Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬
Census 2027

২০২৭ জনগণনায় লিভ-ইন যুগলদেরও কি ‘বিবাহিত’ হিসেবেই গণ্য করা হবে? জবাব দিল কেন্দ্র

জনগণনা হবে দুটি ভাগে। প্রথমে হাউসিং এনলিস্টিং এবং পরে পপুলেশন এনুমারেশন।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ৩০, ২০২৬, ১৯:৪২

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ৩০, ২০২৬, ১৯:৪২

options
link
২০২৭ জনগণনায় লিভ-ইন যুগলদেরও কি ‘বিবাহিত’ হিসেবেই গণ্য করা হবে? জবাব দিল কেন্দ্র zoom
১৯৪৮ সালের আদমশুমারি আইন অনুযায়ী ২০২৭ সালে হবে জনগণনা।

১৯৪৮ সালের আদমশুমারি আইন এবং ১৯৯০ সালের আদমশুমারি বিধি অনুযায়ী ২০২৭ সালে হবে জনগণনা। আর সেই জনগণনার সময় লিভ-ইন যুগলদেরও ‘বিবাহিত’ হিসেবেই গণ্য করা হবে। দেশের জনগণনা নিয়ে মানুষের একাধিক প্রশ্নের উত্তর দিতে একটি পোর্টাল চালু করেছে কেন্দ্র। সেখানেই জানানো হয়েছে এমন তথ্য।

পূর্ববর্তী জনগণনার সঙ্গে জড়িত এক ব্যক্তি এক সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন, এর আগেও অবিবাহিত যুগলরা যাঁরা একসঙ্গে থাকতেন, তাঁরা নিজেদের ‘অবিবাহিত’ বলেই পরিচয় দিতেন। তবে এবারই প্রকাশ্যে এমন তথ্য প্রথমবার সামনে এল। জানা গিয়েছে, কেন্দ্রের পোর্টালটিতে রয়েছে FAQ। অর্থাৎ এই বিষয়ে যে ধরনের প্রশ্ন জনগণের মনে আসতে পারে সেগুলি সেখানে রাখা হয়েছে। তার মধ্যেই রয়েছে এই প্রশ্নটিও।

Advertisement

প্রসঙ্গত, জনগণনা হবে দুটি ভাগে। প্রথমে হাউসিং এনলিস্টিং এবং পরে পপুলেশন এনুমারেশন। প্রথমটি চলবে ১ এপ্রিল থেকে ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত। যার মধ্যে ৪৫ দিনের প্রাথমিক যে সময়কাল, তার প্রথম ১৫ দিন নিজেই সব তথ্য দেওযা যাবে পোর্টালে। প্রসঙ্গত, আদমশুমারিতে উত্তরদাতাদের তাঁদের উত্তরের সপক্ষে প্রমাণ দাখিল করার প্রয়োজন হয় না।
গত জানুয়ারিতে সরকারি বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয় ২০২৭ সালের জনগণনার বিষয়টি। সঙ্গে সঙ্গে সেই ঘোষণা ঘিরে প্রশ্ন উঠে যায়। তখনই জানা ছিল, এপ্রিল মাসে বাংলা-সহ পাঁচ রাজ্যে নির্বাচন হবে। সেক্ষেত্রে ভরা ভোটের মরশুমে কেন্দ্রীয় সরকারের নিয়ন্ত্রণে থাকা কর্মীরা বাড়ি বাড়ি গিয়ে তথ্য সংগ্রহ করতে পারেন। তাছাড়া ভোট প্রক্রিয়ায় এমনিতেই প্রশাসনের একটা বড় অংশ। তার উপর জনগণনার চাপ পড়বে না তো!

এদিকে তখনই জানা গিয়েছিল, সেনসাস ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড মনিটারিং সিস্টেমের মাধ্যমে রিয়েল-টাইমে কাজের অগ্রগতি দেখা যাবে। প্রথম ধাপে মোট ৩৩টি প্রশ্ন করা হবে। এর মধ্যে রয়েছে পানীয় জলের ব্যবস্থা, স্নানঘর, রান্নাঘর, এলপিজি-পিএনজি সংযোগ, ইন্টারনেট সুবিধা, বিদ্যুৎ, বাসস্থানের ধরন এবং পরিবারের প্রধান খাদ্যশস্য সংক্রান্ত তথ্য। সরকারের দাবি, এই তথ্য ভবিষ্যৎ নীতি নির্ধারণ ও জনকল্যাণমূলক প্রকল্পে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.