BREAKING NEWS

২৮ আশ্বিন  ১৪২৭  শনিবার ২৪ অক্টোবর ২০২০ 

Advertisement

সম্পর্কের টানাপোড়েনে একসঙ্গে ৯ জনকে খুন! তেলেঙ্গানায় পরিযায়ী শ্রমিক হত্যারহস্যের কিনারা

Published by: Sucheta Sengupta |    Posted: May 26, 2020 11:48 am|    Updated: May 26, 2020 11:48 am

An Images

ছবি: প্রতীকী

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: তেলেঙ্গানায় গত সপ্তাহে খুন হওয়া ৯ পরিযায়ী শ্রমিকের হত্যারহস্যের জট খুলল। সম্পর্কের টানাপোড়েনের জেরে বিহারের এক শ্রমিক বাকিদের কুয়োয় ফেলে খুন করেছে বলে কিনারা করেছেন পুলিশ কর্তারা। গ্রেপ্তার করা হয়েছে সঞ্জয় যাদব নামে ২৪ বছরের বিহারের বাসিন্দাকে। দিন চার আগে তেলেঙ্গানার ওয়ারঙ্গলে খুন হওয়া ৬ জনই পশ্চিমবঙ্গের শ্রমিক। বাকিরা বিহার ও ত্রিপুরার বলে জানা গিয়েছে।

গত শুক্রবার ওয়ারঙ্গলের ভিতরের একটি গ্রামের কুয়ো থেকে বেশ কয়েকজন শ্রমিকের দেহ উদ্ধার হয়। পুলিশ তদন্তে নেমে জানতে পারে, এঁরা সকলেই পরিযায়ী শ্রমিক। মৃতদের মধ্যে ৬ জন পশ্চিমবঙ্গের বাসিন্দা এবং একই পরিবারের সদস্য সকলে। সেখানকার একটি ব্যাগের কারখানায় তাঁরা কাজ করতেন। কিন্তু লকডাউনের জেরে কাজ বন্ধ হওয়ায় অর্থকষ্টে ভুগছিলেন। তাই প্রথমে ভাবা হয়েছিল যে তাঁরা সকলে আত্মহত্যা করেছেন। তবে সোমবারই হত্যারহস্যের জট খুলেছে। ওয়ারঙ্গলের পুলিশ কমিশনার ভি রবীন্দ্র জানিয়েছেন, ওই বাঙালি পরিবারের এক বিবাহবিচ্ছিন্না মহিলার সঙ্গে এই বিহারি যুবকের একটি সম্পর্ক ছিল। তা নিয়ে নিজেদের মধ্যে গন্ডগোল চলছিল। মার্চ মাসেই একটি খুনের ঘটনা ঘটে এই শ্রমিক মহল্লায়।

[আরও পড়ুন: রাজস্থান ছেড়ে পঙ্গপালের তাণ্ডব মহারাষ্ট্রে, ক্ষতির মুখে কয়েক কোটি টাকার ফসল]

পুলিশ সূত্রে খবর, সেই ঘটনা অনেকে জেনে যাওয়ায় পরে ধৃত যুবক সবাইকে কুয়োয় ফেলে খুন করে। বাদ যায়নি ওই মহিলাও। পুলিশ কমিশনার ভি রবীন্দ্রের কথায়, ”বিভিন্ন তথ্য-প্রমাণ খতিয়ে দেখে, ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে, সিসিটিভি ফুটেজ ও ময়নাতদন্তের রিপোর্ট দেখে আমরা জানতে পেরেছি যে এটা একটা ঠান্ডা মাথার খুন। অভিযুক্ত সঞ্জয় যাদব ৬ বছর আগে বিহার থেকে এসে এই একই ফ্যাক্টরিতে কাজে যোগ দেয়। সহকর্মীদের খুন করেছে সে-ই।” শেষ পর্যন্ত অবশ্য সে নিজে রক্ষা পায়নি। পুলিশের হাতে ধরা পড়তেই হল সঞ্জয় যাদব নামে ওই যুবককে। পশ্চিমবঙ্গ ছাড়াও বিহার ও  ত্রুিপুরার বাসিন্দারা রয়েছেন নিহতদের মধ্যে।

[আরও পড়ুন: দেশে ফের উদ্বেগজনকভাবে বাড়ল করোনা আক্রান্তের সংখ্যা, পাল্লা দিয়ে বাড়ছে মৃত্যুও]

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement