Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৪ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • সোমবার
  • ১০ আগস্ট ২০২৬

মন্ত্রিত্ব বণ্টন নিয়ে কংগ্রেস-জনতা দল কোন্দল! প্রশ্নে জোটের ভবিষ্যৎ

এখনও চূড়ান্ত হয়নি মন্ত্রীদের তালিকা।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ২৭, ২০১৮, ১৮:১৭

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ২৭, ২০১৮, ১৮:১৭

options
link
মন্ত্রিত্ব বণ্টন নিয়ে কংগ্রেস-জনতা দল কোন্দল! প্রশ্নে জোটের ভবিষ্যৎ zoom
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: মোদি বিরোধী জোটের শুরুতেই ধাক্কা? যাকে কেন্দ্র করে বেঙ্গালুরুতে বিরোধী ঐক্যের ছবি সামনে এসেছিল সেই কুমারস্বামীর বয়ানেই উঠছে এই প্রশ্ন। কর্ণাটকের নবনির্বাচিত মুখ্যমন্ত্রী স্বীকার করে নিলেন রাজ্যে মন্ত্রিত্ব বণ্টন নিয়ে কংগ্রেসের সঙ্গে সমঝোতায় সমস্যা তৈরি হয়েছে। কোন দল কোন মন্ত্রক পাবে তা এখনও চূড়ান্ত করতে পারেননি কংগ্রেস-জেডি(এস) নেতারা। রবিবার বেঙ্গালুরুতে মন্ত্রিত্ব বণ্টন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, কংগ্রেসের সঙ্গে মন্ত্রিত্ব নিয়ে কিছু সমস্যা তৈরি হয়েছে, তাই এখনও মন্ত্রিত্ব বণ্টন সম্ভব হয়নি। তবে, এই সমস্যার জন্য সরকার পড়ে যাওয়ার কোনও সম্ভাবনা নেই বলেও দাবি করেন কুমারস্বামী। তাঁর দাবি, প্রদেশ কংগ্রেস নেতৃত্ব কেন্দ্রীয় নেতাদের সঙ্গে কথা বলে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন মন্ত্রিত্ব নিয়ে।

[কাশ্মীরে সিবিএসই পরীক্ষায় প্রথম বিচ্ছিন্নতাবাদী নেতার মেয়ে]

প্রাথমিকভাবে যে খবর পাওয়া গিয়েছিল তাতে ৩৪ সদস্যের মন্ত্রিসভায় ২২ জন মন্ত্রী পাবে কংগ্রেস, অন্যদিকে জনতা দল পাবে ১২ জন। কিন্তু কোন দপ্তর কোন দলকে দেওয়া হবে তা নিয়ে কোনও আলোচনা হয়নি শপথগ্রহণের আগে। সুত্রের খবর, বেশিরভাগ গুরুত্বপূর্ণ দপ্তর নিজেদের হাতেই রাখতে চাইছেন কুমারস্বামী। অন্যদিকে, কংগ্রেস শিবির চাইছে যেহেতু তাদের বিধায়কসংখ্যা অনেক বেশি তাই গুরুত্বপূর্ণ পদগুলিতে বসুক তাদের নেতারা। স্বাভাবিকভাবেই পারস্পরিক স্বার্থ বিরোধী পরিস্থিতি তৈরি হওয়ায় অস্বস্তি বেড়েছে জোটপন্থী নেতাদের। যদিও, মুখ্যমন্ত্রী কুমারস্বামী জানিয়েছেন দলীয় স্বার্থের উর্ধ্বে উঠে সমস্যার সমাধান তিনি করবেন।

Advertisement

[জিনিসের ভারে নুয়ে পড়ছেন ডেলিভারি বয়, সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল অমানবিক ছবি]

বেঙ্গালুরুতে বিজেপিকে হটিয়ে বিরোধী জোটের ক্ষমতায় আসাকে জাতীয় রাজনীতিতে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ ঘটনা হিসেবে দেখছেন বিশেষজ্ঞরা। কংগ্রেসের সমর্থনে জেডি(এস) সরকার গড়ায় জাতীয় স্তরে আঞ্চলিক দলগুলির জন্য নেতৃত্বের রাস্তা খুলে গিয়েছে বলে দাবি করেছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মত ফেডারেল ফ্রন্টপন্থী নেতারা। বেঙ্গালুরুতে নজিরবিহীনভাবে ২৩ জন বিরোধী নেতাকে একমঞ্চেও দেখা গিয়েছিল কুমারস্বামীর শপথগ্রহণকে ঘিরে। বলা যায় মোদি বিরোধী যে ফ্রন্টের প্রস্তাব উঠছে, তার রূপরেখা কী হতে পারে তা খানিকটা স্পষ্ট হয়েছিল বেঙ্গালুরুর জোট সরকারের শপথের মঞ্চেই।

[বিজেপির অস্বস্তি বাড়িয়ে নোট বাতিলের যৌক্তিকতা নিয়ে প্রশ্ন নীতীশের]

কিন্তু এসবের শেষে জোট সরকারের এক সপ্তাহ পূর্ণ হওয়ার আগেই মতবিরোধের খবরে চিন্তার ভাঁজ বিরোধী শিবিরে। রাজনৈতিক মহলের মত, মন্ত্রিত্ব নিয়ে ঝামেলার জেরে যদি সরকার নাও ভাঙে তবুও এ খবর মোটেই সুখকর নয় বিরোধীদের জন্য। কারণ এর জেরে আঘাত লাগতে পারে জোটপন্থীদের ভাবমূর্তিতে। ভূল বার্তা যেতে পারে আম জনতার উদ্দেশ্যে।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.