Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬
Sonia Gandhi

নাগরিক হওয়ার আগেই ভোটার তালিকায় নাম! টালবাহানার পর আদালতে কী ‘সাফাই’ দিলেন সোনিয়া?

কংগ্রেসের সংসদীয় দলের চেয়ারপার্সনের বিরুদ্ধে অভিযোগ, নাগরিকত্ব পাওয়ার আগেই ভোটার তালিকায় নাম তুলে নিয়েছিলেন তিনি।

Advertisement
বিশেষ সংবাদদাতা
বিশেষ সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ৮, ২০২৬, ১০:০২

link
বিশেষ সংবাদদাতা
বিশেষ সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ৮, ২০২৬, ১০:০২

options
link
নাগরিক হওয়ার আগেই ভোটার তালিকায় নাম! টালবাহানার পর আদালতে কী ‘সাফাই’ দিলেন সোনিয়া? zoom
নাগরিকত্ব ইস্যুতে জবাব দিলেন সোনিয়া। ফাইল ছবি।

নাগরিকত্বের আগে ভোটাধিকার ইস্যুতে কি চাপে কংগ্রেস নেত্রী সোনিয়া গান্ধী? কংগ্রেসের সংসদীয় দলের চেয়ারপার্সনের বিরুদ্ধে অভিযোগ, নাগরিকত্ব পাওয়ার আগেই ভোটার তালিকায় নাম তুলে নিয়েছিলেন তিনি। এই নিয়ে দিল্লির রাউজ অ্যাভিনিউ কোর্টে কংগ্রেস নেত্রীর বিরুদ্ধে মামলা চলছে। দীর্ঘ টালবাহানার পর ওই অভিযোগ নিয়ে মুখ খুললেন সোনিয়া। রাউজ অ্যাভিনিউ কোর্টে লিখিত জবাবে তিনি জানালেন, তাঁর বিরুদ্ধে যে অভিযোগ আনা হয়েছে সেটা রাজনৈতিকভাবে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও ভিত্তিহীন।

সোনিয়ার বিরুদ্ধে অভিযোগ, ১৯৮০ সালে ভোটার তালিকায় নাম তোলা হয়েছিল তাঁর। যদিও তিনি আরও তিন বছর পরে ভারতের নাগরিকত্ব পেয়েছিলেন। কিছুদিন আগে এক্স হ্যান্ডেলে ১৯৮০ সালের দিল্লির একটি বুথের তালিকার ছবি পোস্ট করেন বিজেপি আইটি সেলের প্রধান অমিত মালব্য। সেই তালিকায় দেখা গিয়েছে সোনিয়া গান্ধীর নাম। মালব্য দাবি করেন, ১৯৮০ সালের ভোটার তালিকা সংশোধন করার সময় সোনিয়ার নাম যুক্ত করা হয়। তিনি আরও দাবি করেছেন, জনগণের বিরোধিতার মুখে সেই নাম ১৯৮২ সালে বাদ দেওয়া হলেও ১৯৮৩ সালের জানুয়ারি মাসে তাঁকে ফের তালিকাভুক্ত করা হয়। যদিও ১৯৮৩ সালের এপ্রিল মাসে ভারতের নাগরিকত্ব পান সোনিয়া।

Advertisement

এই নিয়ে দিল্লির রাউজ অ্যাভিনিউ কোর্টে মামলা চলছে। গত ৬ জানুয়ারিই সোনিয়াকে এই মামলায় অবস্থান জানাতে বলে আদালত। কিন্তু সেদিন কংগ্রেস নেত্রী আদালতের কাছে বাড়তি সময় চেয়ে নেন। তিনি দাবি করেন, অত পুরনো দিনের নথি এত শীঘ্র দেওয়া সম্ভব নয়। শনিবার দিল্লির রাউজ অ্যাভিনিউ আদালতে সিবিআইয়ের স্পেশাল বিচারপতি বিশাল গোগনের এজলাসে আইনজীবী মারফত তাঁর বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া রিভিশন পিটিশনের জবাবে লিখিত বক্তব্য জমা দেন সোনিয়া। সেখানে তিনি অভিযোগগুলোকে ভিত্তিহীন ও রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করেছেন।

সোনিয়ার তরফে আদালতে জানানো হয়েছে, অভিযোগের পক্ষে কোনও গ্রহণযোগ্য প্রমাণ নেই এবং আইনি প্রক্রিয়ার অপব্যবহার করা হয়েছে। পাশাপাশি বলা হয়েছে, নাগরিকত্ব সংক্রান্ত বিষয় কেন্দ্র সরকারের আওতাভুক্ত এবং ভোটার তালিকা সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার একমাত্র কর্তৃত্ব নির্বাচন কমিশনের। ফৌজদারি আদালতের নয়। ২১ ফেব্রুয়ারি মামলার পরবর্তী শুনানি। অর্থাৎ, তিনি যে ভোটার তালিকায় নাম তোলার আগেই নাগরিকত্ব পেয়েছিলেন, সেটার সপক্ষে কোনও প্রমাণ সোনিয়া দেখাননি। বরং আইনি মারপ্যাঁচে বিষয়টি এড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেছেন কংগ্রেস নেত্রী। মামলার পরবর্তী শুনানি ২১ ফেব্রুয়ারি।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.