পুণের পোর্শে-কাণ্ডে (Pune Porsche Case) মৃত্যু হয়েছিল আইটি কর্মী দুই যুবক-যুবতীর। মূল অভিযুক্ত কিশোরকে বাঁচাতে রক্তের নমুনা বদলে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছিল কিশোরের বাবা বিশাল আগরওয়াল-সহ তিন জনের বিরুদ্ধে। ওই মামলায় গত ১০ মার্চ অভিযুক্তদের জামিন দিয়েছিল সুপ্রিম কোর্ট। সম্প্রতি ভাইরাল হয়েছে আগরওয়াল পরিবারের জামিন পরবর্তী এলাহি উদযাপনের একটি ভিডিও। রেঁস্তরায় হিন্দি গান চালিয়ে গলায় মালা পরে উদ্দাম নাচ। যাঁদের গাফিলতির কারণ প্রাণ গিয়েছে মেধাবী যুবক-যুবতীর, জামিন পেয়ে তাঁদের হুলোই আনন্দ দেখে বেজায় ক্ষুব্ধ আমজনতা। আগরওয়াল পরিবারের উদযাপনকে ‘ঘৃণ্য আচরণ’ বলছে নেটপাড়া।
ভাইরাল ভিডিওতে দেখা গিয়েছে, রীতিমতো রেঁস্তরা ভাড়া করে জামিন উদযাপন করছেন পোর্শে কাণ্ডের অন্যতম অভিযুক্ত কিশোরের বাবা বিশাল আগরওয়াল, তাঁর পরিবার এবং বন্ধুরা। ২২ মাস পর জামিন পাওয়া বিশালের গলায় জয়মাল্য পরানো হয়েছে। ফুল আর নোট দিয়ে তৈরি সেই মালা। রেঁস্তরায় তখন চলছে লাইভ ব্যান্ড— “বোম্বাই সে আয়া মেরা দোস্ত, দোস্ত কো সালাম করো” গান। সেই তালে তালে নাচ করে চলছিল উদযাপন। নাচতে নাচতে এক সময় বিশালকে কোলে তুলে নেন তাঁর ছেলে।
पुणे के बहुचर्चित पोर्श कार एक्सीडेंट केस के मुख्य आरोपियों में शामिल अग्रवाल परिवार एक बार फिर विवादों में घिर गया है। महीने भर पहले ही जमानत पर रिहा हुए नाबालिग आरोपी के पिता विशाल अग्रवाल अपनी पत्नी के साथ एक भव्य पार्टी में जश्न मनाते हुए दिखे हैं।#Pune pic.twitter.com/BHBKlfrA2M
— Himanshu Shrivastava (@himanshupoet) May 27, 2026
জামিনে মুক্তির পর এই তুমুল হইহইয়ের ভিডিও প্রকাশ্য়ে আসতেই চরম বিতর্ক শুরু হয়েছে। নেটিজেনরা বলছেন, মনে হচ্ছে যেন গর্বের কোনও কাজ করে ফিরেছেন। ভাইরাল ভিডিওর নিচে কেউ কেউ লিখছেন যাদের জন্য দুই যুবক-যুবতীর প্রাণ গিয়েছে, তারা কীভাবে এমন কাণ্ড করতে পারে। জামিন পেয়েছেন ভালো কথা। তাই বেলজ্জের মতো তা উদযাপন করতে হবে! এই নিয়ে অবশ্য আগরওয়াল পরিবারের কেউ এখনও পর্যন্ত মুখ খোলেনি।
২০২৪ সালের ১৯ মে পোর্শে গাড়িতে দুর্ঘটনা ঘটেছিল পুণের কোরেগাও পার্কে। উলটো দিক থেকে আসা একটি মোটরবাইকে ধাক্কা মারে গাড়িটি। এর ফলে মৃত্যু হয় বাইকে থাকা দুই আইটি কর্মীর। দুর্ঘটনার পরেই আটক করা হয়েছিল নাবালক গাড়িচালককে। সে নেশাগ্রস্ত অবস্থায় ছিল বলেই অভিযোগ। এমনকী তদন্তে উঠে এসেছে, ওই গাড়ির রেজিস্ট্রেশন করানো ছিল না। ঘাতক গাড়িটিতে কোনও নম্বর প্লেটও ছিল না। যদিও মাত্র ১৪ ঘণ্টার মধ্যে একাধিক বেনজির শর্তে ১৭ বছরের কিশোরকে জামিন দেয় জুভেনাইল আদালত। স্রেফ রচনা লিখে জামিন পেয়ে গিয়েছিল সে। তীব্র বিতর্কের মধ্যে সেই জামিন বাতিল হয়ে যায়। জুভেনাইল আদালতের নির্দেশে নাবালককে সংশোধনাগারে পাঠানো হয়েছিল।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
না ফেরার দেশে সর্বকালের সেরা অলরাউন্ডার স্যর গ্যারি সোবার্স, শোকবিহ্বল ক্রিকেট বিশ্ব
-
ভালো নম্বরই কি সব? সন্তানের এই ৭ আচরণ বলছে, ভেতরে ভেতরে সে ভালো নেই
-
উলটোরথের আগে পুরী যাওয়ার পরিকল্পনা? অবশ্যই চেখে দেখুন এই ১০ খাবার
-
পিয়ার ইস্তফার পর ইম্পায় নতুন অন্তর্বর্তীকালীন ওয়ার্কিং কমিটি
-
মুর্শিদাবাদের পর আসানসোল! পড়ুয়া ভর্তি পুলকারে ধাক্কা মিনিবাসের, মৃত ১