BREAKING NEWS

২৯ আশ্বিন  ১৪২৮  শনিবার ১৬ অক্টোবর ২০২১ 

READ IN APP

Advertisement

TMC in Tripura: ত্রিপুরায় অভিষেকের বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া মামলায় স্থগিতাদেশ, স্বস্তিতে তৃণমূল

Published by: Paramita Paul |    Posted: September 23, 2021 1:05 pm|    Updated: September 23, 2021 1:48 pm

Tripura HC stays police proceeding against Abhishek Banerjee | Sangbad Pratidin

ছবি: প্রতীকী

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ত্রিপুরা হাই কোর্টের রায়ে স্বস্তিতে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee) -সহ পাঁচ তৃণমূল নেতা। তাঁদের বিরুদ্ধে খোয়াই থানায় দায়ের হওয়া মামলায় স্থগিতাদেশ দিল আদালত। বৃহস্পতিবার বিচারপতি অখিল কুরেশি এই রায় দেন। ফলে ওই মামলায় পুলিশ আর তাঁদের বিরুদ্ধে তদন্ত করতে পারবে না। পাঠানো যাবে না নোটিশও। পুজো পর্যন্ত করা যাবে না জিজ্ঞাসাবাদও।  আদালতের এই রায়ে স্বাভাবিকভাবেই স্বস্তি পেলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়, কুণাল ঘোষ, দোলা সেন, ব্রাত্য বসু এবং সুবল ভৌমিক।

যুব তৃণমূল নেতাদের গ্রেপ্তারির প্রতিবাদে খোয়াই থানায় কার্যত রণং দেহি মেজাজে ধরা দিয়েছিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। পুলিশ আধিকারিকের সঙ্গে রীতিমতো বচসায় জড়িয়ে পড়েছিলেন তৃণমূলের (TMC) সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক। দাবি উঠেছিল ধৃতদের মুক্তির। এমনকী প্রতিবাদ স্বরূপ খোয়াই থানায় অবস্থানে বসে পড়েন অভিষেক-সহ একাধিক তৃণমূল নেতা-নেত্রী। আর তার জেরেই অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়-সহ পাঁচজনের বিরুদ্ধে স্বতঃপ্রণোদিত মামলা দায়ের করে ত্রিপুরা পুলিশ। নোটিস পাঠিয়ে তৃণমূল নেতাদের ডেকে পাঠানো হচ্ছিল। এর বিরুদ্ধে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিল তৃণমূল। এদিন তাদের তরফে আইনজীবী ছিলেন সিদ্ধার্থ লুথরা। বিচারপতি জানিয়েছেন, খোয়াই থানা মামলায় দুর্গাপুজোর পরে পরবর্তী শুনানি। ততদিন পর্যন্ত তৃণমূল নেতাদের জেরা করা যাবে না। 

[আরও পড়ুন: রীতি ভেঙে তাঁকেই করা হোক মুখ্যমন্ত্রীর ‘মুখ’, নেতৃত্বের উপরে চাপ বাড়াচ্ছেন যোগী]

সেই ঘটনার প্রেক্ষিতেই জিজ্ঞাসাবাদের জন্য খোয়াই থানায় তলব করা হয় অভিষেক, কুণাল ঘোষ-সহ মোট পাঁচজনকে। পাঠানো হয় নোটিসও। কুণাল ঘোষ হাজিরাও দেন। জিজ্ঞাসাবাদ শেষে অসুস্থও হয়ে পড়েন। বাকিরা হাজির জন্য সময় চাওয়া হয়। এর মাঝেই আদালতের রায়ে স্বস্তি পেলেন তাঁরা।

উল্লেখ্য, আগস্টের গোড়ার দিকে দলীয় এক কর্মসূচিতে যোগ দিতে যাওয়ার সময় ত্রিপুরায় তৃণমূলের যুবনেতৃত্বকে রাস্তায় আটকানো হয়। সেখানে দেবাংশু ভট্টাচার্য, সুদীপ রাহা ও জয়া দত্তদের উপর হামলা চলে বলে অভিযোগ। মাথা ফেটে যায় সুদীপ রাহার, কানে আঘাত পান জয়া দত্ত। ঘটনাকে কেন্দ্র করে চরম উত্তেজনা ছড়ায় এলাকায়। কার্যত গোটা ত্রিপুরা অগ্নিগর্ভ হয়ে ওঠে। এরপরই তাঁদের গ্রেপ্তার করা হলে খোয়াই থানায় অবস্থানে বসেন অভিষেক, কুণাল ঘোষরা। ধৃতদের মুক্তির দাবি তোলেন। কিন্তু জামিন অযোগ্য ধারায় মামলা দায়ের হওয়ায় ধৃত নেতাদের তোলা হয় আদালতে। সেই সময়ও থানাতেই বসেছিলেন অভিষেক। সেখান থেকেই নজর রাখছিলেন পরিস্থিতির উপর। সেদিন থানায় তৃণমূলের অবস্থানের জেরেই এবার মামলা রুজু করে ত্রিপুরা পুলিশ।

[আরও পড়ুন: বিমানে বসেও কাজে মগ্ন প্রধানমন্ত্রী, ‘প্রচার কৌশল’, ছবি দেখে নেটিজেনদের কটাক্ষ]

Sangbad Pratidin News App: খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ
নিয়মিত খবরে থাকতে লাইক করুন ফেসবুকে ও ফলো করুন টুইটারে

Advertisement

Advertisement