Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬
Waqf Act

ওয়াকফ আইন নিয়ে কেন্দ্রকে তিন ‘সুপ্রিম’ প্রশ্ন! বৃহস্পতিবার স্থগিতাদেশ দেবে শীর্ষ আদালত?

বুধবারই ওয়াকফ আইনের এই তিন ক্ষেত্রে স্থগিতাদেশ দিতে চেয়েছিল সুপ্রিম কোর্ট।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ১৭, ২০২৫, ১১:৫৭

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ১৭, ২০২৫, ১১:৫৭

options
link
ওয়াকফ আইন নিয়ে কেন্দ্রকে তিন ‘সুপ্রিম’ প্রশ্ন! বৃহস্পতিবার স্থগিতাদেশ দেবে শীর্ষ আদালত? zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: সংশোধিত ওয়াকফ আইনের বেশ কয়েকটি ধারায় স্থগিতাদেশ দিতে চেয়েছিল সুপ্রিম কোর্ট। কেন্দ্রের অনুরোধে তা পিছিয়ে দিয়েছে শীর্ষ আদালত। তবে স্থগিতাদেশ না দিলেও নয়া আইনের তিনটি বিষয় নিয়ে কেন্দ্রের কাছে প্রশ্ন রেখেছে প্রধান বিচারপতি সঞ্জীব খান্নার বেঞ্চ। বৃহস্পতিবার ওয়াকফ ইস্যুতে ফের শুনানি হবে সুপ্রিম কোর্টে।

ওয়াকফ সংশোধনী আইন মুসলিম স্বার্থবিরোধী বলে অভিযোগ তুলে বড়সড় আন্দোলনের পথে হেঁটেছে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের একটা বড় অংশ। দেশজুড়েই বিক্ষোভের আঁচ ছড়িয়ে পড়েছে। নয়া ওয়াকফ আইনের বিরোধিতার জল গড়িয়েছে সুপ্রিম কোর্টেও। ইসলামিক সংগঠন তো বটেই, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের তরফেও একগুচ্ছ মামলা দায়ের হয়েছে। বুধবার সেই মামলার শুনানি ছিল প্রধান বিচারপতি সঞ্জীব খান্না এবং বিচারপতি সঞ্জয় কুমার ও বিচারপতি কেভি বিশ্বনাথনের বেঞ্চে।

Advertisement

সেই শুনানি চলাকালীনই ওয়াকফ আইনের তিনটি বিষয় আলাদাভাবে উল্লেখ করেছে শীর্ষ আদালত। প্রথমত, ইতিমধ্যেই যেসমস্ত সম্পত্তিকে ওয়াকফ বলে মান্যতা দেওয়া হয়েছে সেগুলিকে ওয়াকফ সম্পত্তির বাইরে নিয়ে যাওয়া হয় তাহলে বিরাট প্রভাব পড়তে পারে সমাজে। তাই ওয়াকফ সম্পত্তিগুলিকে অন্যভাবে ব্যবহার করার সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত নয়। দ্বিতীয়ত, ওয়াকফ আইনে জেলাশাসককে ওয়াকফ সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে। কিন্তু সরকারি প্রতিনিধি হিসাবে জেলাশাসক নিরপেক্ষ ভাবে সিদ্ধান্ত নিতে পারবেন কিনা তা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। তাই শীর্ষ আদালতের মত, জেলাশাসক কাজ চালিয়ে যেতে পারেন কিন্তু তাঁর সিদ্ধান্তকে কার্যকরী করা হবে না।

তৃতীয়ত, নতুন ওয়াকফ আইনের বিরোধীদের মত, ওয়াকফ বোর্ডে অমুসলিম সদস্য থাকলে মুসলিমদের ধর্মপালনের স্বাধীনতা খর্ব হতে পারে। তাই সওয়াল চলাকালীনই বিচারপতিদের বেঞ্চের তরফে বলা হয়, হিন্দু ধর্মের সম্পত্তি দেখভাল করার বোর্ডে তো অন্য ধর্মাবলম্বীরা থাকেন না। উদাহরণ হিসাবে তিরুপতি বোর্ডের উল্লেখ করেন বিচারপতি কুমার। কেন্দ্রের সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতাকে প্রধান বিচারপতি জিজ্ঞাসা করেন, তাহলে কি হিন্দু ধর্মের ট্রাস্টগুলিতে মুসলিমদের সদস্যপদ দেবে কেন্দ্র? এই প্রশ্নের জবাব মেলেনি কৌঁসুলির তরফে। বুধবারই ওয়াকফ আইনের এই তিন ক্ষেত্রে স্থগিতাদেশ দিতে চেয়েছিল সুপ্রিম কোর্ট। বৃহস্পতিবার কি তা হবে? শীর্ষ আদালতের দিকে তাকিয়ে মামলাকারীরা।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.