দীপাঞ্জন মণ্ডল, নয়াদিল্লি: অযোধ্যা মামলায় রায় পুনর্বিবেচনার আবেদন খারিজ করল সুপ্রিম কোর্ট। আজ, বৃহস্পতিবার সেই সমস্ত মামলার শুনানি হয় শীর্ষ আদালতের পাঁচ বিচারপতির সাংবিধানিক বেঞ্চে। সুপ্রিম কোর্টের চেম্বারেই শুনানির পর আবেদনগুলি খারিজ করে দেওয়া হয়। সব মিলিয়ে অযোধ্যা মামলায় ১৮টি পিটিশন জমা পড়েছিল।
এদিন প্রধান বিচারপতি এস এ বোবদের নেতৃত্বাধীন পাঁচ বিচারপতির সাংবিধানিক বেঞ্চে এই মামলা ওঠে। এই বেঞ্চে নতুন সংযোজন হলেন বিচারপতি সঞ্জীব খান্না। তৎকালীন প্রধান বিচারপতি রঞ্জন গগৈয়ের নেতৃত্বাধীন পাঁচ বিচারপতির সাংবিধানিক বেঞ্চ এই মামলায় রায় দিয়েছিল। কিন্তু বিচারপতি গগৈয়ের অবসরের পর বর্তমান প্রধান বিচারপতি এস এ বোবদের নেতৃত্বাধীন এই সাংবিধানিক বেঞ্চে নতুন সদস্য হন বিচারপতি খান্না। বেঞ্চের অন্য সদস্যরা হলেন বিচারপতি ডি ওয়াই চন্দ্রচূড়, বিচারপতি অশোক ভূষণ, বিচারপতি এস এ নাজির। বিচারপতিরা এদিন ঠিক করেছিলেন যে বিষয়টি ‘ওপেন কোর্ট’ বা প্রকাশ্য আদালতে শুনানি হবে না। তবে বেশিরভাগ আবেদনেই প্রকাশ্য শুনানির আরজি জানানো হয়েছিল।
সুপ্রিম কোর্টের অযোধ্যা রায় নিয়ে মোট ১৮টি রায় পুনর্বিবেচনার আবেদন করা হয়েছে। এই ১৮টির মধ্যে মোট ন’টি আবেদনের প্রধান মামলাকারী, যারা আগে এই মামলার সঙ্গে যুক্ত ছিল। প্রথম এই বিষয়ে রায় পুনর্বিবেচনার আবেদন করেছিল মুসলিম পক্ষই। তারা কোনওভাবেই এই রায় মেনে নিতে পারছিল না। পরে অল ইন্ডিয়া মুসলিম ল’ বোর্ডের সমর্থনে বেশ কয়েকটি রায় পুনর্বিবেচনার আবেদন দাখিল করে মুসলিম পক্ষ। হিন্দু পক্ষগুলির তরফে প্রথম রিভিউ পিটিশন দায়ের করে হিন্দু মহাসভা। তারা অযোধ্যায় মুসলিমদের বিকল্প পাঁচ একর জমি দেওয়ার বিরোধিতা করে এই মামলা করে। অন্যদিকে জানা গিয়েছে, বুধবার নির্মোহী আখড়ার তরফেও একটি রায় পুনর্বিবেচনার আবেদন করা হয়েছিল।
[আরও পড়ুন: নির্ভয়ার ধর্ষকদের ফাঁসি দিতে চেয়ে দেশ-বিদেশ থেকে ১৫টি আবেদন তিহারে]
সর্বশেষ খবর
-
‘মাওবাদী মুক্ত’ ছত্তিশগড়ে পুরভোটে এগিয়ে বিজেপি, সমান টক্কর দিয়ে প্রত্যাবর্তনের ইঙ্গিত কংগ্রেসেরও
-
মাদ্রাসার আড়ালে বেআইনি কার্যকলাপ নয় তো? খুঁটিনাটি জানতে চেয়ে জেলাশাসকদের ‘ডেডলাইন’ নবান্নের
-
স্বপ্নের উড়ানে ‘আরোহণ ২০২৬’, মেধাকে স্বীকৃতি জানাল ডিসান হসপিটাল
-
সরকারি বালতিও চুরি! শ্রীরামপুরে গ্রেপ্তার ২ তৃণমূল নেতা
-
কাঁচামালের তীব্র সংকট! নৈহাটির জুটমিলে ‘সাসপেনশন অফ ওয়ার্ক’, বিপাকে হাজার শ্রমিক