২ আশ্বিন  ১৪২৭  সোমবার ২১ সেপ্টেম্বর ২০২০ 

Advertisement

জুনের শুরুতেই পাকিয়ং বিমানবন্দরে উড়ান বন্ধ করছে স্পাইসজেট, পর্যটনে ধাক্কা

Published by: Subhamay Mandal |    Posted: May 30, 2019 2:45 pm|    Updated: May 30, 2019 2:45 pm

An Images

সংগ্রাম সিংহরায়, শিলিগুড়ি: আবহাওয়া অনুকূল নয়। এই কারণ দেখিয়ে সিকিমের নবনির্মিত পাকিয়ং বিমানবন্দর থেকে সমস্ত রকম উড়ান অনির্দিষ্টকালের জন্য তুলে নিচ্ছে স্পাইসজেট কর্তৃপক্ষ। জুনের প্রথম সপ্তাহ থেকেই সমস্ত রকম উড়ান আপাতত বন্ধ রাখার কথা জানিয়েছে সংস্থাটি। পাকিয়ং বিমানবন্দর এর অধিকর্তা ড. মঞ্জুনাথ ওই সংস্থার তরফে উড়ান বন্ধের বিজ্ঞপ্তি পেয়েছেন বলে জানিয়েছেন। তবে কবে থেকে তা ফের চালু হবে তা ওই বিজ্ঞপ্তিতে বলা নেই। বিমানবন্দর অধিকর্তার দাবি, “উড়ান বন্ধ থাকলেও বিশেষ বিশেষ ক্ষেত্রে ব্যক্তিগত চার্টার্ড বিমান, বা সেনাবাহিনী, অন্য কোনও বাহিনীর প্রয়োজন হলে বিমানবন্দর ব্যবহার করা যাবে। বিমানবন্দর খোলাই থাকছে। তবে তার জন্য আগাম অনুমতি নিতে হবে সংশ্লিষ্ট উড়ানের জন্য।”

বিমানবন্দর সূত্রে জানা গিয়েছে, কলকাতা-পাকিয়ং প্রতিদিন দু’টি বিমান ওঠানামা করত। একমাত্র স্পাইসজেটের তরফেই বিমান পরিষেবা চালু ছিল সিকিমের এই একমাত্র বিমানবন্দরটিতে। ফলে বিমানবন্দর খোলা থাকলেও সিকিমের সঙ্গে বিমান পরিষেবা আপাতত বন্ধ থাকল। এর দু’মাস আগে গুয়াহাটি–পাকিয়ং বিমান তুলে নেওয়া হয়েছিল যাত্রীর অভাবে। যদিও কলকাতা থেকে সিকিম বিমানে যথেষ্ট পরিমাণ যাত্রী হচ্ছিল। কিন্তু আবহাওয়া বিরূপ হওয়ায় দৃশ্যমানতা প্রায়ই কমে যাচ্ছে। ফলে মাঝেমধ্যেই বাগডোগরা বিমানবন্দরে যাত্রীদের নামিয়ে দিতে বাধ্য হচ্ছিল বিমান কর্তৃপক্ষ।

গত ৪ অক্টোবর পাকিয়ং বিমানবন্দরের উদ্বোধন করেন খোদ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। উত্তরবঙ্গ-সিকিমের পর্যটন সার্কিটে খুশির হাওয়া বয়ে যায়। বিশেষ করে সরাসরি সিকিমে পৌঁছে যাওয়ার সুবিধা পাওয়ায় শিলিগুড়ি থেকে সিকিম প্রায় চার ঘণ্টা সড়কপথে অতিরিক্ত ধকল কমে যাওয়ায় অনেকেই এই রুটে বিমানযাত্রা পছন্দ করছিলেন। কিন্তু উড়ান বন্ধ হয়ে যাওয়ায় ফের বাগডোগরা বিমানবন্দর এর উপরই নির্ভর করতে হবে পর্যটকদের। একসময় সিকিম পর্যটনের পরামর্শদাতা হিসেবে কাজ করা রাজ বসু-সহ সার্কিটের অনেকেই ইন্সট্রুমেন্টাল ল্যান্ডিং সিস্টেম কেন চালু করা হয়নি, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। যদিও বিমানবন্দর অধিকর্তা জানান, এই বিমানবন্দরে এমন কোনও পদ্ধতি চালু করার বিষয়ে কোনওরকম চুক্তি হয়নি রাজ্যের সঙ্গে। প্রক্রিয়া শুরু হলেও সমস্ত কিছু মিটিয়ে তা কার্যকরী করতে চার থেকে পাঁচ বছর সময় লাগবে। পাশাপাশি সমতল না হওয়ায় এবং অত্যন্ত সংকীর্ণ বিমানবন্দর হওয়ায় একপাশে থাকায় এখানে ইন্সট্রুমেন্টাল ল্যান্ডিং সিস্টেম চালু করা সহজ নয়।

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement