Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬
কাশ্মীর

দেশের মানুষের স্বার্থে পদক্ষেপ, কাশ্মীর ইস্যুতে কেন্দ্রের প্রশংসা সিকিমের মুখ্যমন্ত্রীর

পৃথক গোর্খাল্যান্ড নিয়ে প্রশ্নের উত্তর এড়ালেন প্রেম সিং গোলে।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ৮, ২০১৯, ১২:২০

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ৮, ২০১৯, ১২:২০

options
link
দেশের মানুষের স্বার্থে পদক্ষেপ, কাশ্মীর ইস্যুতে কেন্দ্রের প্রশংসা সিকিমের মুখ্যমন্ত্রীর zoom

সংগ্রাম সিংহরায়, শিলিগুড়ি: কাশ্মীরে ৩৭০ ধারা প্রত্যাহারের কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্তকে প্রশংসনীয় এবং দেশের মানুষের স্বার্থে বলে অভিনন্দন জানালেন সিকিমের মুখ্যমন্ত্রী প্রেম সিং গোলে। বুধবার শিলিগুড়িতে একটি স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা পরিচালিত হাসপাতালের অনুষ্ঠানে হাজির হয়ে এ কথা জানান তিনি।

তবে এই সিদ্ধান্তের ফলে সিকিমকে নিয়ে কোনও রকম আশঙ্কা নেই বলেও দাবি করেন তিনি। তাঁর দাবির স্বপক্ষে ব্যাখ্যা দেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, “কেন্দ্র সরকার যে সিদ্ধান্ত নিয়েছে, তা দেশের মানুষের স্বার্থেই নিয়েছে। আমরা মানুষের স্বার্থকে প্রাধান্য দিই। তাই তাঁদের এই সিদ্ধান্তকে শুভেচ্ছা জানাচ্ছি। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের ৩৭০ এবং ৩৭১ এক নয়, বক্তব্যকে উদ্ধৃত করে মুখ্যমন্ত্রী জানিয়ে দেন, “যখন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী এ কথা জানিয়েছেন, তখন সিকিমের উপর থেকে বিশেষ সুবিধাগুলি সরিয়ে নেওয়া হবে এমন আশঙ্কা আমরা করছি না। এবং তা করার কোনও কারণও নেই। আমরা সিকিমে উন্নয়নমূলক কাজ করতে চাই।”

সিকিমকে অন্যতম সেরা রাজ্যে পরিণত করতে যে সমস্ত পদক্ষেপ করা প্রয়োজন তা করা হবে। পাশাপাশি সিকিমের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী পবন চামলিংয়ের সিকিমকে জৈব রাজ্য ঘোষণা করার বিষয়টিকে রাজনৈতিক ‘প্রোপাগান্ডা’ বলেও কটাক্ষ করেছেন তিনি। বলেন, “প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী শুধুমাত্র খাতায়কলমে কিছু সিদ্ধান্ত ঘোষণা করেছিলেন। তা আদতে কার্যকরী করার দিকে তার কোনও মনোযোগ ছিল না। অথচ ঠিকমতো প্রয়োগ করতে পারলে সিকিম অনেকটাই এগিয়ে যেত।” পশ্চিমবঙ্গ এবং সিকিমের মধ্যে অন্তর্বর্তী যোগাযোগ আরও বাড়াতে হবে বলে তিনি জানিয়েছেন। সিকিম এবং এ রাজ্যের পাহাড়ি এলাকা ধসপ্রবণ হওয়ায় যৌথভাবে যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নত করতে কাজ করতে হবে বলে মন্তব্য করেন তিনি।

তবে সিকিমের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর মতো গোর্খাল্যান্ড প্রসঙ্গে কোনও মন্তব্য করে বিতর্ক বাড়াতে চাননি সিকিমের মুখ্যমন্ত্রী। তিনি জানান, পশ্চিমবঙ্গ থেকে ভেঙে গোর্খাল্যান্ড হবে কিনা, তা কেন্দ্র সরকারের বিচারাধীন বিষয়। তাই তারাই সেটা ঠিক করবেন।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.