Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬
Supreme Court

নিঠারি হত্যাকাণ্ডের শেষ মামলাতেও বেকসুর খালাস, জেলমুক্তির পথে সুরিন্দর কোলি

প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বে তিন সদস্যের বেঞ্চ এই মামলার অভিযুক্তকে বেকসুর খালাস করে।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: নভেম্বর ১১, ২০২৫, ১৪:১৩

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: নভেম্বর ১১, ২০২৫, ১৪:১৩

options
link
নিঠারি হত্যাকাণ্ডের শেষ মামলাতেও বেকসুর খালাস, জেলমুক্তির পথে সুরিন্দর কোলি zoom
নিঠারি মামলায় অভিযুক্ত সুরিন্দর কোলি।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ফাঁসির সাজা খারিজ হয়েছিল আগেই, কুখ্যাত নিঠারি হত্যাকাণ্ডে শেষ মামলা থেকেও বেকসুর খালাস করা হল মূল অভিযুক্ত সুরিন্দর কোলিকে। সোমবার এই মামলার শুনানিতে সুরিন্দরকে বেকসুর খালাস করেছে দেশের প্রধান বিচারপতি বি আর গভাই, বিচারপতি সূর্য কান্ত এবং বিচারপতি বিক্রম নাথের বেঞ্চ। ফলে খুন, খুনের পর ধর্ষণ ও নরমাংস ভক্ষণের অভিযোগ ওঠা সুরিন্দরের জেলের বাইরে পা রাখতে আর কোনও বাধা রইল না।

নিঠারি মামলায় কোলিকে প্রথমে ফাঁসির সাজা শুনিয়েছিল সিবিআই আদালত। তবে সেই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে এলাহাবাদ হাই কোর্টে রেহাই পায় অভিযুক্ত। ২০১১ সালে এই মামলা ওঠে সুপ্রিম কোর্টে। সেখানে অভিযুক্তকে দোষী সাব্যস্ত করা হয়। পালটা সুপ্রিম কোর্টেই রায়কে চ্যালেঞ্জ জানায় কোলি। সেই রায়ে সর্বোচ্চ আদালত জানিয়েছিল, শুধুমাত্র জবানবন্দি ও বাজেয়াপ্ত একটি রান্নাঘরে ব্যবহৃত ছুরির উপরে ভিত্তি করে সুরেন্দ্রকে দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছিল। এখনও সেই রায় বহাল রাখা হলে তা ‘ন্যায়বিচারের প্রতি উপহাস হবে’।

Advertisement

কোলির বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া ১৩টি মামলার মধ্যে ১২টি মামলাতেই আগেই খালাস পায় অভিযুক্ত। শেষ মামলা ছিল ১৫ বছরের এক কিশোরীকে খুনের অভিযোগ। সেই মামলাতেও পর্যাপ্ত প্রমাণের অভাবে সুরিন্দর কোলিকে বেকসুর খালাস করল প্রধান বিচারপতি বি আর গাভাইয়ের নেতৃত্বে তিন সদস্যের বেঞ্চ। ফলে সবকটি মামলা থেকেই বেকসুর খালাস পাওয়ায় কোলির জেলমুক্তিতে আর কোনও বাধা রইল না।

উল্লেখ্য, ২০০৫ সালে নয়ডার নিঠারি হত্যামামলা গোটা দেশে আলোড়ন ফেলেছিল। সুরিন্দর কোলি এবং মণীন্দর সিং পান্ধেররা রীতিমতো ত্রাস হয়ে উঠেছিল সকলের কাছে। একের পর এক শিশু, কিশোরী নিখোঁজ এবং শেষমেশ তাদের দেহাবশেষ উদ্ধার। ধারাবাহিক নিখোঁজ ও খুনের ঘটনার তদন্তে নেমে ২০০৬ সালে নয়ডায় দুই ‘নরখাদকে’র খোঁজ পান তদন্তকারীরা – সুরিন্দর কোলি ও মণীন্দর সিং পান্ধের। তাঁদের বীভৎস কীর্তি সামনে আসার পর শিউরে ওঠে গোটা দেশ। সিবিআই তদন্তে নেমে জানতে পারে, এলাকার ছোটদের চকোলেটের লোভ দেখিয়ে ঘরে ডেকে নিয়ে গিয়ে যৌন নির্যাতনের পর খুন করা হতো। তারপর দেহাংশ সিদ্ধ করে খাওয়া হতো এবং হাড়গোড় পুঁতে ফেলা হতো মাটিতে। তদন্তে নেমে তাদের ঘর থেকে প্রচুর কঙ্কাল উদ্ধার হয়। ভয়ংকর সেই ঘটনা অবলম্বনে তৈরি হয় ‘সেক্টর ৩৬’ সিনেমাও।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.