সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: মাকে হত্যা করার অভিযোগে গ্রেপ্তার শিনা বোরা হত্যাকাণ্ডের তদন্তকারী অফিসার দয়ানেশ্বর গানোরের ছেলে সিদ্ধান্ত গানোরে। পুলিশ সূত্রে খবর, গত মঙ্গলবার মাকে হত্যা করার পর ট্রেনে চেপে যোধপুর চলে যায়। সেখানে যোধপুর স্টেশনের পাশে একটি হোটেলে আত্মগোপন করে সে। গোপন সূত্রে খবর পেয়ে বৃহস্পতিবার বিকেলে সেখান থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। এরপর যোধপুর পুলিশ মুম্বই পুলিশকে খবর দেয়। মুম্বই পুলিশ খুব শীঘ্রই গানোরেকে হেফাজতে নেবে।
[‘যতদিন কাশ্মীর অশান্ত, ততদিন বিচ্ছিন্নতাবাদীদের সঙ্গে কোনও কথা নয়’]
বুধবার মুম্বইয়ের সান্তাক্রুজের ভাকোলায় নিজের বাড়িতে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার হয় দয়ানেশ্বর গানোরের স্ত্রী দীপালি গানোরের মৃতদেহ। গলা কেটে খুন করা হয় তাঁকে। এক তদন্তকারী অফিসার জানিয়েছেন রান্নার কাজে ব্যবহৃত ছুরি দিয়েই মাকে কোপায় অভিযুক্ত। এরপর কব্জি কেটে আত্মহত্যার চেষ্টা করে সে। ব্যর্থ হওয়ায় ভয় পেয়ে বাড়ি থেকে পালিয়ে যায় অভিযুক্ত। উদয়মন্দিরের পুলিশ আধিকারিক মদন বানিওয়াল জানিয়েছেন, ঘটনার দিন ছেলের কাছে প্রগ্রেস রিপোর্ট চান মা। ছেলের সঙ্গে কলেজে যাওয়ার কথাও বলে তিনি। আর তাতেই প্রচণ্ড ভয় পেয়ে যায় অভিযুক্ত। অবশেষে ক্ষোভে ও রাগে মাকে হত্যা করে সে।
[ইস্যু ছাড়াই আন্দোলন-গুন্ডামি চলছে, বিরোধীদের কটাক্ষ মমতার]
ওই ঘটনায় বিন্দুমাত্র অনুশোচনা নেই সিদ্ধান্ত গানোরের মনে। বিজ্ঞানের স্নাতক স্তরের ছাত্র গানোরে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেছে নির্বিকার চিত্তে। তার দাবি, মা সবসময় পড়াশোনার জন্য চাপ দিতেন। ঝগড়া করতেন। এতে খুব চাপে থাকত সে। তার আরও অভিযোগ, মা সর্বদা বাবার সঙ্গে ঝগড়াও করতেন। গানোরের দাবি, পড়াশোনা সম্পর্কে খোঁজখবর নেওয়ার জন্য তার মা কলেজে যেতেও চেয়েছিলেন। এটা সে একেবারেই চায়নি। এজন্য সে মাকে খুন করেছে। মাকে খুন করার পর স্নান করে রক্তমাখা জামাকাপড় একটা ব্যাগে ভরে সে বাড়ি থেকে পালিয়ে যায়।
[হাসপাতালের বেডে বসে খাবার খাচ্ছেন ‘মৃত’ রোগী! হতবাক পরিজনরা]
সর্বশেষ খবর
-
কম সুদে চটজলদি লোন পাইয়ে দেওয়ার ছক! বড়সড় প্রতারণাচক্রের পর্দাফাঁস লালবাজারের
-
‘একতরফা পদক্ষেপ নয়’, সাড়ে ১২ শতাংশ শুল্কে আমেরিকাকে আলোচনায় বসার বার্তা ভারতের
-
অবিশ্বাস্য লড়াইয়েও শেষরক্ষা হল না মুচোভার, ‘চেক-মেটে’ উইম্বলডনের নতুন রানি নোসকোভা
-
বীরগাথা থেকে দেশভাগের যন্ত্রণা, বাংলায় পার্টিশন মিউজিয়াম বানানোর প্রস্তাব গোপাল পাঁঠার পরিবারের
-
প্রথমে দু’হাজার, তারপর দৈনিক ৩ লক্ষ টাকা! রামমন্দিরে চুরির তদন্তে স্বীকারোক্তি অভিযুক্তের