সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: শস্যের গোড়া পোড়ানো নিয়ে রাজনীতি করা উচিত নয়। এটিকে অহংকারের বিষয়বস্তুতে পরিণত করাও অনুচিত। সোমবার দিল্লির দূষণ মামলায় এমনই মন্তব্য করল সুপ্রিম কোর্ট। আদালতের পর্যবেক্ষণ, কৃষকদের দোষারোপ না করে বিষয়টি নিয়ে ‘সংবেদনশীল’ হতে হবে। শস্যের গোড়া পোড়ানো কীভাবে নিয়ন্ত্রণ করা যায়, তার উপায় বের করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করার কথাও এদিন বলেছে শীর্ষ আদালত।
দূষণের কামড়ে জেরবার রাজধানী। প্রতিবাদে পথে নেমেছেন দিল্লিবাসীর একাংশ। এনিয়ে মামলাও চলছে সুপ্রিম কোর্টে। সোমবার শুনানি চলাকালীন প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের নেতৃত্বাধীন বেঞ্চ জানায়, প্রতিবছর অক্টোবর মাসে দিল্লির দূষণের বিষয়টি শুনানির জন্য তালিকাভুক্ত করা যাবে না। আমরা নিয়মিত শুনব।
এদিনের শুনানিতে কেন্দ্রীয় সরকার এবং কমিশন ফর এয়ার কোয়ালিটি ম্যানেজমেন্ট (সিএকিউএম)-এর উদ্দেশে প্রধান বিচারপতি বলেন, “আমরা হাতের উপর হাত রেখে বসে থাকতে পারি না। এটা মানা যায় না যে এই সমস্যার কোনও সমাধান নেই।” রাজধানীর দূষণ রোধে সিএকিউএমের স্বল্পমেয়াদী এবং দীর্ঘমেয়াদী কী পরিকল্পনা রয়েছে এবং এখনও পর্যন্ত তারা কী কী পদক্ষেপ করেছে, তা-ও জানতে চেয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। প্রধান বিচারপতি আরও বলেন, “আপনারা নিজেকে প্রশ্ন করুন। আপনাদের পরিকল্পনা বাস্তবায়নের পর পরিস্থিতির কি উন্নতি হয়েছে? যদি না হয়, তাহলে বিকল্প রাস্তা খুঁজতে হবে।”
শস্যের গোড়া পোড়ানো নিয়ে বলতে গিয়ে প্রধান বিচারপতি বলেন, “বিষয়টি নিয়ে কোনও মন্তব্য করতে চাই না। কারণ আমাদের সামনে যাদের প্রতিনিধিত্ব করা খুব কমই তাদের উপর বোঝা চাপানো সহজ। দোষ চাপানো সহজ। কিন্তু রাস্তা বের করা কঠিন।” এরপরই করোনা সময়কালের কথা উথ্থাপন করেন তিনি। তাঁর কথায়, “করোনার সময়তেও শস্যের গোড়া পোড়ানো হত। তবুও আকাশ কীভাবে নীল থাকত? কাউকে না কাউকে এর উত্তর দিতে হবে।”
সর্বশেষ খবর
-
টিকিটাকায় ধরাশায়ী অস্ট্রিয়া, দুর্বার গতিতে বিশ্বকাপের শেষ ষোলোয় স্পেন
-
মিড ডে মিলের মাংস দিয়ে স্যারের বিবাহ বার্ষিকীর ভোজ! শান্তিপুরের স্কুলে তুমুল শোরগোল
-
অফিসের ২৫ জনকে পুলিশি হেনস্তা! ভয় দেখিয়ে মিথ্যা বয়ান রেকর্ড, দাবি অভিষেকের
-
হোয়াটসঅ্যাপের পরে টেলিগ্রাম, সিগন্যাল! ‘ইউজারনেম’ ফিচার নিয়ে নোটিস কেন্দ্রের
-
ক্রিপ্টোকারেন্সি নিয়ে কেন্দ্র ও রিজার্ভ ব্যাঙ্কের মতান্তর! বৈঠকে প্রশ্ন একাধিক সাংসদের