সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: দিল্লির বাংলো ছাড়তে নারাজ তৃণমূলের বহিষ্কৃত সাংসদ মহুয়া মৈত্র। উচ্ছেদ রুখতে ফের দিল্লি হাই কোর্টের দ্বারস্থ হলেন কৃষ্ণনগরের বহিষ্কৃত সাংসদ। কিন্তু তাঁর আবেদন খারিজ করে দিল উচ্চ আদালত। বিচারপতিরা জানালেন, বাংলোয় থাকার আর অধিকার নেই মহুয়ার।
সাংসদ পদ খারিজ হওয়ার পরেই তৃণমূল কংগ্রেস (TMC) নেত্রী মহুয়া মৈত্রকে সরকারি বাংলো ছাড়তে বলেছিল ডিরেক্টরেট অফ এস্টেট। কিন্তু তিনি সেই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে দিল্লি হাই কোর্টের দ্বারস্থ হন। দিল্লি হাই কোর্ট সেসময় হস্তক্ষেপ করেনি। এই বিষয় নিয়ে মহুয়াকে ডিরেক্টরেট অফ এস্টেটের কাছেই আবেদন করতে বলা হয়। একই সঙ্গে মামলাটিকে তুলে নেওয়ার পরামর্শ দেয় উচ্চ আদালত। সেইমতো মহুয়া ডিরেক্টরেট অফ এস্টেটের (DoE) কাছে আবেদন করেন।
[আরও পড়ুন: সিমকার্ড, ইন্টারনেট ছাড়াই ফোনে চলবে ভিডিও! প্রয়ুক্তিতে ‘বিপ্লব’ আনবে কেন্দ্র]
মহুয়ার অনুরোধ ছিল, অন্তত লোকসভা ভোট পর্যন্ত তাঁকে ওই বাংলোয় থাকয়ে দেওয়া হোক। সেই আবেদন না মেনে উলটে অবিলম্বে তাঁকে দিল্লির বাংলো খালি করার নির্দেশ দিয়েছে ডিরেক্টরেট অফ এস্টেট। বুধবারই মহুয়াকে কার্যত কড়া নোটিস ধরানো হয়েছে। কেন বাংলো খালি হয়নি? জানতে চায় সচিবালয়। সেই নোটিসের পালটা ফের দিল্লি হাই কোর্টে গেলেন তৃণমূল নেত্রী। এবারেও তাঁর দাবি, লোকসভা পর্যন্ত বাংলো ব্যবহারের অনুমতি দেওয়া হোক।
[আরও পড়ুন: দুয়ারে সরকারেও ‘বঞ্চিত’, সরকারি পরিষেবা দিতে নয়া কর্মসূচি ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর]
প্রসঙ্গত, ‘অর্থের বিনিময়ে প্রশ্ন’ কাণ্ডে গত ৮ ডিসেম্বর মহুয়ার সাংসদ পদ খারিজ হয়। তাঁকে ৭ জানুয়ারির মধ্যে বাংলো খালি করতে বলা হয়েছিল। কিন্তু নির্দিষ্ট ভাড়া দিয়ে লোকসভা নির্বাচন (Lok Sabha Elections) পর্যন্ত বাংলোটি ব্যবহারের অনুমতি চেয়েছিলেন মহুয়া। কিন্তু দিল্লি হাই কোর্ট তা খারিজ করে দেওয়ার অস্বস্তি আরও বাড়ল বহিষ্কৃত সাংসদের।
সর্বশেষ খবর
-
পাঁশকুড়া ব্লাড ব্যাঙ্ক থেকে রক্ত পাচার! দুর্নীতিদমন শাখার হাতে গ্রেপ্তার দালাল, কতদূর ছড়িয়ে জাল?
-
জেরায় একাধিক অসঙ্গতি, তারাপীঠ অগ্নিকাণ্ডে গ্রেপ্তার হোটেল মালিকের ছেলে
-
মুসলিমদের জন্য কেন আলাদা বেসিন! মার্কিন বিমানবন্দরের প্রস্তাব পত্রপাঠ খারিজ টেক্সসের গভর্নরের
-
আশিসের মৃত্যুর তদন্তে ফরেনসিক টিম-তৎপর সিআইডি, নজরে টিআরডিএ-র পুরনো দুর্নীতির অভিযোগও
-
‘হাম দো হামারে দো’, এবার দু’য়ের বেশি সন্তান ঠেকাতে আইন আনছে স্বাস্থ্যদপ্তর!