Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬
TCS Conversion Case

‘গর্ভবতী তাই জামিন চাই’, আদালতের দ্বারস্থ টিসিএস ধর্মান্তরণ কাণ্ডে অভিযুক্ত নিদা খান!

Nida Khan: নিদা খান দাপ্তরিক ভাবে এইচআর প্রধান পদে ছিলেন না, তিনি টেলিকলার হিসাবেই সংস্থায় যোগ দেন। যদিও কার্যক্ষেত্রে এইচআর প্রধানের কাজ করতেন। তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ, একটি চক্রের হয়ে ‘কর্পোরেট জেহাদ’ পরিচালনা করতেন।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ১৭, ২০২৬, ১৫:১০

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ১৭, ২০২৬, ১৫:১০

options
link
‘গর্ভবতী তাই জামিন চাই’, আদালতের দ্বারস্থ টিসিএস ধর্মান্তরণ কাণ্ডে অভিযুক্ত নিদা খান! zoom
এফআইআর করেছেন ১৮-২৫ বছর বয়সি টিসিএস-এর মহিলা কর্মীরা।

নাসিকের টাটা কনসালটেন্সি সার্ভিসের (টিসিএস) ধর্মান্তরণ কাণ্ডে (TCS Conversion Case) অন্যতম অভিযুক্ত এইচআর কর্মী নিদা খান পলাতক। এবার অজ্ঞাতবাস থেকেই গ্রেপ্তারি আটকাতে আদালতে অন্তর্বর্তীকালীন জামিনের আবেদন করলেন তিনি। আইনজীবী মারফত ওই আবেদনে অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার কথা জানিয়ে শারীরিক অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে জামিনের দাবি জানিয়েছেন তিনি।

সূত্রের খবর, নিদা খান দাপ্তরিক ভাবে এইচআর প্রধান পদে ছিলেন না, তিনি টেলিকলার হিসাবেই সংস্থায় যোগ দেন। যদিও কার্যক্ষেত্রে এইচআর প্রধানের কাজ করতেন। তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ, তিনি একটি চক্রের হয়ে ‘কর্পোরেট জেহাদ’ পরিচালনা করতেন। সংস্থার মহিলা কর্মীদের জোর করে ধর্মান্তরণের চেষ্টা করতেন। এমনকী হিন্দু কর্মীদের আমিষ খাবার খেতে বাধ্য করতেন বলেও অভিযোগ। জবরদস্তি একটি নির্দিষ্ট ধর্মীয় রীতিনীতি পালনের জন্য চাপ দিতেন বলেও অভিযোগ উঠেছে। পুলিশ সূত্রে খবর, নিদা খান (Nida Khan) বর্তমানে মুম্বইয়ে কোনও অজ্ঞাতবাসে রয়েছেন। সেখান থেকে আইনজীবী মারফত আদালতের দ্বারস্থ হয়েছেন। গর্ভবতী হওয়ার কারণ দেখিয়ে মেডিক্যাল কারণে জামিনের আবেদন করেছেন তিনি।

Advertisement

উল্লেখ্য, যৌন নির্যাতন, মানসিক হেনস্তা এবং ধর্মান্তরণের অভিযোগ আইটি জায়েন্ট সংস্থার নাসিক কেন্দ্রের বেশ কিছু কর্মীর বিরুদ্ধে। এই অভিযোগ এনেছেন টিসিএসের কমপক্ষে ন’জন মহিলা কর্মী। এই বিষয়ে মহারাষ্ট্রের মন্ত্রী ও বিজেপি নেতা গিরিশ মহাজনের দাবি, “কোম্পানির চার-পাঁচজন মুসলিম কর্মী এবং কিছু কর্মকর্তা চাকরি, ভালো বেতনের প্রতিশ্রুতি দিয়ে মেয়েদের প্রলুব্ধ করেছিল।” তিনি আরও দাবি করেন, মহিলাদের “নমাজ পড়তে ও রোজা রাখতে বাধ্য করা হয়েছিল।” গোট ঘটনায় মুখ পুড়েছে ভারত বিখ্যাত তথ্য-প্রযুক্তি সংস্থার। ইতিমধ্যে বিশেষ তদন্তকারী দল গঠন করে তদন্তে নেমেছে নাসিক পুলিশ।

একাধিক সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, এফআইআর করেছেন ১৮ থেকে ২৫ বছর বয়সি টিসিএস-এর মহিলা কর্মীরা। গত দুই থেকে তিন বছর ধরে তাঁদের উপর নির্যাতন চলেছে বলে অভিযোগ। গ্রেপ্তার হওয়া ছয় অভিযুক্তের মধ্যে টিসিএসের ইঞ্জিনিয়ার পদমর্যাদার আধিকারিকও রয়েছেন। আরও কয়েক জনের বিষয়ে খোঁজ নিচ্ছে পুলিশ। প্রয়োজনে তাঁদেরও গ্রেপ্তার করা হবে। এএনআই-এর রিপোর্ট অনুযায়ী, শ্লীলতাহানি ও ধর্মান্তরণের চেষ্টার অভিযোগে গ্রেপ্তার করা হয়েছে টিসিএসের বিভিন্ন পদে থাকা আসিফ আনসারি, শফি শেখ, শাহরুখ কুরেশি, রাজা মেমন, তৌসিফ আত্তার এবং অশ্বিন চাইনানিকে।

বৃহস্পতিবার নাসিকের টাটা কনসালটেন্সি সার্ভিসের (টিসিএস) ধর্মান্তর বিতর্ক সুপ্রিম কোর্টে পৌঁছেছে। বিষয়টি নিয়ে জনস্বার্থ মামলা হয়েছে শীর্ষ আদালতে। ওই আবেদনে বলে হয়েছে, বিষয়টি জেনে গোটা দেশ চমকে উঠেছে। এই ধরনের কাজ ‘সন্ত্রাসবাদী কার্যকলাপে’র আওতায় পড়ে। ‘অবৈধ ধর্মান্তর’ রোধে কঠোর ব্যবস্থা নিক কেন্দ্র ও রাজ্যগুলি।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.