৫ মাঘ  ১৪২৬  রবিবার ১৯ জানুয়ারি ২০২০ 

Menu Logo ফিরে দেখা ২০১৯ মহানগর রাজ্য দেশ ওপার বাংলা বিদেশ খেলা বিনোদন লাইফস্টাইল এছাড়াও বাঁকা কথা ফটো গ্যালারি ভিডিও গ্যালারি ই-পেপার

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: এ যেন প্রত্যাশিতই ছিল। শিব সেনা আর কংগ্রেস একসঙ্গে চললে মতবিরোধ যে হবেই, তা হয়তো তাঁরা নিজেরাও জানতেন। হলও তাই। সরকার গঠনের ৩ সপ্তাহও হয়নি। এরই মধ্যে সাভারকর ইস্যুতে কংগ্রেস-শিব সেনার তরজা শুরু হয়ে গেল। শনিবার দিল্লির রামলীলা ময়দানের জনসভা থেকে সাভারকরকে কটাক্ষ করেছিলেন রাহুল গান্ধী। সাভারকর আবার শিব সেনার আদর্শস্থানীয়। তাই, তাঁরা নাম না করে রাহুলকে পালটা দিল। যা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা চলছে।


এদিন গণতন্ত্র বাঁচাও জনসভা থেকে কংগ্রেস নেতা বলেন,  “আমার নাম রাহুল গান্ধী, সাভারকর নয়। সত্যি কথা বলেছি, আমি ক্ষমা চাইব না। কোনও কংগ্রেস কর্মীও ক্ষমা চাইবে না। ক্ষমা যদি চাইতেই হয়, তাহলে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে চাইতে হবে। ওঁর অ্যাসিস্ট্যান্ট অমিত শাহকে চাইতে হবে। দেশের বর্তমান পরিস্থিতির জন্য ওঁদের ক্ষমা চাইতে হবে।” ‘রেপ ইন ইন্ডিয়া’ মন্তব্যের জন্য বিজেপির মহিলা সাংসদরা গতকাল থেকেই দাবি জানিয়ে আসছেন, রাহুল গান্ধীকে ক্ষমা চাইতে হবে। রাহুল এদিন আরও একবার নিজের অবস্থান স্পষ্ট করেন।

[আরও পড়ুন: “আমি সাভারকর নই, ক্ষমা চাইব না”, দিল্লির রামলীলা ময়দানে বিজেপি খোঁচা রাহুলের]


রাহুলের এই মন্তব্য শিব সেনার জন্য রীতিমতো অপমানজনক। আবার কংগ্রেসই তাঁদের জোটসঙ্গী। তাই সরাসরি রাহুলকে তোপ দাগাও সম্ভব নয়। তাই একটু নরম সুরেই প্রাক্তন কংগ্রেস সভাপতিকে তোপ দাগেন শিব সেনা নেতা সঞ্জয় রাউত।  একটি টুইটে রাউত বলেন, “বীর সাভারকর শুধু মহারাষ্ট্রের নয়, গোটা দেশের আদর্শ। সাভারকরের নামে দেশ সম্মানিত ও গর্বিত হয়। নেহেরু, গান্ধীর মতো তিনিও নিজের জীবন এই দেশকে অর্পণ করেছেন। এই ধরনের গুণী ব্যক্তিকে অপমান করার কোনও প্রয়োজন নেই। জয় হিন্দ।’

আরও পড়ুন

আরও পড়ুন

ট্রেন্ডিং