সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: বিহারের রাজনীতিতে নীতীশ কুমার কি এখন শুধুই ‘ছায়ামানব’? জল্পনা বেশ কিছুদিনের। এবার সেই জল্পনা আরও খানিকটা উসকে দিলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা তেজস্বী যাদব। তিনি বলছেন, নীতীশ কুমার এখন ছায়ামাত্র। তাঁর হাতে কোনও ক্ষমতা নেই। তাঁর দল এখন চালাচ্ছেন জেডিইউয়ের অন্য তিন উচ্চবর্ণের নেতা। যাঁদের বিজেপি কিনে নিয়েছে।
আসলে বিহারে বেশ কিছুদিন ধরেই জল্পনা নীতীশ কুমার অসুস্থ হওয়ায় অনেক সিদ্ধান্তই তিনি নিজে নিচ্ছেন না। বা সিদ্ধান্ত নেওয়ার মতো পরিস্থিতিতে তিনি নেই। বিশেষ করে প্রার্থী নির্ধারণে অনেক ক্ষেত্রে চূড়ান্ত সিলমোহর দিচ্ছেন তাঁর ঘনিষ্ঠ সহযোগী, বা আমলারা। সরকারের কাজও চলছে আমলাদের উপর ভর করেই। তেজস্বীর অভিযোগ, যারা নীতীশকে সামনে রেখে জেডিইউ চালাচ্ছে তারা সকলেই বিজেপির কাছে বিক্রি হয়ে গিয়েছে।
বিহারের বিরোধী দলনেতার নিশানায় জেডিইউয়ের তিন শীর্ষ নেতা। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী লালন সিং, রাজ্যের মন্ত্রী বিজয় চৌধুরী এবং রাজ্যসভার সদস্য সঞ্জয় ঝা। এদের মধ্যে লালন সিং ভূমিহার, সঞ্জয় ঝা ব্রাহ্মণ এবং বিজয় চৌধুরী রাজপুত। তেজস্বীর অভিযোগ, নীতীশ কুমার নিজে কুরমি। বিহারে অতি পিছড়ে ইবিসিদের প্রতিনিধিত্ব করেন। অথচ তাঁর দল চালাচ্ছে তিন উচ্চবর্ণের নেতা। বিহারের বিরোধী দলনেতা বলছেন,”নীতীশ কুমার জেডিইউ চালাচ্ছেন না। জেডিইউ চালাচ্ছেন সঞ্জয় ঝা, লালন সিং, বিজয় চৌধুরী।” তেজস্বীর সাফ কথা, “জেডিইউ আর নীতীশের নেই। বিজেপির কাছে বিক্রি হয়ে যাওয়া এই তিন নেতাই দল চালাচ্ছেন। এঁরা নীতীশ কুমারকে বরবাদ করে দিয়েছেন। সেকারণেই প্রথমবার জেডিইউ বিহারে বিজেপির সিনিয়র শরিকের তকমাও হারিয়েছে।”
বস্তুত, তেজস্বী এদিন বোঝাতে চেয়েছেন নীতীশ কুমার দুর্বল হয়ে পড়েছেন। দল চলে যাচ্ছে বিজেপির নিয়ন্ত্রণে। যাতে নীতীশের নিজস্ব ভোটব্যাঙ্কে থাবা বসানো যায়। জেডিইউ অবশ্য বরাবরই দাবি জানিয়ে আসছে, নীতীশ সুস্থ ও স্বাভাবিক। দল ও সরকারের নিয়ন্ত্রণ তাঁর হাতেই রয়েছে।
সর্বশেষ খবর
-
ঝড়ের তাণ্ডবে বেসামাল ডিঙি, ভাগীরথীতে তলিয়ে মৃত্যু মহিলার
-
‘পনেরো জন তালিবান, আমি একা মেয়ে!’ আফগানিস্তানের সোলো ট্রিপে আশ্চর্য অভিজ্ঞতা ইনফ্লুয়েন্সারের
-
এআই দিয়ে মায়ের ছবি বিকৃত করে ব্ল্যাকমেল! অন্ডালে রহস্যমৃত্যু কিশোরের
-
যুদ্ধ থামাতে ট্রাম্পের দ্বারস্থ জেলেনস্কি, তার মধ্যেই মস্কোর তৈল শোধনাগার উড়িয়ে দিল ইউক্রেন
-
শকুন্তলাকে স্পেশাল হোমগার্ডের চাকরি দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু রাজ্যের, সুদিন ফেরার আশায় পরিবার