সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ১৯৮৮ সালে বিয়ে করেছিলেন ভারতীয় সেনাবাহিনীতে কর্মরত নার্স সেলিমা জন। এরপরেই তাঁকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করেছিল কর্তৃপক্ষ। ‘বিয়ে’কে হাতিয়ার করেই তাঁকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয়েছিল। ওই মামলায় লিঙ্গ বৈষম্যের অভিযোগে কেন্দ্রকে তীব্র ভর্ৎসনা করল সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court)। পাশাপাশি ৬০ লক্ষ টাকা ক্ষতিপূরণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
প্রায় তিন দশক আগে লেফটেন্যান্ট পদে ছিলেন সেলিমা। বিয়ের পরেই তাঁর চাকরি চলে যায়। ১৯৭৭ সালে সেনার আনা একটি নিয়মের উপরে দাঁড়িয়ে বরখাস্ত করা হয়েছিল সেলিমাকে। যদিও আদালতের দাবি, ওই নিয়ম ছিল স্বেচ্ছাচারী। লিঙ্গ-ভিত্তিক এই ধরনের পক্ষপাত সংবিধান বিরোধী। তাছাড়া বিতর্কিত নিয়ম প্রত্যাহার করা হয় ১৯৯৫ সালে।
[আরও পড়ুন: মা হতে চলেছেন দীপিকা পাড়ুকোন! কত মাসের অন্তঃসত্ত্বা রণবীর ঘরনি?]
উল্লেখ্য, ২০১২ সালে সেলিমা সেনার ট্রাইব্যুনালের দ্বারস্থ হয়েছিলেন। শুনানি শেষে মামলাকারীর পক্ষেই রায় যায়। নার্সকে পুনর্বহালের নির্দেশ দেয় ট্রাইব্যুনাল। এই রায়ের বিরুদ্ধে ২০১৯ সালে সুপ্রিম কোর্টে মামলা করে কেন্দ্রীয় সরকার। যদিও ধোপে টিকল না সেই দাবি। কিছুটা সংশোধন করে ট্রাইব্যুনালের রায়কেই বহাল রাখল শীর্ষ আদালত। চাকরি ফেরানোর পাশাপাশি ৬০ লক্ষ টাকা জরিমানার নির্দেশ দিলেন বিচারপতি সঞ্জীব খান্না এবং বিচারপতি দীপঙ্কর দত্তের বেঞ্চ।
[আরও পড়ুন: তিন সেনাকর্তাকে ফাঁসির সাজা মায়ানমারে! কেন এই পদক্ষেপ জুন্টার?]
সর্বশেষ খবর
-
পাহাড় থেকে সাগরে উন্নয়ন! অর্থমন্ত্রীর হাত ধরে সেজে উঠবে কল্লোলিনী, স্বপন দাশগুপ্তর প্রশংসায় মুখ্যমন্ত্রী
-
বিশ্বকাপের মঞ্চে ‘দেশবিরোধী’ আচরণ! রোহিতের পরে এবার তুমুল কটাক্ষের শিকার মিতালি রাজ
-
‘খান স্যার খুন করেছে আমার ভাইকে’, প্রিন্সের রহস্যমৃত্যুতে বিস্ফোরক রোশন
-
ক্লাসের বদলে বন্ধ ঘরে কুকীর্তি! কন্ডোম উদ্ধার হতেই প্রধান শিক্ষকের উপর ‘ডিম-থেরাপি’
-
‘ইন্ডিয়া’য় বিষ ঢেলেছে কে? বিরোধী জোটে ‘ফাটলে’ রাহুলকেই দায়ী করল ডিএমকে