Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬

হাই কোর্টের বিচারপতির বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি সুপ্রিম কোর্টের

নজিরবিহীন নির্দেশ দেশের শীর্ষ আদালতের।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ১০, ২০১৭, ১০:১৫

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ১০, ২০১৭, ১০:১৫

options
link
হাই কোর্টের বিচারপতির বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি সুপ্রিম কোর্টের zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: বিপাকে কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি চিন্নাস্বামী স্বামীনাথন কারনান। শুক্রবার তাঁর বিরুদ্ধে জামিনযোগ্য ধারায় পরোয়ানা জারি করল সুপ্রিম কোর্ট। কারনানের বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার অভিযোগ। সেই মামলার শুনানিতে বিচারপতি জেএস খেহরের নেতৃত্বে সাত সদস্যের বেঞ্চ এদিন এই রায় দিয়েছে। বেঞ্চের অন্য সদস্যরা হলেন, বিচারপতি এম বি লোকুর, বিচারপতি পি সি ঘোষ, বিচারপতি কুরিয়েন জোসেফ, বিচারপতি দীপক মিশ্র, বিচারপতি রঞ্জন গগৈ ও বিচারপতি জে চেলামেশ্বর৷ দেশের বিচারব্যবস্থার ইতিহাসে প্রথম এই ধরনের ঘটনা ঘটল।

২ শতাংশ করের সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করল পেটিএম

বিচারপতি কারনানকে আগামী ৩১ মার্চ আদালতে উপস্থিত থাকার নির্দেশ দিয়েছে শীর্ষ আদালত৷ তিনি যেন ওই দিন আদালতে উপস্থিত থাকেন তা দেখার জন্য পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের ডিজিকেও নির্দেশও দেওয়া হয়েছে৷ বিচারব্যবস্থা ও সরকারের কাজের সমালোচনা করে মাদ্রাজ হাই কোর্টের প্রধান বিচারপতির বিরুদ্ধে আপত্তিকর ও আক্রমণাত্মক ভাষায় চিঠি লিখেছিলেন বিচারপতি কারনান৷ সেই চিঠি তিনি প্রধানমন্ত্রী, রাষ্ট্রপতি ও সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতিকে পাঠিয়েছিলেন৷ এরপরই সর্বসম্মতিতে তাঁর বিরুদ্ধে মামলা শুরু হয় শীর্ষ আদালতে৷ মাদ্রাজ হাই কোর্টের বর্তমান বিচারপতির স্ত্রীর দায়ের করা একটি মামলারও শুনানি হবে৷ বিচারপতি কারনান তাঁর স্বামী ও পরিবারের বিরু‌দ্ধে মিথ্যা অভিযোগ এনে তাঁদের হেনস্থা করেছেন বলে শীর্ষ আদালতের দ্বারস্থ হয়ে একটি আবেদন করেছিলেন তিনি৷

Advertisement

২ শতাংশ করের সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করল পেটিএম

এই মামলার শুনানিতে এর আগে একাধিকবার সুপ্রিম কোর্টের তরফে বিচারপতি কারনানকে আদালতে উপস্থিত থাকতে বলা হয়েছিল৷ কিন্তু তিনি হননি। এদিন শীর্ষ আদালতের বিচারপতিরা বলেন, আদালত অবমাননার মামলায় বিচারপতি কারনানকে শারীরিকভাবে উপস্থিত থেকে আত্মপক্ষ সমর্থন করে নিজের বক্তব্য জানাতে হবে৷ এর অন্যথা হলে তাঁর বক্তব্য গ্রাহ্য করা হবে না৷ বিচারপতি কারনান ক্ষমতার অপব্যবহার করে মিথ্যা, বিদ্বেষমূলক, উদ্দেশ্যপ্রণোদিত কাজ করে সরকার ও বিচারব্যবস্থাকে কলঙ্কিত করেছেন বলে অভিযোগ ওঠে৷ শীর্ষ আদালত রেজিস্ট্রার জেনারেলকে বিচারপতি কারনানের হেফাজতে থাকা যাবতীয় বিচারবিভাগীয় ও প্রশাসনিক ফাইল ফিরিয়ে নেওয়ারও নির্দেশ দিয়েছিল৷

স্ত্রীর এই আকুল প্রার্থনাতেও মন গলেনি পুলওয়ামার নিহত জঙ্গির

এদিনের রায়ের পর অবশ্য কারনান বলেন, ‘দলিত হওয়ার কারণেই আমার বিরুদ্ধে এই রায় দেওয়া হয়েছে।’

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.