Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৯ ভাদ্র ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ২৭ আগস্ট ২০২৬
Supreme Court

মন্দিরের জমিতেই তৈরি হবে কলেজ, শীর্ষ আদালতে বড় জয় স্ট্যালিন সরকারের

আবেদনকারী টি আর রমেশের পক্ষ থেকে দাখিল করা মামলাটি খারিজ হয়ে গেল।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ৩১, ২০২৫, ১৬:৫৯

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ৩১, ২০২৫, ১৬:৫৯

options
link
মন্দিরের জমিতেই তৈরি হবে কলেজ, শীর্ষ আদালতে বড় জয় স্ট্যালিন সরকারের zoom
ফাইল ছবি।
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: সুপ্রিম কোর্টে বড় জয় তামিলনাড়ু সরকারের। রাজ্য সরকারের উদ্যোগে চেন্নাইয়ের কোলাথুরে সরকারি কলেজ গড়তে শ্রী সোমনাথস্বামী মন্দিরের জমি ব্যবহারে আর কোনও বাধা রইল না। শুক্রবার মাদ্রাজ হাই কোর্টের রায় বহাল রেখে বিচারপতি বিক্রম নাথ ও সন্দীপ মেহতার ডিভিশন বেঞ্চ জানিয়ে দেয়, এই বিষয়ে হাই কোর্টের দেওয়া রায়ে হস্তক্ষেপের কোনও প্রয়োজন নেই। ফলে, আবেদনকারী টি আর রমেশের পক্ষ থেকে দাখিল করা মামলাটি খারিজ হয়ে গেল।

প্রসঙ্গত, ২০২৪ সালের অক্টোবরে মাদ্রাজ হাই কোর্ট জানিয়েছিল, কোলাপুরের শ্রীসোমনাথস্বামী মন্দিরের আড়াই একর জমি ২৫ বছরের জন্য মাইলাপোরের শ্রীকপালেশ্বরার মন্দিরকে লিজ দেওয়ার প্রস্তাব বৈধ। ওই জমিতে কলা ও বিজ্ঞান কলেজ তৈরির পরিকল্পনা করা হয়েছে, যা জনকল্যাণমূলক কাজে ব্যবহৃত হবে। আদালত আরও জানিয়েছিল, এই প্রস্তাবিত লিজের বিরুদ্ধে আপত্তি বা প্রস্তাব থাকলে আবেদনকারী তা লিখিতভাবে হিন্দু ধর্মীয় ও দাতব্য দফতরের (এইচআরঅ্যান্ডসি) কমিশনারের কাছে জানাতে পারেন। এরই প্রেক্ষিতে রমেশ ২০২৪ সালের ৩ সেপ্টেম্বর কমিশনারের বিজ্ঞপ্তি চ্যালেঞ্জ করেছিলেন।

Advertisement

রমেশের অভিযোগ ছিল, বিজ্ঞপ্তিতে জমির ভাড়া কীভাবে নির্ধারিত হয়েছে বা সেই ভাড়া মন্দিরের কল্যাণে কীভাবে খরচ হবে- তার কোনও স্পষ্ট বিবরণ নেই। তাঁর দাবি, এই পদক্ষেপ তামিলনাড়ু এইচআরঅ্যান্ডসি আইন ১৯৫৯ এবং ১৯৬০ সালের সংশ্লিষ্ট বিধির পরিপন্থী। কিন্তু সুপ্রিম কোর্ট এদিন স্পষ্ট জানিয়ে দেয়, হাই কোর্টের রায় যথাযথ এবং নতুন করে হস্তক্ষেপের কোনও কারণ নেই।

এই সিদ্ধান্তের পর তামিলনাড়ুর এইচআরঅ্যান্ডসি মন্ত্রী পিকে সেকারবাবু সুপ্রিম কোর্টকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, রাজ্যের ডিএমকে সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকে ইতিমধ্যেই ৩৫০৩টি মন্দির পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হয়েছে এবং আগামী ২০২৬ সালের জানুয়ারির মধ্যে এই সংখ্যা ৪০০০-এ পৌঁছাবে। রাজনৈতিক মহলে অবশ্য মন্দিরের জমি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান গড়ার কাজে ব্যবহারের প্রশ্নটি দীর্ঘদিন ধরেই বিতর্কিত। ডিএমকে সরকার জনহিতকর পদক্ষেপ বলে এই সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেছে, অন্যদিকে বিরোধীরা অভিযোগ তুলছে, ভক্তদের দেওয়া মন্দিরের সম্পদ ধর্মীয় কার্যকলাপের বাইরে কাজে ব্যবহার করা হচ্ছে। উল্লেখযোগ্যভাবে, প্রস্তাবিত কলেজ তৈরির এলাকা কোলাথুরই মুখ্যমন্ত্রী এম কে স্ট্যালিনের বিধানসভা কেন্দ্র।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.