Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬

জায়গা নেই, সরকারি স্কুলের শৌচাগারেই পাঠ পড়ুয়াদের

বর্ষা এলে ওই শৌচাগারটি হয়ে উঠে ছাগলের আস্তানা।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ৪, ২০১৭, ১২:২৫

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ৪, ২০১৭, ১২:২৫

options
link
জায়গা নেই, সরকারি স্কুলের শৌচাগারেই পাঠ পড়ুয়াদের zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: বিশ্বের দ্রুততম অর্থনীতি ভারত। শিক্ষা এখানে মৌলিক অধিকার। ‘সর্বশিক্ষা অভিযান’ থেকে শুরু করে চালু রয়েছে নানান প্রকল্প। তবুও বেহাল দেশের অধিকাংশ সরকারি স্কুলের অবস্থা। এক সরকারি স্কুলে ফুটে উঠল এই বেহাল দশার ছবি। জায়গার অভাবে শৌচাগারেই চলছে পঠন-পাঠন। শিক্ষকের অভিযোগ, জায়গার তুলনায় ছাত্রদের সংখ্যা অনেক বেশি। সবাইকে বসতে দেওয়ার জায়গা নেই শ্রেণিতে। কিন্তু পড়াশোনা তো থামানো যায় না। তাই বাধ্য হয়ে শৌচাগারেই পঠনপাঠনের ব্যবস্থা করতে হয়েছে তাঁকে।

[মেয়ের দাম ২৫ হাজার, ছেলের দাম ১০! পাচারকারীর চিরকুটে চাঞ্চল্য]

Advertisement

ঘটনাটি মধ্যপ্রদেশের নিমুচ জেলার। জানা গিয়েছে, জেলা সদর থেকে প্রায় ৩৫ কিমি দুরে অবস্থিত ওই স্কুলের শৌচাগারেই পাঠ নিতে বাধ্য হচ্ছে ছাত্ররা। কারণ, আজ পর্যন্ত স্কুলের বিল্ডিং তৈরি করা হয়নি। ২০১২ সালে এই স্কুলটি স্থাপন করে রাজ্য সরকার। ভাড়া বাড়িতেই শুরু হয় ক্লাস নেওয়া। বেশ কয়েকবছর হয়ে গেলেও আজ পর্যন্ত সম্পূর্ণ হয়নি স্কুলবাড়ির নির্মাণ। শুধু তাই নয়, স্কুলটিতে রয়েছেন একজন মাত্র শিক্ষক। কৈলাস চন্দ্র নামের ওই শিক্ষক জানিয়েছেন, পরিকাঠামোর অভাবে বাধ্য হয়েই ছাত্রদের একটি অব্যবহিত শৌচাগারে পড়াশোনা চালাতে হচ্ছে। তবে এতেই দুর্দশার অন্ত নয়। বর্ষা এলে ওই শৌচাগারটি হয়ে উঠে ছাগলের আস্তানা।

[নাবালিকা ছাত্রীদের সঙ্গে আপত্তিকর ছবি তুলে পোস্ট, বিতর্কে শিক্ষক]

প্রসঙ্গত, মধ্যপ্রদেশের শিক্ষামন্ত্রী বিজয় শাহ জানিয়েছেন, রাজ্যে প্রায় ১ লক্ষ ২৫ হাজার সরকারি স্কুল রয়েছে। তবে রাজকোষে সীমিত অর্থের দরুন বেশ কিছু স্কুলের পরিকাঠামো নির্মাণের কাজ সম্পূর্ণ হয়নি। তাই আপাতত ভাড়াবাড়িতেই চলছে বেশ কিছু স্কুল। তিনি আরও জানান, ওই স্কুলগুলির পরিকাঠামো উন্নতির চেষ্টা করছে সরকার। তবে শৌচাগারে ছাত্রদের বসতে দেওয়া উচিত হয়নি। এবিষয়ে তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। জায়গা না থাকলে শিক্ষকের উচিত ছিল ছাত্রদের ছুটি দিয়ে দেওয়া। তবে দায় ঝেড়ে ফেলার চেষ্টা করলেও মধ্যপ্রদেশে সরকারি স্কুলের বেহাল অবস্থার কথা এক প্রকার মেনে নিলেন তিনি।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.