Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬
Jal Jeevan Mission

জল জীবন মিশনেও বঞ্চিত বাংলা! বকেয়া টাকা মেটানোর দাবিতে মন্ত্রীর দপ্তরে তৃণমূলের প্রতিনিধি দল

শেষবার ২০২৪ সালের আগস্ট মাসে এই প্রকল্পের টাকা বরাদ্দ করেছিল কেন্দ্র, দাবি তৃণমূলের।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ১৭, ২০২৫, ২০:০২

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ১৭, ২০২৫, ২০:০২

options
link
জল জীবন মিশনেও বঞ্চিত বাংলা! বকেয়া টাকা মেটানোর দাবিতে মন্ত্রীর দপ্তরে তৃণমূলের প্রতিনিধি দল zoom
বুধবার কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সিআর পাতিলের সঙ্গে তৃণমূলের প্রতিনিধি দল।

সোমনাথ রায় ও নন্দিতা রায়, নয়াদিল্লি: বারবার বঞ্চনার শিকার বাংলা! একশো দিনের কাজ, সড়ক, সর্বশিক্ষা অভিযান, আবাস যোজনার পর তালিকায় যুক্ত হয়েছে জল জীবন মিশন প্রকল্প! তৃণমূল কংগ্রেসের দাবি, এই প্রকল্পে কেন্দ্রের কাছে রাজ্যের বকেয়া ২ হাজার ৫২৫ কোটি টাকা। সেই বকেয়া মেটানোর দাবিতে, জলশক্তি মন্ত্রকের মন্ত্রী চন্দ্রকান্ত রঘুনাথ পাতিলের সঙ্গে দেখা করল তৃণমূল সাংসদদের প্রতিনিধি দল। আলোচনা ফলপ্রসূ হয়েছে জানিয়েও, কবে টাকা মিলবে তা মন্ত্রী জানাতে পারেননি বলে দাবি করেছেন তৃণমূলের বর্ষীয়ান সাংসদ সৌগত রায়।

আজ, বুধবার বকেয়া মেটানোর দাবিতে, কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সিআর পাতিলের সঙ্গে তাঁর দপ্তরে দেখা করেন তৃণমূল সাংসদের ১০ জনের প্রতিনিধি দল। দলে ছিলেন লোকসভায় তৃণমূলের মুখ্য সচেতক কাকলি ঘোষ দস্তিদার, সাংসদ সৌগত রায়-সহ ৮ লোকসভার সাংসদ ও সাগরিকা ঘোষ-সহ ২ জন রাজ্যসভার সাংসদ। চিঠি দিয়ে কেন্দ্রীয় মন্ত্রীকে জানানো হয়, জল জীবন মিশন প্রকল্পে বাংলার ২,৫২৫ কোটি টাকা বকেয়া রয়েছে। তৃণমূলের অভিযোগ, ২০২৪ সালের আগস্ট মাসের পর থেকে এই প্রকল্পের টাকা বন্ধ রেখেছে মোদি সরকার। ২০২৪-২৫ অর্থবর্ষে শেষবার ২,৫২৫ কোটি টাকা দিয়েছিল কেন্দ্র, কিন্তু দেওয়ার কথা ছিল ৫ হাজার ৫০ কোটি টাকা। তৃণমূলের অভিযোগ, বাংলাকে বঞ্চনা করে টাকা আটকে রেখেছে কেন্দ্র।

Advertisement

তৃণমূলের অভিযোগ, ২০২৫-২৬ সালের জন্য কেন্দ্র কোনও টাকাই বরাদ্দই করেনি। তা সত্ত্বেও পশ্চিমবঙ্গ সরকার নিজেদের দায়িত্বের চেয়েও বেশি, অতিরিক্ত ২,৪০১ কোটি টাকা নিজস্ব তহবিল থেকে খরচ করেছে, যাতে মানুষের জল পাওয়ার কাজ থেমে না থাকে। কেন্দ্রের এই চরম অবহেলার কারণে অত্যাবশ্যকীয় পরিষেবা সচল রাখতে রাজ্যের নিজস্ব রাজকোষের উপর বিপুল চাপ সৃষ্টি হচ্ছে হয়েছে বলে জানিয়েছে তৃণমূল। বিরোধী শাসিত রাজ্যগুলির প্রতি কেন্দ্রের এই ধারাবাহিক বৈষম্য এবং তহবিল আটকে রাখার প্রবণতা অত্যন্ত উদ্বেগজনক। আরও অভিযোগ, পানীয় জলের টাকা আটকে রাখা কেবল প্রশাসনিক উদাসীনতা নয়, এটি যুক্তরাষ্ট্রীয় কাঠামো এবং সাধারণ মানুষের স্বার্থে সরাসরি আঘাত। বৈঠক শেষে তৃণমূল সাংসদ সৌগত রায় বলেন, “আমরা চিঠি দিয়ে দ্রুত বাংলার বকেয়া টাকা মিটিয়ে দেওয়ার কথা বলেছি। মন্ত্রীর সঙ্গে কথা হয়েছে। ভালো আলোচনা হয়েছে। কিন্তু কবে টাকা দিতে পারবে তা জানাতে পারেননি। ক্যাবিনেটের ছাড়পত্র মেলেনি বলে জানতে পেরেছি।”

উল্লেখ্য, ২০১৯ সালের স্বাধীনতা দিবসে লালকেল্লা থেকে দেশের প্রতিটি বাড়িতে স্বচ্ছ পানীয় জল পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যে ‘হর ঘর জল’ স্লোগান সামনে রেখে নরেন্দ্র মোদির সরকার চালু করেছিল ‘জল জীবন মিশন’। কেন্দ্র ও রাজ্য–দুই সরকার ৫০:৫০ অনুপাতে এই প্রকল্পের ব্যয়ভার বহন করে। কোভিডের জন্য প্রকল্প কিছুটা ঢিমেতালে চললেও ২০২১ থেকে পুরনো ছন্দে এগোতে থাকে এই প্রকল্প। কিন্তু প্রধানমন্ত্রীর স্বপ্নের প্রকল্প বাস্তবায়িত করতে কেন্দ্র প্রয়োজনীয় টাকা বাংলাকে দিচ্ছে না বলে অভিযোগ বাংলার শাসকদল তৃণমূলের। আজ, বুধবার ফের বঞ্চনার অভিযোগ তুলে সরব হলেন তৃণমূলের সাংসদরা।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.