সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ইডি-সিবিআইয়ের অপব্যবহারের অভিযোগে ১৪টি বিরোধী দলের করা মামলা খারিজ করে দিল সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court)। প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন ডিভিশন বেঞ্চ স্পষ্ট জানিয়ে দিল, রাজনীতিবিদদের জন্য আলাদা করে আইন প্রণয়ণ সম্ভব নয়। যদি নির্দিষ্ট কোনও অভিযোগ থাকে, সেটা আলাদা করে গ্রহণ করা যেতে পারে।
Supreme Court refuses to entertain a plea filed by 14 opposition parties, led by the Congress, alleging “arbitrary use” of central probe agencies like Central Bureau of Investigation (CBI) and the Enforcement Directorate (ED) against opposition leaders and seeking a fresh set of… pic.twitter.com/0DfvhhYxjN
Advertisement— ANI (@ANI) April 5, 2023
সিবিআই (CBI) এবং এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের (ইডি) মতো কেন্দ্রীয় তদন্ত সংস্থাগুলিকে বিরোধীদের কণ্ঠরোধে অপব্যবহার করা হচ্ছে। এমনই অভিযোগ করে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিল ১৪টি বিজেপি বিরোধী রাজনৈতিক দল। যৌথ আবেদনে কেন্দ্রীয় সংস্থাগুলির জন্য সুনির্দিষ্ট নির্দেশিকা চেয়েছিল তারা। ১৪ বিরোধী দলকে এ বিষয়ে নেতৃত্ব দিয়েছে কংগ্রেস (Congress)। এছাড়া গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে তৃণমূল কংগ্রেস (TMC), ডিএমকে, আরজেডি, বিআরএস-সহ বিজেপি বিরোধী প্রায় সব গুরুত্বপূর্ণ দল।
[আরও পড়ুন: পুলিশ না পারলে কেন্দ্রীয় বাহিনীর সাহায্য নিন, অশান্তি মামলায় রাজ্যকে পরামর্শ হাই কোর্টের]
বুধবার প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড়ের নেতৃত্বে তিন বিচারপতির বেঞ্চে সেই আবেদনের শুনানি ছিল। বেঞ্চের অপর দুই সদস্য বিচারপতি ছিলেন পি এস নরসিমা (PS Narasima) এবং বিচারপতি জে বি পার্দিওয়ালা। গত ২৪ মার্চ আবেদনের দ্রুত শুনানির অনুরোধ করে সিনিয়র আইনজীবী তথা কংগ্রেস নেতা অভিষেক মনু সিংভি বলেছিলেন, ২০১৪ সাল থেকে যে সমস্ত রাজনৈতিক নেতাদের বিরুদ্ধে সিবিআই-ইডি তদন্ত করছে, তাঁদের শতকরা ৯৫ জনই বিরোধী দলের। এটা স্পষ্টত বিরোধীদের কণ্ঠরোধ। বিরোধীদের বক্তব্য ছিল, তারা কোনও তদন্ত প্রক্রিয়ায় হস্তক্ষেপ করতে চান না। কিন্তু যেভাবে গণতন্ত্রের কণ্ঠরোধ করা হচ্ছে, সেটা নিয়েও আদালতের কিছু করা উচিত। অন্তত নেতাদের গ্রেপ্তারি নিয়ে নতুন গাইডলাইন দিয়ে দেওয়া হোক। কিন্তু সেই আবেদন গ্রহণ করল না শীর্ষ আদালত।
[আরও পড়ুন: নগ্ন ছবি পর্নসাইটে ছড়ানোর হুমকি! ‘শিবপুর’ সিনেমার প্রযোজকের মেল প্রকাশ করলেন স্বস্তিকা]
প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চ জানিয়ে দিল, রাজনীতিবিদদের জন্য আলাদা আইন প্রণয়ন সম্ভব নয়। তবে নির্দিষ্ট কোনও মামলা বা ক্ষেত্রে অভিযোগ থাকলে, সেটা আদালতের বিচারাধীন হতে পারে। শীর্ষ আদালত মামলা গ্রহণ করতে না চাওয়ায় সম্মিলিত বিরোধী শিবির নিজেদের আরজি প্রত্যাহার করেছেন।
সর্বশেষ খবর
-
রাত বাড়লেই বাড়ছে উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা; কেন হয়, দমন করা যায় কীভাবে?
-
সাঁড়াশি চাপে অভিষেক! সই জাল কাণ্ডের পর ডিজে মন্তব্যের মামলাও গেল সিআইডির হাতে
-
উত্তরের সঙ্গে জুড়বে দক্ষিণবঙ্গ, দার্জিলিং-গঙ্গাসাগর হাইওয়ের ঘোষণা পূর্তমন্ত্রীর
-
কর্নাটকে রাজ্যসভায় বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়ী খাড়গে-সহ কংগ্রেসের ৩, জিতলেন এক বিজেপি প্রার্থী
-
এবার বেসরকারি হাসপাতালেও ফ্রি বেড! স্বাস্থ্য পরিষেবা ঢেলে সাজাতে বড় ঘোষণা শারদ্বতের