সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: দাহ করার তিনদিন পর ‘বেঁচে’ উঠলেন করোনায় মৃত ব্যক্তি। যথারীতি, এহেন ঘটনায় হতবাক পরিবার। প্রশ্ন উঠছে সরকারি কোভিড হাসপাতালের চিকিৎসা ব্যবস্থা ও পরিকাঠামোর বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়ে।
[আরও পড়ুন: ইয়েস ব্যাংক দুর্নীতি মামলায় বাজেয়াপ্ত রানা কাপুর-সহ তিন জনের ২২০০ কোটির সম্পত্তি]
শুনতে অবাক লাগলেও ‘মৃত’ রোগীর ‘জীবিত’ হয়ে ওঠার ঘটনাটি ঘটেছে মহারাষ্ট্রের থানে শহরে। না, অলৌকিক কোনও প্রক্রিয়ায় নয়, এই বিভ্রাট ঘটেছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের গাফিলতির জেরে। জানা গিয়েছে, থানের একটি সরকারি কোভিড হাসপাতালে ভরতি ছিলেন ৬৭ বছরের জনার্দন সোনাওয়ানে নামের এক ব্যক্তি। জুলাইয়ের ৩ তারিখ, হাসপাতাল থেকে তাঁর ছেলে সন্দীপকে ফোন করে জানানো হয় যে তাঁর বাবার মৃত্যু হয়েছে। যথারীতি সরকারি নিয়ম মেনে দেহ দাহ করা হয়। তারপর গত সোমবার ফের সন্দীপের কাছে ফোন যায় হাসপাতাল থেকে। তাঁকে জানানো হয় যে তাঁর বাবা এখনও বেঁচে আছেন। তিনি ICU-তে রয়েছেন। একটি বিভ্রাটের দরুণ বালচন্দ্র গাইকোয়াড নামের ৭১ বছরের দেহ ভুল করে পরিবারের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে।
এই ঘটনা নিয়ে সংবাদমাধ্যমে সন্দীপ জানান, ৭ জুলাই বাবাকে ICU-তে দেখার পর হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কাছে ডেথ সার্টিফিকেট ফেরত দেন তিনি। তিনি বলেন, “এই ঘটনায় আমি হতবাক হয়ে গিয়েছিলাম। যদিও আমার খুশি ক্ষণস্থায়ী ছিল। চিকিৎসক যোগেশ শর্মা আমাকে জানান গতকাল রাতেই আমার বাবা মারা গিয়েছেন। তবে করোনায় যে তাঁর মৃত্যু হয়েছে তা নিয়ে হাসপাতালের তরফে আমাকে কোনও নথি দেওয়া হয়নি।”
উল্লেখ্য, ভারতে করোনায় সবথেকে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে মহারাষ্ট্র। মুম্বইয়ের অবস্থা হয়ে উঠেছে শোচনীয়। গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে ৬,৬০৩ জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। সব মিলিয়ে রাজ্যে মোট আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২ লক্ষ ২৩ হাজার। শুধু বুধবারই মৃত্যু হয়েছে ১৯৮ জন করোনা আক্রান্তের। ফলে এপর্যন্ত মহারাষ্ট্রে করোনায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৯ হাজার ৪৪৮ জন।