সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: মুখ দিয়ে একবার ‘বন্দে মাতরম্’ বা ‘ভারত মাতা কি জয়’ বললেই নেমে আসছে স্কুল কর্তৃপক্ষের শাস্তির খাঁড়া। হয় মাঠে ঘণ্টার পর ঘণ্টা দৌড়তে হচ্ছে, নয়ত চড়া রোদে পুশআপ করতে হচ্ছে। চরম দুর্দশায় এমনই ভয়ংকর দিন কাটাচ্ছেন উত্তরপ্রদেশের বালিয়া জেলার জিএমএএম স্কুলের পড়ুয়া ও শিক্ষকরা৷
[মহাজোটে ধাক্কা! রাহুলের সঙ্গে জুটি বাঁধতে নারাজ অখিলেশ]
জানা গিয়েছে, কলেজের প্রার্থনার সময়ে বা অন্য কোনও সময় মুখ দিয়ে একবার ‘বন্দে মাতরম্’ বা ‘ভারত মাতা কি জয়’ বললেই স্কুল কর্তৃপক্ষের রোষের মুখে পড়তে হচ্ছে পড়ুয়াদের৷ কয়েকদিন আগেই সেখানে গিয়েছিলেন মানস মন্দির নামে একটি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের সদস্যরা৷ তাঁরা কথা বলেছিলেন ওই স্কুলের পড়ুয়াদের সঙ্গে৷ সংগঠনের ম্যানেজার শিব কুমার জানান, সেখানে গিয়ে কার্যত হতাশ হয়েছেন তাঁরা৷ পড়ুয়ারা তাঁদের জানান, প্রতি মুহূর্তে ভয়ে ভয়ে দিন কাটাতে হচ্ছে তাঁদের৷ একবার কেউ মুখ দিয়ে ‘বন্দে মাতরম্’ বা ‘ভারত মাতা কি জয়’ উচ্চারণ করলেই স্কুল কর্তৃপক্ষ তাঁদের কঠোর শাস্তি দিচ্ছে৷ কেবল পড়ুয়ারাই নয় একই অভিযোগ করেছে ওই স্কুলের অনেক শিক্ষকও৷
[বিতর্কের মধ্যেই পাঁচ রাজ্যের নির্বাচনের দিন ঘোষণা কমিশনের]
জানা গিয়েছে, ওই স্কুল সংক্রান্ত একটি রিপোর্ট ইতিমধ্যে উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথের কাছে পৌঁছে দিয়েছে এই স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনটি৷ পাঠান হয়েছে লিখিত অভিযোগ এবং ওই স্কুলের পড়ুয়া ও অধ্যাপকদের জবানবন্দির ভিডিও রেকর্ডিং৷ শিব কুমার আরও জানান যে, খোদ পড়ুয়া তাঁদের বলেছেন, শাস্তির হিসাবে মাঠে ঘণ্টার পর ঘণ্টা দৌড় করানো হয় তাদের৷ চড়া রোদে করতে হয় পুশআপ৷ যদিও এই সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেছেন স্কুলের অধ্যক্ষ মজিদ নাসির৷ তিনি জানান, এমন কিছুই নাকি ওই স্কুলে হয় না৷ স্কুলকে কালিমালিপ্ত করার উদ্দেশ্যেই এমন গুজব ছড়ানো হচ্ছে বলে তাঁর পালটা অভিযোগ৷
সর্বশেষ খবর
-
বন্যায় কাঁদছে অসম! এখনও ক্ষতিগ্রস্ত লক্ষাধিক মানুষ, ১১ হাজার হেক্টর কৃষিজমি জলমগ্ন, মৃত ১০০
-
পরমাণু চুক্তি নিয়ে সুর নরম, ইরান হরমুজে খুলে দিলেই নিষ্ফলা যুদ্ধে ইতি টানবেন ট্রাম্প!
-
মোটা মাইনের চাকরির টোপ দিয়ে কলকাতার যুবকদের উজবেকিস্তানে ‘পাচার’, তারপর…
-
রাজারহাটের অভিজাত আবাসনে পানীয় জলদূষণ! অসুস্থ বহু বাসিন্দা, তুমুল উত্তেজনা এলাকায়
-
অটো চালিয়ে অসুস্থকে বিনামূল্যে পৌঁছে দেন হাসপাতালে, ভাইরাল গভীর রাতের ‘শেরনি’