সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: শৈশব কাকে বলে, কোনও দিন জানতে পারেনি মোহন৷ মায়ের লেজ ধরে মুক্ত আকাশের নিচে ঘুরতে গিয়ে কখন যে দলছুট হয়ে পড়েছিল, আজ আর খেয়াল নেই৷ কিন্তু সেই সময়ই শুরু হয়ে গিয়েছিল বিশ্বের সবচেয়ে অভাগা হাতির দুর্দশার কাহিনি৷
চোরাশিকারির হাতে অপহৃত হয়ে স্বাধীনতা হারিয়েছিল ছোট্ট মোহন৷ কী করতে হয়নি তাঁকে – রাস্তায় ঠায় দাঁড়িয়ে থেকে ভিক্ষে চাওয়া, উৎসবের ভারি পোশাক গায়ে চাপিয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা কাটিয়ে দেওয়া৷ কোনও দিন হয়তো বা আধপেটা খাবার জুটত, কোনও দিন কপালে থাকত শুধুই মারধর৷
প্রায় ৫০ বছর এইভাবেই কেটে গিয়েছিল৷ বাকি জীবনটাও হয়তো এইভাবেই কাটত৷ যদি না বিশ্বের সবচেয়ে অভাগা হাতিটিকে উদ্ধার করত এক স্বেচ্ছাসেবি সংস্থা৷ উত্তরপ্রদেশের প্রতাপগড় থেকে যখন প্রাণীকল্যাণ সংস্থার কর্মীরা মোহনকে উদ্ধার করেন, তার সারা গায়ে ছিল আঘাতের চিহ্ন৷ কখনও আধপেটা খেয়ে, কখনও বা অনাহারে থাকার ফলে অপুষ্টিতে ভুগছিল ৫৫ বছরের মোহন৷
বেশ কিছুদিন হস্তিসংরক্ষণ এবং পালনকেন্দ্রে রাখা হয়েছিল মোহনকে৷ প্রাণীকল্যাণ সংস্থার কর্মীদের চেষ্টায় একটু একটু করে সুস্থ হয়ে ওঠে গজানন৷ সেই কারণেই তাঁকে মুক্ত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়৷ মুক্ত হয়ে নিজের নতুন ভাগ্যের সন্ধানে বেরিয়ে পড়েছে মোহন৷

সর্বশেষ খবর
-
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সস্ত্রীক দিলীপ ঘোষের সাক্ষাৎ, উপহার আম ও সন্দেশ! কী কথা হল?
-
পেট্রলে ইথানল মিশিয়ে ব্যবহারের পরিণাম কী? সুপ্রিম কোর্টে কেন্দ্র বলল, ‘সবটাই পরীক্ষার স্তরে’
-
মন্দিরের প্রণামী বাক্স ‘দখলের চেষ্টা’র অভিযোগ, কী বলছেন বিজেপি বিধায়ক রত্না দেবনাথের স্বামী?
-
চেতলা অগ্রণীর দুর্গাপুজোর উদ্বোধনে শুভেন্দু অধিকারী! চক্ষুদান করবেন? কী জানাল ক্লাব
-
রাষ্ট্রপতি সফরে প্রোটোকল ভঙ্গ, অভিযুক্ত আমলাকে ‘রিলিজ’ নবান্নের