Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬
Supreme Court

রাষ্ট্রপতি-রাজ্যপালদের বিলে স্বাক্ষরের সময়সীমা মামলা, সব রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলকে নোটিস সুপ্রিম কোর্টের

মঙ্গলবারের মধ্যে সব রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলকে মতামত জানাতে বলা হয়েছে।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ২৩, ২০২৫, ১৪:৫৬

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ২৩, ২০২৫, ১৪:৫৬

options
link
রাষ্ট্রপতি-রাজ্যপালদের বিলে স্বাক্ষরের সময়সীমা মামলা, সব রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলকে নোটিস সুপ্রিম কোর্টের zoom

সোমনাথ রায়, নয়াদিল্লি: রাষ্ট্রপতি-রাজ্যপালদের বিলে সই করা সংক্রান্ত মামলার শুনানিতে কেন্দ্র, প্রতিটি রাজ্য সরকার ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের প্রশাসককে নোটিস পাঠাল সুপ্রিম কোর্টের সাংবিধানিক বেঞ্চ। আগামী মঙ্গলবার আদালতে নিজেদের বক্তব্য জানানোর সময় বেঁধে দিয়ে আগস্টে মামলার পরবর্তী শুনানির ইঙ্গিত দিয়েছে বেঞ্চ।

আটকে থাকা বিলে সই করার জন্য রাষ্ট্রপতি, রাজ্যপাল, উপরাজ্যপালদের সময়সীমা বেঁধে দিয়েছিল সুপ্রিম কোর্ট। যার পাল্টা সর্বোচ্চ আদালতের কাছে ১৩ দফা প্রশ্নের তালিকা পাঠিয়ে ব্যাখ্যা জানতে চেয়েছিলেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু। তাঁর পরামর্শ মেনে পাঁচ বিচারপতির সাংবিধানিক বেঞ্চ তৈরি করেন প্রধান বিচারপতি বি আর গাভাই। তাঁর সঙ্গে এই বেঞ্চে আছেন বিচারপতি সূর্য কান্ত, বিচারপতি বিক্রম নাথ, বিচারপতি পি এস নরসিমহা ও বিচারপতি এ এস চন্দুরকর। ২০০ এবং ২০১ অনুচ্ছেদের অধীনে সাংবিধানিক সিদ্ধান্তের জন্য বিচারবিভাগ সময়সীমা নির্ধারণ করতে পারে কি না, তা পরীক্ষা করবে সাংবিধানিক বেঞ্চ।

Advertisement

সাধারণত, কোনও রাজ্যের আইনসভায় বিল পাস হলে তা সম্মতির জন্য রাজ্যপালের কাছে পাঠানো হয়। রাজ্যপাল নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে ওই বিল নিয়ে সিদ্ধান্ত নিতে না পারলে তা রাষ্ট্রপতির কাছে পাঠিয়ে দেন। ভারতীয় সংবিধানের ২০১ ধারা অনুযায়ী, কোনও বিল রাষ্ট্রপতির কাছে গেলে তাঁর কাছে দু’টি বিকল্প রয়েছে। হয় সেই বিলে সম্মতি জানানো অথবা তা নাকচ করে দেওয়া। যদিও এই কাজের জন্য সংবিধানে রাষ্ট্রপতিকে কোনও সময়সীমা দেওয়া হয়নি। তা নিয়েই বার বার দ্বন্দ্ব চলে কেন্দ্র এবং রাজ্যের মধ্যে। সেই আবহে তামিলনাড়ু সরকারের এক মামলায় রাষ্ট্রপতিকে তিন মাসের সময়সীমা বেঁধে দেওয়ার নির্দেশ দেয় সুপ্রিম কোর্ট। নির্দেশ নিয়ে আপত্তি তোলেন উপরাষ্ট্রপতি-সহ অনেকেই। রাষ্ট্রপতিকে নির্দেশ দেওয়ার ক্ষমতা আদালতের আছে কি না, সেই প্রশ্নও ওঠে। এরপরই ব্যাখ্যা চেয়ে চিঠি দেন রাষ্ট্রপতি।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.