Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৭ জুন ২০২৬
সস্তার জনপ্রিয়তা পেতে জামিয়ায় গুলি নাবালকের

সস্তার জনপ্রিয়তা পেতেই জামিয়ায় গুলি নাবালকের, পুলিশি তদন্তে চাঞ্চল্যকর তথ্য

পিস্তল সরবরাহ করে ধৃত হবু শিক্ষক।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ৩, ২০২০, ২০:৩৬

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ৩, ২০২০, ২০:৩৬

options
link
সস্তার জনপ্রিয়তা পেতেই জামিয়ায় গুলি নাবালকের, পুলিশি তদন্তে চাঞ্চল্যকর তথ্য zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: সস্তার জনপ্রিয়তা পেতেই জামিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে হাতে পিস্তল নিয়ে হুঁশিয়ারি দিয়েছিল নাবালক হামলাকারী। পরে গণধোলাইয়ের ভয়ে পড়ুয়াদের তাক করে গুলি চালায় সে। যার জেরে জখম হন স্নাতকোত্তরের এক পড়ুয়া। আপাতত জুভেনাইল হোমে রয়েছে ধৃত নাবালক। তাকে জেরা করেই এহেন চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে বলে খবর। এদিকে তাকে পিস্তল সরবরাহ করে ধৃত এক হবু শিক্ষক। জানা গিয়েছে, দিদির বিয়েতে ‘সেলিব্রেটরি ফায়ার’ করার জন্যই ১০ হাজার টাকার বিনিময়ে পিস্তল কিনেছিল সে।

জানা গিয়েছে, পিস্তল বিক্রি করার অভিযোগে ধৃত হবু শিক্ষকের নাম অজিত। উত্তরপ্রদেশের শাজপুর গ্রামের বাসিন্দা। দিল্লি পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ১০ হাজার টাকার বিনিময়ে নাবালক হামলাকারীকে পিস্তল বিক্রি করেছিল সে। এ প্রসঙ্গে ডেপুটি পুলিশ কমিশনার রাজেশ দেও বলেন,”অজিতকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। স্নাতক হওয়ার পর উত্তরপ্রদেশের বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বিএড করছিলেন।” এদিকে পুলিশি জেরায় ধৃত নাবালক হামলাকারী জানিয়েছে, “এক আত্মীয়ের সাহায্যে সে বন্দুক কিনেছিল। বৃহস্পতিবারই তার দিদির বিয়ে ছিল।” সেই বিয়েতে আনন্দ করতে গুলি চালানোর জন্যই বন্দুক কিনেছিল সে, পুলিশি জেরায় এমনটাই জানিয়েছেন।

Advertisement

[আরও পড়ুন: উত্তরপ্রদেশের পণবন্দি কাণ্ড : অভিযুক্তর মেয়েকে দত্তক নেবেন পুলিশ কর্তা]

পুলিশ সূত্রে খবর, শুধুমাত্র জনপ্রিয় হওয়ার জন্যই জামিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে হাওয়ায় গুলি চালানোর পরিকল্পনা ছিল। কিন্তু ও পিস্তল হাতে নিয়ে হুঁশিয়ারি দেওয়ার পরই কয়েকজন ওর দিকে ছুটে আসে। গণধোলাইয়ের ভয় পেয়ে আচমকাই গুলি চালায় নাবালক হামলাকারী।” তদন্তে আরও চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে। জানা গিয়েছে, টেলিভিশনে বিভিন্ন অনুষ্ঠান, খবর দেখে উগ্র হিন্দুত্ববাদের প্রতি তার আগ্রহ জন্মায়।

[আরও পড়ুন: ‘আপনি জঙ্গি, অনেক প্রমাণ আছে’, কেজরিওয়ালকে তীব্র আক্রমণ কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর]

জামিয়া কো-অর্ডিনেশন কমিটির তরফে CAA, NRC বিরোধী মিছিলের আয়োজন করেছিল। মিছিলটি জামিয়া মিলিয়া বিশ্ববিদ্যালয় থেকে রাজঘাট পর্যন্ত যাওয়ার কথা ছিল। মিছিলের আগে থেকেই বিশ্ববিদ্যালয় চত্বরে এক যুবককে হাতে পিস্তল নিয়ে ঘোরাফেরা করতে দেখা যায়। গোটা ঘটনা সংবাদমাধ্যমের ক্যামেরায় রেকর্ডও হয়। সূত্রের খবর, গুলি চালানোর সময় ‘ইয়ে লো আজাদি’ (এই নে স্বাধীনতা) বলে চিৎকার করে অভিযুক্ত। আর তাতেই রহস্য আরও বেড়েছে। ঘটনাস্থল থেকে তাকে হাতেনাতে পাকড়াও করে পুলিশ। কিন্তু কেন গুলি চালানো হল, তা নিয়ে ধোঁয়াশা রয়ে গিয়েছে।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.