Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬

জেলে বসে লালুকে নির্দেশ দিত মাফিয়া শাহাবউদ্দিন, ফাঁস অডিও টেপ

অর্ণব গোস্বামীর রিপাবলিক চ্যানেলে বিস্ফোরক অডিও টেপ ফাঁস!

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ৬, ২০১৭, ১০:৫৯

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ৬, ২০১৭, ১০:৫৯

options
link
জেলে বসে লালুকে নির্দেশ দিত মাফিয়া শাহাবউদ্দিন, ফাঁস অডিও টেপ zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: জোড়া ফলায় বিদ্ধ লালু প্রসাদ যাদব। মাত্র ২৪ ঘন্টা আগে বিহারের বিজেপি নেতা সুশীল কুমার মোদি অভিযোগ তুলেছিলেন, রাষ্ট্রীয় জনতা দলের (আরজেডি) প্রধান লালু প্রসাদ যাদবের পুত্র তেজ প্রতাপ যাদবকে বেআইনিভাবে পাটনায় একটি পেট্রল পাম্প পাইয়ে দেওয়া হয়।

[জানেন, কীভাবে কাশ্মীরে অশান্তি বাড়াতে টাকা ঢালছে পাকিস্তান?]

ওই অভিযোগের পর ২৪ ঘন্টা কাটতে না কাটতেই ফের বিরোধীদের নিশানায় লালু। কুখ্যাত মাফিয়া ও রাজনীতিবিদ মহম্মদ শাহাবউদ্দিনের কথামতো চলতেন বিহারের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী, একটি অডিও টেপ প্রকাশ্যে এনে এমনটাই দাবি করল অর্ণব গোস্বামীর রিপাবলিক চ্যানেল। শাহাবউদ্দিন এখন দিল্লির তিহার জেলে বন্দি। তার সঙ্গে লালু যাদবের টেলিফোনে কথোপকথন প্রকাশ্যে এনেছে ‘রিপাবলিক’ চ্যানেল। অডিও টেপটির সত্যতা অবশ্য খতিয়ে দেখেনি সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল। চ্যানেলটির দাবি, জেলে বসেই সমান্তরাল প্রশাসন চালাত শাহাবউদ্দিন।

Advertisement

২০১৫-র বিধানসভা নির্বাচনে জনতা দল ইউনাইটেড (জেডিইউ) ও আরজেডি-সহ ছ’টি দলের মহাজোট নীতিশ কুমারকে মুখ্যমন্ত্রী প্রার্থী করে ভোটে লড়ে। সেই ঐতিহাসিক নির্বাচনে রেকর্ড ভোট পড়ে। প্রায় ৫৬.৮০ শতাংশ ভোট পড়ে। মহাজোট পায় ১৭৮টি আসন। বিজেপির নেতৃত্বে লোক জনশক্তি পার্টি-সহ জোট পায় ৫৮টি আসন। ওই নির্বাচনে বিহারের রাজনীতিতে কামব্যাক করেন লালু। আরজেডি ৮০টি আসন পেয়ে একক সংখ্যাগরিষ্ঠ দল হিসাবে বিবেচিত হয়। নীতিশ কুমার মুখ্যমন্ত্রী হলেও বিহারের রাজনীতিতে ফের প্রাসঙ্গিক হয়ে পড়েন লালু। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী রবিশঙ্কর প্রসাদ শনিবার সাংবাদিক বৈঠক ডেকে বলেন, “লালু প্রসাদ যাদব কোনও ছোটখাটো নেতা নন, বিহারের রাজনীতিতে তিনি একজন মুখ্য চরিত্র। তাঁর দুই পুত্রই বিহারের মন্ত্রী। তিনি কী করে একজন অপরাধীর সঙ্গে কথা বলতে পারেন? একজন জেলবন্দির সঙ্গে ফোনে কথা বলাটাই তো অপরাধ।”

বিজেপির দাবি, এই ঘটনার পর লালুর রাজনীতি থেকে নির্বাসন নেওয়া উচিত। বেঙ্কাইয়া নায়্ডু বলেছেন, “এই টেপ গোটা দেশকে স্তম্ভিত করে দিয়েছে।” সুশীল মোদি বলেছেন, “শাহাবউদ্দিন এখনও আরজেডি-র কেন্দ্রীয় কর্মকর্তা। কেন তাকে বহিষ্কার করা হচ্ছে না?” টুইটারে তাঁর তোপ, শাহাবউদ্দিনের মতো একজন ক্রিমিনালের কথায় চলেন লালু প্রসাদ, এবার কি নীতিশ কুমার তাঁর বিরুদ্ধে কোনও ব্যবস্থা নেবেন?” বিজেপির আর এক নেতা ও উত্তরপ্রদেশের মন্ত্রী সিদ্ধার্থ নাথ সিংয়ের মন্তব্য, “এখন লালুর প্রসাদের বিরুদ্ধে এফআইআর করা ছাড়া নীতিশ কুমারের কাছে কোনও রাস্তা নেই।”

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.