Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৩০ আষাঢ় ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ১৬ জুলাই ২০২৬

দেশে ক্রমশ কমছে মহিলা কর্মীর সংখ্যা, সমীক্ষা বিশ্বব্যাঙ্কের

ফলে সার্বিক উন্নয়ন থমকে।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ৫, ২০১৯, ১৮:০০

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ৫, ২০১৯, ১৮:০০

options
link
দেশে ক্রমশ কমছে মহিলা কর্মীর সংখ্যা, সমীক্ষা বিশ্বব্যাঙ্কের zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: কর্মক্ষেত্রে মহিলাদের সংখ্যা কমছে। চলতি বছরের প্রথম চার মাসে যেখানে কাজের জায়গায় ছেলেদের সংখ্যা বেড়েছে নয় লক্ষের মতো। সেখানে কর্মক্ষেত্র থেকে বিদায় নিয়েছেন প্রায় ২৪ লক্ষ মহিলা। সেন্টার ফর মনিটরিং ইন্ডিয়ান ইকোনমির করা এক সমীক্ষায় এমনই চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে। এই সংস্থার শীর্ষ আধিকারিক জানাচ্ছেন, কর্মক্ষেত্রের সমস্যায় বেশি পড়তে হয় মহিলাদের। যার প্রভাব পড়ে তাদের জীবনেও। ফলে কাজ ছাড়তে বাধ্য হচ্ছেন মহিলারা।

India

Advertisement

কর্মক্ষেত্রে মহিলাদের চাকরি ছাড়ার প্রবণতা বাড়ছে মূলত বেসরকারি ক্ষেত্রে। অসংগঠিত ক্ষেত্রেও ছবিটা একই রকম। ২০০৪-০৫ থেকে ২০১১-১২ সাল পর্যন্ত প্রায় ১৯ লক্ষ মহিলা চাকরি ছেড়েছিলেন। কিন্তু বিশ্বের তৃতীয় জনবহুল দেশ ভারতে, সেই সংখ্যা আশঙ্কাজনকভাবে বাড়ছে।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

সমীক্ষা বলছে এই মুহূর্তে দেশে মাত্র ২৭ শতাংশ ভারতীয় মহিলা কাজ করেন জি-২০ ভুক্ত দেশগুলির মধ্যে সৌদি আরবে এই হার বিপজ্জনক ভাবে কম। বিশ্ব ব্যাঙ্ক জানাচ্ছে ২৭ শতাংশ থেকে বেড়ে ৩৪ শতাংশ হয়েছে এই হার। শিক্ষার সঙ্গে কর্মক্ষেত্রে টিঁকে থাকার কোনও সম্পর্ক নেই। উচ্চশিক্ষিত মহিলারাও চাকরি ছাড়ছেন। কিন্তু কেন এই সমস্যা। সমীক্ষা অনুযায়ী মহিলারা যদি পুরুষদের মতোই সমান তালে চাকরি করতেন, তাহলে ভারতের জিডিপি প্রায় ৬০ শতাংশ বাড়ত।

Economy-women-labour-Re

এদিকে, ভারতের অর্থনীতির হার বৃদ্ধি করতে কর্মরত মহিলার সংখ্যা বাড়ানোর পরামর্শ দিয়েছে বিশ্বব্যাঙ্ক। বিশ্বব্যাঙ্ক তাদের রিপোর্টে উল্লেখ করেছে এই মুহূর্তে ভারতের গ্রাজুয়েট মহিলার মধ্যে প্রায় দুই তৃতীয়াংশ মহিলা বেকার। যার জন্য ভারতের আর্থিক বৃদ্ধি পিছিয়ে রয়েছে। গত ৩ বছরে ভারতে ৭ শতাংশের আশেপাশে আর্থিক বৃদ্ধি হয়েছে। তবে ২০১১-১২ সালে মেয়ে কর্মীদের সংখ্যা কমে ২৭ শতাংশ হয়, যা রীতিমতো উদ্বেগজনক|

nrega1-k07D--621x414@LiveMint

বিশ্বব্যাঙ্কের মতে দেশের কর্মরত জনসাধারণের মধ্যে মহিলাদের সংখ্যা বাড়াতে প্রয়োজনীয় সংস্কার করতে হবে কেন্দ্রীয় সরকারকে। এবিষয়ে বাংলাদেশের উদাহরণের উল্লেখ করেছে বিশ্বব্যাঙ্ক। দেশের মহিলা কর্মীর সংখ্যা বৃদ্ধি পেলে পরিবার পিছু আয় যেমন বাড়বে, তেমনই কমবে দারিদ্র‌্য। আগামী প্রজন্মের স্বাস্থ্য, শিক্ষা সবেরই উন্নতি হবে। সেই সঙ্গে ভারতের আর্থিক বৃদ্ধিও দুই অঙ্কের সংখ্যা ছুঁতে পারবে বলে মত বিশ্বব্যাঙ্কের। তবে বাস্তব ছবিটা কবে বদলায়, এখন সেটাই দেখার।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.