Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬
Annual Calendar Of Parliament

সংসদীয় ক্যালেন্ডার তৈরির দাবি তৃণমূলের

তৃণমূলের অভিযোগ, জনতার মতামত সংগ্রহের জন্য যে ৩০ দিনের মেয়াদ রাখা বাধ্যতামূলক, সেই নীতি না মেনেই জনতার মতামত ছাড়াই সংসদে পাশ করানো হয়েছে ৫৪ শতাংশ বিল।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ২০, ২০২৫, ১১:৫৮

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ২০, ২০২৫, ১১:৫৮

options
link
সংসদীয় ক্যালেন্ডার তৈরির দাবি তৃণমূলের zoom
ফাইল ছবি

স্টাফ রিপোর্টার: বছরে ন্যূনতম ১০০ দিন ধরে সংসদ চালাতেই হবে, আগে থেকেই তৈরি করতে হবে সংসদীয় ক্যালেন্ডার, যেখানে বহু দিন আগে থেকেই জানা যাবে কবে কীভাবে সংসদের অধিবেশন পরিচালিত হবে- সংসদের আসন্ন বাজেট অধিবেশনের আগেই দাবি তুলল তৃণমূল কংগ্রেস। দেশের সংসদীয় গণতন্ত্রের প্রতি কোনওদিনই শ্রদ্ধাশীল নয় মোদি সরকার। বিগত দশ বছর ধরেই সংসদীয় গণতন্ত্রের অমর্যাদা করেছে বিজেপির নেতৃত্বাধীন এনডিএ সরকার। এই আবহে প্রচলিত ট্রেন্ড হিসেবে সামনে আসছে বছরের প্রত্যেক সংসদীয় অধিবেশনের মেয়াদ কাটছাঁট করা এবং গুরুত্বপূর্ণ বিলগুলিতে জনগণের অভিমত সংগ্রহ না করেই পাশ করিয়ে দেওয়া।

এইভাবে সংসদীয় গণতন্ত্রের অবক্ষয় মেনে নেওয়া হবে না দাবি জানিয়ে অবিলম্বে সংসদীয় ক্যালেন্ডার তৈরি এবং প্রকাশের দাবি তুলেছেন তৃণমূল কংগ্রেসের রাজ্যসভার দলনেতা ডেরেক ও’ব্রায়ান। রবিবার এই প্রসঙ্গে নিজের অবস্থান প্রকাশ করতে গিয়ে ডেরেকের প্রশ্ন, যদি স্কুল-কলেজগুলি আগে থেকেই তাদের ক্যালেন্ডার তৈরি করতে পারে, তাহলে সংসদ কেন পারবে না তাদের কার্যসূচি সম্পর্কিত ক্যালেন্ডার তৈরি করে আগাম প্রকাশ করতে? সংসদকে একটি গভীর, অন্ধকার প্রকোষ্ঠে পরিণত করছে মোদি সরকার। গণতন্ত্র বিরোধী এই পদক্ষেপকে বন্ধ করতে হবে। মোদি সরকার জনতার প্রশ্নের উত্তর না দিয়ে পালাতে পারবে না।

Advertisement

কেন তৃণমূল কংগ্রেসের তরফে সংসদীয় ক্যালেন্ডার তৈরির দাবি জানানো হচ্ছে, তার সংক্ষিপ্ত ব্যাখ্যা দিতে গিয়ে দলের রাজ্যসভার নেতা ডেরেক ও’ব্রায়ান দাবি করেন, লোকসভা ও রাজ্যসভার সদস্যরা শুধুমাত্র আইন প্রণয়নের জন্য নির্বাচিত হন না। সরকারের কাছে জবাবদিহি চাইতে, তাদের ক্রিয়াকলাপ যাচাই করতে এবং জাতীয় গুরুত্বের বিষয়ে আলোচনার জন্যও তাদের নির্বাচন করা হয়ে থাকে। সংসদীয় ক্যালেন্ডার তৈরি করা হলে এই দায়িত্বগুলি আরও ভালোভাবে পূরণ করা সম্ভব হবে। এদিন তৃণমূল কংগ্রেসের তরফে অভিযোগ করা হয়, গুরুত্বপূর্ণ বিল পাশের আগে জনতার মতামত সংগ্রহের জন্য যে ৩০ দিনের মেয়াদ রাখা বাধ্যতামূলক, সেই নীতি না মেনেই জনতার মতামত ছাড়াই সংসদে পাশ করানো হয়েছে ৫৪ শতাংশ বিল। এই অগণতান্ত্রিক পদ্ধতি অবিলম্বে বন্ধ করতে হবে, দাবি জানান তৃণমূলের রাজ্যসভার নেতা ডেরেক। এই প্রসঙ্গেই ডেরেক বলেন, সংসদের অধিবেশনের বিজ্ঞপ্তি জারির দিন থেকে সংসদ শুরু হওয়ার মেয়াদও বাড়াতে হবে। আসন্ন বাজেট অধিবেশনের মাত্র ১৫ দিন আগে অধিবেশন শুরুর বিজ্ঞপ্তি জানানো হয়েছে।

তাৎপর্যপূর্ণ হল, গত বছর সংসদের শীতকালীন অধিবেশনেই রাজ্যসভার চেয়ারম্যান জগদীপ ধনকড়ের বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব এনেছিল বিরোধী শিবির। তৃণমূল কংগ্রেসের উদ্যোগেই নিয়ে আসা হয়েছিল এই অনাস্থা প্রস্তাব, যেখানে তৃণমূল সাংসদ সাগরিকা ঘোষের চিঠিতে সাক্ষর করেছিলেন বিরোধী শিবিরের তাবড় সাংসদরা। মোদি সরকারের ষড়যন্ত্রে এই অনাস্থা খারিজ হওয়ার পরে এবারের আসন্ন বাজেট অধিবেশনে আরও একবার ধনকড়ের বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব পেশ করার কথা ভাবছে বিরোধী শিবির। সূত্রের দাবি, গতবারের মত এবারও বড় ভূমিকায় দেখা যেতে পারে তৃণমূল কংগ্রেসকে। ৩১ জানুয়ারি শুরু হবে সংসদের বাজেট অধিবেশন, সাধারণ বাজেট পেশ হবে ১ ফেব্রুয়ারি। প্রথম পর্যায়ের সংসদীয় অধিবেশন চলবে ১৩ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.