Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬
Voter Adhikar Yatra

কংগ্রেসকে বাড়তি গুরুত্ব নয়, বিহারে রাহুলের সভায় প্রতিনিধি পাঠিয়েও বুঝিয়ে দিচ্ছে তৃণমূল

রাহুলের আমন্ত্রণ পেলেও বিহারে যাচ্ছেন না মমতা বা অভিষেক।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ২৭, ২০২৫, ১৩:৪৫

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ২৭, ২০২৫, ১৩:৪৫

options
link
কংগ্রেসকে বাড়তি গুরুত্ব নয়, বিহারে রাহুলের সভায় প্রতিনিধি পাঠিয়েও বুঝিয়ে দিচ্ছে তৃণমূল zoom
রাহুলের বাড়িতে নৈশভোজে অভিষেক। ফাইল ছবি।

বিশেষ সংবাদদাতা, নয়াদিল্লি: বিহারে কংগ্রেস ও আরজেডির এসআইআর নিয়ে সমাবেশে ১ সেপ্টেম্বর প্রতিনিধি পাঠাবে তৃণমূল কংগ্রেস। তবে কাকে পাঠানো হবে, সে বিষয়ে এখনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি বলেই দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে।

দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বা দলের সর্বভারতীয় সাধারাণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় অবশ্য বিহারের অনুষ্ঠানে যাচ্ছেন না। তাঁদের দু’জনেরই পূর্বনির্ধারিত কর্মসূচি রয়েছে। তবে, লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী নিজে মমতা ও অভিষেককে বিহারের যাত্রায় অংশ গ্রহণের জন্য আমন্ত্রণ জানিয়েছেন। তাই তৃণমূল যে প্রতিনিধি পাঠাবে, তা একশো শতাংশ নিশ্চিত বলেই দলের এক শীর্ষস্থানীয় নেতা জানিয়েছেন।

Advertisement

রাজনৈতিক মহলের মতে, কংগ্রেসের সঙ্গে সংসদে তৃণমূল ইস্যুভিত্তিক সমন্বয় রক্ষা করে চললেও ইন্ডিয়া জোটের মধ্যে তাদের যে স্বতন্ত্র অবস্থান রয়েছে, সে বিষয়টি আগেই তৃণমূলের তরফে স্পষ্ট করে দেওয়া হয়েছে। তা বাংলা-বাঙালি ইস্যুতে আলাদা প্রতিবাদ হোক বা সংবিধান সংশোধনী বিলের ক্ষেত্রে তীব্র বিরোধিতা। ইন্ডিয়া জোটে থাকলেও তৃণমূল যে কংগ্রেসের জোট শরিক নয়, তা বারবারই বলে থাকেন তৃণমূলের নেতারা। তাই সমাজবাদী পার্টির প্রধান অখিলেশ যাদব, ঝাড়খণ্ড মুক্তি মোর্চার নেতা তথা ঝাড়খণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত সোরেনরা বিহারের যাত্রায় সশরীরে হাজির থাকলেও, তৃণমূল প্রতিনিধি পাঠিয়েই সমন্বয় রক্ষা করবে বলে ঠিক করেছে। আবার শিব সেনা (উদ্ধব গোষ্ঠী) ও তৃণমূলের মতোই প্রতিনিধি পাঠাতে চলেছে বলে জানা গিয়েছে। শিব সেনা প্রধান উদ্ধব ঠাকরে নিজে সেখানে উপস্থিত থাকতে পারবেন না। আবার আম আদমি পার্টর প্রধান অরবিন্দ কেজরিওয়াল বিহারের যাত্রাতে যাবেন না। আপের তরফে প্রতিনিধি পাঠানো হবে কি না, তা নিয়েও ধোঁয়াশা রয়েছে। কারণ, আপ এখন আর ইন্ডিয়া জোটে নেই। কংগ্রেসের থেকে তারা দূরত্ব বজায় রাখার পক্ষপাতী।

কংগ্রেসকে জমি ছেড়ে দিতে বিরোধী শিবিরের অনেকেই নারাজ। বিজেপির বিরুদ্ধে লড়াইয়ের মতো বৃহত্তর স্বার্থে ইন্ডিয়া জোটে থেকে কংগ্রেসের পাশে দাঁড়ালেও, বিভিন্ন রাজ্যে কংগ্রেসের সঙ্গে তাদের প্রতিদ্বন্দ্বিতা রয়েছে। তাতে সব ক্ষেত্রে কংগ্রেসকে অগ্রাধিকার দেওয়া যাবে না। কংগ্রেসের দাদাগিরি যে সকলে মেনে নেবে না বলেই ইন্ডিয়া জোটে থাকা অধিকাংশ বিরোধী দলের মত।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.