Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৭ জুন ২০২৬
Sister Abhaya case

সিস্টার অভয়া হত্যাকাণ্ডে সাজা ঘোষণা, পাদ্রী-সহ ২ অপরাধীর যাবজ্জীবন জেল

১৯৯২ সালের মার্চ মাসে খুন করা হয়েছিল সিস্টার অভয়াকে।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ২৩, ২০২০, ১৮:৩৫

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ২৩, ২০২০, ১৮:৩৫

options
link
সিস্টার অভয়া হত্যাকাণ্ডে সাজা ঘোষণা, পাদ্রী-সহ ২ অপরাধীর যাবজ্জীবন জেল zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ১৯৯২ সাল থেকে ২০২০। মাঝে কেটে গিয়েছে ২৮টা বছর। অবশেষে শাস্তি পেল সিস্টার অভয়ার (Sister Abhaya) হত্যাকারীরা। বুধবার তিরুবনন্তপুরমের বিশেষ সিবিআই (CBI) আদালত যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের নির্দেশ দিল অপরাধীদের। সেই সঙ্গে ৫ লক্ষ টাকা জরিমানাও করা হয়েছে। পাশাপাশি তথ্যপ্রমাণ লোপাটের অপরাধে আরও সাত বছর করে কারাবাসের রায় শোনানো হয়েছে।

গতকালই অভিযুক্ত ফাদার টমাস কোট্টুর ও সিস্টার সেফিকে দোষী সাব্যস্ত করেছিল আদালত। বুধবার হল সাজা ঘোষণা। ঠিক কী ঘটেছিল প্রায় তিন দশক আগে? ১৯৯২ সালের মার্চ মাসে খুন করা হয়েছিল সিস্টার অভয়াকে। সেদিন খুব ভোরে ঘুম ভেঙে গিয়েছিল উনিশ বছরের অভয়ার। তিনি উঠে কুয়োতলায় যান মুখ ধুতে। চার্জশিটে অনুমান করা হয়েছে, সম্ভবত দুই পাদ্রী ও এক নানকে তিনি কোনও যৌনতায় লিপ্ত অবস্থায় দেখে ফেলেছিলেন। আর সেই কারণেই খুন করা হয় তাঁকে। প্রথমে ধারালো অস্ত্র দিয়ে আক্রমণ করার পর ধাক্কা মেরে কুয়োয় ফেলে দেওয়া হয় সিস্টার অভয়াকে।

Advertisement

[আরও পড়ুন : ‘কৃষকদের কোনও ক্ষতি হতে দেবেন না প্রধানমন্ত্রী’, কিষাণ দিবসে আশ্বাস রাজনাথের]

সেই সময় এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে শোরগোল পড়ে গিয়েছিল কেরলে। তবে কেরল পুলিশ প্রথমে ঘটনাটিকে আত্মহত্যা বলেই দাবি করেছিল। এমনকী, সিবিআইও প্রথমে আত্মহত্যার দিকেই ঝুঁকেছিল। কিন্তু পরে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা নিশ্চিত হয়, খুনই করা হয়েছে সিস্টার অভয়াকে। যদিও অভিযুক্তরা ২০০৯ সালে জামিন পেয়ে গিয়েছিলেন। কিন্তু ২০১৯ সালে ফের শুরু শুরু হয় বিচার প্রক্রিয়া। অবশেষে ঘোষিত হল রায়।

প্রধান অভিযুক্ত টমাস কোট্টুর আদালতকে জানায়, তার ক্যানসার হয়েছে। এই অবস্থায় তাকে যেন কম শাস্তি দেওয়া হয়। সিস্টার সেফিও একই আরজি জানায়। কিন্তু আদালত জানিয়ে দেয়, যে অপরাধ তারা করেছে তাতে কোনও সহানুভূতি তাদের প্রতি দেখানো উচিত হবে না। কয়েক বছর আগেই মারা গিয়েছেন অভয়ার মা-বাবা। দীর্ঘ সময় ধরে মেয়ের খুনের বিচার চেয়ে লড়াই করেছিলেন তাঁরা। অবশেষে মিলল সুবিচার। যদিও সেই মুহূর্তের সাক্ষী থাকা হল না তাঁদের। তবে অভয়ার ভাই টমাস জানিয়েছেন, দিদির খুনিদের সাজাপ্রাপ্তিতে তিনি অত্যন্ত খুশি।

[আরও পড়ুন : কৃষি আইন প্রত্যাহারের দাবিতে ২ কোটি সই সংগ্রহ কংগ্রেসের! রাষ্ট্রপতির দ্বারস্থ হচ্ছেন রাহুল]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.