ধপ্রদেশের বিজয়ওয়াড়ার বাসিন্দা কিশোর লালের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে ১৮ কোটি জমা পড়েছে। ঘটনায় চোখ কপালে উঠেছে আয়কর দপ্তরের কর্তাদের। ওই লজেন্স বিক্রেতাকে সমন পাঠানো হয়েছে।
[উত্তরাখণ্ডে ঢুকে পড়ল চিনা হেলিকপ্টার, জারি চূড়ান্ত সতর্কতা]
বিজয়ওয়াড়া শহরের ওয়ান টাউন এলাকায় থাকেন কিশোরী লাল। পে্শা বলতে লোকের বাড়ি বাড়ি গিয়ে লজেন্স ফেরি করা। সম্প্রতি গুজরাটের আহমেদাবাদের শ্রী রেণুকামাতা মাল্টিস্টেট কো-অপারেটিভ আর্বান ক্রেডিট সোসাইটি নামে একটি ব্যাঙ্ক বিজয়ওয়াড়াতে একটি শাখা খুলেছে। ওয়ান টাউন এলাকার বহু ব্যবসায়ীরই ওই ব্যাঙ্কে অ্যাকাউন্ট আছে। ওই ব্যাঙ্কে অ্যাকাউন্ট খুলেছেন কিশোরীলালও। আয়কর দপ্তর সূত্রে খবর, গত কয়েক মাস ধরেই মুম্বই থেকে কিশোরীলালের অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে সন্দেহজনক লেনদেন হচ্ছে। সেই সূত্রেই দিন কয়েক আগে ওই অ্যাকাউন্টে প্রায় ১৮ কোটি টাকা জমা পড়েছে। একথা বলাই বাহুল্য, বাড়ি বাড়ি লজেন্স বিক্রি করে আর যাই হোক ১৮ কোটি রোজগার করা সম্ভব নয়।
[‘কাশ্মীর ভারতের অধিকৃত’, কংগ্রেসের বুকলেট ঘিরে বিতর্ক]
ঘটনার কথা জানতে পেরে স্বাভাবিকভাবে নড়েচড়ে বসে আয়কর দপ্তর। গত ২৫ মে কিশোরীলালকে সমন পাঠানো হয়। তাঁর অ্যাকাউন্টে এই বিপুল পরিমাণ টাকা কোথায় থেকে এল, তা জানতে চেয়েছে আয়কর দপ্তরের আধিকারিকরা। যদিও কিশোরীলালের দাবি, তাঁর অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে এই লেনদেন সম্পর্কে তিনি কিছুই জানেন না। পাশাপাশি, ব্যাঙ্ক কর্তৃপক্ষের কাছে সিসিটিভি ফুটেজ চেয়েছে আয়কর দপ্তর। ব্যাঙ্ক সূত্রে খবর, আগামী ১০ দিনের মধ্যে আয়কর দপ্তরের আধিকারিকদের সিসিটিভি ফুটেজ তুলে দেওয়া হবে। জানা গিয়েছে, এই ঘটনার পিছনে ব্যাঙ্কের কোনও কর্মী জড়িত থাকার সম্ভাবনাও উড়িয়ে দিচ্ছেন না তদন্তকারীরা।
সর্বশেষ খবর
-
মাত্র ১৭-তেই নিখোঁজ, এক যুগ পর সোনার পদক নিয়ে ঘরে ফিরল কোচবিহারের মূক ও বধির মেয়ে
-
চললে শীত, বন্ধ হলেই গুমোট! বর্ষাকালে কীভাবে চালালে আরামদায়ক হবে এসি? বাঁচবে বিলও
-
এনকাউন্টার: আদালতের পরিবর্তে বন্দুকের নলে কি ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠিত হয়?
-
দয়াদাক্ষিণ্য নয়, মাতৃত্বকালীন ছুটি সাংবিধানিক অধিকার, স্পষ্ট জানাল আদালত
-
এ যেন স্পেশাল ২৬! পুলিশি অভিযানের নামে টালিগঞ্জে দু’কোটি টাকা লুট দুষ্কৃতী দলের