BREAKING NEWS

১৫ জ্যৈষ্ঠ  ১৪২৭  শুক্রবার ২৯ মে ২০২০ 

Advertisement

শিয়রে দিল্লির নির্বাচন, সুপ্রিম কোর্টে পিছোল শাহিনবাগ মামলার শুনানি

Published by: Paramita Paul |    Posted: February 7, 2020 1:32 pm|    Updated: February 7, 2020 1:34 pm

An Images

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: আগামিকাল, শনিবার দিল্লিতে বিধানসভা নির্বাচন। আর তাই শাহিনবাগ থেকে প্রতিবাদীদের সরানোর দাবিতে করা মামলার শুনানি পিছিয়ে দিল সুপ্রিম কোর্ট। আগামী সোমবার এই মামলার শুনানি হবে বলে জানিয়েছেন বিচারপতি এসকে কৌল। শুক্রবার শুনানির দিন পিছিয়ে দেওয়া প্রসঙ্গে বলতে গিয়ে বিচারপতি এসকে কৌল মজা করে বলেন, “ঝুলি থেকে বিড়াল বেরিয়ে পড়েছে। আর তাই আমরা সোমবার পর্যন্ত মামলার শুনানি স্থগিত রাখছি।”

CAA প্রত্যাহারের দাবিতে দিল্লির শাহিনবাগে ধরনায় বসেছেন মহিলারা। আর তার জেরে ব্যাপক যানজট তৈরি হচ্ছে বলে অভিযোগ। শাহিনবাগ এলাকায় আন্দোলনের উপর নিষেধাজ্ঞা জারির উপর বিস্তারিত নির্দেশিকা চেয়ে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন বিজেপির প্রাক্তন বিধায়ক নন্দ কিশোর। তাঁর অভিযোগ, দিল্লির সঙ্গে নয়ড়ার সংযোগকারী গুরুত্বপূর্ণ রাস্তা অবরুদ্ধ হয়ে রয়েছে। ফলে আম জনতাকে সমস্যা পড়তে হচ্ছে। কাজে বেরিয়ে বেরিয়ে নাকাল হতে হচ্ছে। হাসপাতাল ও স্কুলে যাওয়ার সময় হেনস্থা হতে হচ্ছে মানুষকে। অত্যন্ত ব্যস্ত এই এলাকায় প্রতিবাদ-আন্দোলন না করা হয়, তার জন্যও প্রয়োজনীয় নির্দেশিকা দেওয়ার পক্ষেও সওয়াল করা হয় আবেদনে।

[আরও পড়ুন: শাহিনবাগে ‘বিরিয়ানি’ খাওয়াচ্ছেন কেজরিওয়াল! মন্তব্যের জেরে যোগীকে নোটিস কমিশনের]

শুক্রবার এই আবেদনের শুনানি ছিল শীর্ষ আদালতে দুই বিচারপতি এসকে কৌল ও কেএস জোশেফের বেঞ্চে। কিন্তু সোমবার পর্যন্ত এই শুনানি পিছিয়ে দেওয়া হয়। বিচাপতিরা জানান, শনিবার দিল্লির বিধানসভা নির্বাচন। এই মামলার রায় নির্বাচনকে প্রভাবিত করতে পারে। কেন আমরা নির্বাচনকে প্রভাবিত করব! তাই বলছি সোমবার আসুন আপনারা।” এ বিষয়ে বিচারপতিরা আরও বলেন,”আমরা আপনাদের সমস্যা বুঝতে পারছি। দ্রুত এই সমস্যা সমাধানের চেষ্টা করছি। সোমবার কী করা যায় দেখছি!

[আরও পড়ুন: ঘুষ নেওয়ার অভিযোগে দিল্লির উপমুখ্যমন্ত্রীর ওএসডিকে গ্রেপ্তার করল সিবিআই]

এর আগে দিল্লি আদালতে শাহিনবাগের অবস্থান বিক্ষোভের বিরুদ্ধে আবেদন করেছিলেন অ্যাডভোকেট অমিত সাহনি। গত ১৪ জানুয়ারি ওই মামলার শুনানির সময় দিল্লি আদালত জানিয়েছিল, বৃহত্তর জনস্বার্থে এবং দিল্লির আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় দিল্লি পুলিশের প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করা উচিত। পরে ওই মামলাটিও সুপ্রিম কোর্টে স্থানান্তরিত হয়।

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement