সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: বিগত কয়েক বছর থেকেই ভারতীয় রাজনীতির কেন্দ্রবিন্দু হয়ে দাঁড়িয়েছে গরু। প্রাণীটিকে নিয়ে হাস্যকর এবং বিতর্কিত মন্তব্যের অভাব নেই। সেই তালিকায় এবার নাম জড়ালেন গোয়ার বিধায়ক চার্চিল আলেমাও। তাঁর দাবি, গরু খেলে বাঘেরও শাস্তি হওয়া উচিত।
মহাদায়ি অভয়ারণ্যে চারটি বাঘের মৃত্যু নিয়ে বুধবার সরগরম হয়ে ওঠে গোয়া বিধানসভা।সদনে বিষয়টি উত্থাপন করেন বিরোধী দলনেতা দিগম্বর কামাট। উল্লেখ্য, কয়েকদিন আগেই এক বাঘিনী ও তার তিন শাবককে পিটিয়ে মারে গ্রামবাসীরা। গ্রামে হানা দিয়ে বেশ কয়েকটি গরু মেরেছিল ওই বাঘিনী বলে অভিযোগ গ্রামের মানুষের। সেই বিষয়েই চলছিল তর্ক। তপ্ত বিতর্কের মাঝেই এনসিপি দলের বিধায়ক চার্চিল বলেন, “গরু খেলে বাঘেরও সাজা পাওয়া উচিত। মানুষ যদি গোমাংস খেলে শাস্তি পায়, তাহলে বাঘেরাই বা বাদ যাবে কেন?” এতেই ক্ষান্ত না থেকে ওই বিধায়ক আর বলেন, “পরিবেশ ও বন্যপ্রাণীরা গুরুত্বপূর্ণ। তবে মানুষেরও গুরুত্ব রয়েছে। এই গোটা ঘটনায় মানুষের কোথায় ভেবে দেখতে হবে।”
এদিকে, বিধানসভায় গোয়ার মুখ্যমন্ত্রী প্রমোদ সাবন্ত জানিয়েছেন, রিপোর্ট মোতাবেক মহাদায়ি অভয়ারণ্যের পাশের একটি গ্রামে কয়েকদিন থেকেই হানা দিচ্ছিল বাঘ। বেশ কয়েকটি গরুও নিকেশ হয় বাঘের হামলায়। এতেই ক্ষেপে ওঠে গ্রামবাসীরা। তিনি আরও জানান, বাঘের হামলায় যারা গরু বাছুর খুইয়েছেন, তাদের এককালীন আর্থিক সহায়তা দেবে রাজ্য সরকার। উল্লেখ্য, মানুষ ও বন্যপ্রাণীদের মধ্যে ক্রমেই বেড়ে চলেছে সংঘাত। সংকীর্ণ হয়ে আসা জঙ্গল ও সভ্যতার অগ্রসনে কোণঠাসা হয়ে মানব বসতিতে হামলা চালাচ্ছে বাঘ, হাতির মতো প্রাণীরা।
[আরও পড়ুন: নির্ভয়া কাণ্ড: ১ সপ্তাহের মধ্যেই দোষীদের আইনি প্রক্রিয়া শেষের নির্দেশ দিল্লি হাই কোর্টের]
সর্বশেষ খবর
-
বুলডোজার অ্যাকশনে নিষেধাজ্ঞা নয়, তবে ‘বেছে বেছে’ নিশানা নয়! জানিয়ে দিল সুপ্রিম কোর্ট
-
মাথায় মুকুট! ৬০ বছর পর বিরল ফড়িংয়ের দেখা মিলল ঝাড়গ্রামের জঙ্গলে
-
‘২১ জুলাইয়ের আগে লোটাকম্বল নিয়ে চলে যান’, বিক্ষুব্ধদের বার্তা মমতার
-
বিশ্বকাপ স্বপ্ন ভাঙতেই শাস্তির খাঁড়া! আর্জেন্টিনার প্রতিপক্ষদের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ ফিফার
-
শনিতে শিয়ালদহ শাখায় বাতিল একাধিক ট্রেন, তালিকায় রানাঘাট লোকালও