সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: মণিপুর হিংসা (Manipur Violence) নিয়ে মুখ খুলেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। বৃহস্পতিবার সংসদের বাদল অধিবেশন শুরুর আগে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপের আশ্বাস দিয়েছেন তিনি। এদিকে মোদি মুখ খোলার পরই খোঁচা দিল কংগ্রেস। হাত শিবিরের কটাক্ষ, ১৮০০ ঘণ্টার নীরবতার পর মোদি মুখ খুলেছেন মাত্র ৩০ সেকেন্ডের জন্য!
কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক জয়রাম রমেশ জানিয়েছেন, ”ধারণাতীত ও ক্ষমার অযোগ্য ১৮০০ ঘণ্টারও বেশি সময়ের নীরবতার পরে প্রধানমন্ত্রী অবশেষে মণিপুর নিয়ে সব মিলিয়ে ৩০ সেকেন্ডের জন্য মুখ খুলেছেন। আর তারপরই মণিপুরের প্রশাসনিক ব্যর্থতার প্রসঙ্গ ঘোরাতে অন্য রাজ্যের, বিশেষ করে বিরোধী শাসিত রাজ্যগুলিতে হওয়া নারী নির্যাতন নিয়ে কথা বলেছেন। উত্তরপ্রদেশ, মধ্যপ্রদেশ ও গুজরাটের প্রসঙ্গও তোলেননি।”
[আরও পড়ুন: মণিপুরে ‘গণধর্ষিতা’র কিশোর ভাইকেও খুন করেছিল উন্মত্ত জনতা! বিতর্ক তুঙ্গে]
এদিকে কংগ্রেস সাংসদ গৌরব গগৈ বলেছেন, ”মণিপুরের যে দৃশ্য আমরা দেখেছি গতকাল তা আমাদের স্তম্ভিত করে দিয়েছে।” তাঁর দাবি, মোদির উচিত মণিপুরের মানুষের কাছে ক্ষমা চাওয়া। তবেই মণিপুরের মানুষ কিছুটা হলেও স্বস্তি পাবেন বলেও জানান গৌরব।
প্রসঙ্গত, মণিপুরের বর্বর ভিডিও নিয়ে মুখ খুলেছেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী স্মৃতি ইরানিও। তিনি লেখেন, ‘মণিপুরে ২ মহিলার যৌন নিপীড়নের ভয়াবহ ভিডিও নিন্দনীয় এবং সম্পূর্ণ অমানবিক। মুখ্যমন্ত্রী এন বিরেন সিংয়ের সঙ্গে কথা হয়েছে। তিনি আশ্বস্ত করেছেন, তদন্ত চলছে। এই ঘটনার বিচার হবে।’ যদিও কেন্দ্রীয় মন্ত্রীকে কটাক্ষ করেছেন তৃণমূল নেত্রী শশী পাঁজা। তিনি টুইট করেছেন, ‘স্মৃতি ইরানিকে দেখে খারাপ লাগছে। সুবিধাজনক পরিস্থিতি মৌনব্রত ভাঙলেন। কোথায় ছিল বিজেপি সরকার, যখন ৭৫ দিন ধরে জ্বলছিল মণিপুর। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি যদি সময়মতো হস্তক্ষেপ করতেন, তাহলে পরিস্থিতি এতটা ভয়াবহ হত না!’
[আরও পড়ুন: পাহাড়ি রাস্তা, মেলেনি অ্যাম্বুলেন্সও, বাঁশের দোলায় রোগীকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পথেই মৃত্যু]
সর্বশেষ খবর
-
চলতি মরশুমই শেষ! বুটজোড়া তুলে রাখার ইঙ্গিত রোনাল্ডোর, সারা ভবিষ্যৎ পরিকল্পনাও
-
তারাপীঠের হোটেলে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড, পুজো দিতে গিয়ে মর্মান্তিক মৃত্যু ৭ জনের
-
যুবতীর দেহ হাসপাতালে রেখেই পলাতক, খুনের অভিযোগে গ্রেপ্তার লিভ ইন পার্টনার-সহ ২
-
পুড়ল হেমন্ত-রাহুলের কুশপুতুল, পদত্যাগের দাবিতে মুখ্যমন্ত্রীর বাসভবন ঘেরাওয়ের ডাক ঝাড়খণ্ডের ছাত্রবিক্ষোভে
-
ঢাকার পাক দূতাবাসের মদতে পাকিস্তানে ভারতীয় সিমকার্ড পাচার! কোচবিহার কাণ্ডে চাঞ্চল্যকর মোড়