BREAKING NEWS

৭  আশ্বিন  ১৪২৯  মঙ্গলবার ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২২ 

READ IN APP

Advertisement

Advertisement

মালদ্বীপের পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বিগ্ন ট্রাম্পের ফোন মোদিকে

Published by: Sangbad Pratidin Digital |    Posted: February 9, 2018 12:51 pm|    Updated: February 9, 2018 12:51 pm

Trump, Modi discuss situation in Maldives

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: মালদ্বীপের পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বিগ্ন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ফোনে কথা বললেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে। ভারত-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে নিরাপত্তা ও বিকাশের জন্য দুই দেশই অন্তরঙ্গভাবে কাজ করতে বদ্ধপরিকর বলে মোদিকে জানিয়েছেন ট্রাম্প। ভারত-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে নয়াদিল্লি এক গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার বলে জানিয়েছেন ওয়াশিংটন।

[‘ফ্যালকন হেভি’র জ্বালানি পুড়ে তৈরি হচ্ছে কার্বন, মহাকাশে বাড়ছে জঞ্জাল]

হোয়াইট হাউস সূত্রে এক প্রেস বিবৃতিতে শুক্রবার জানানো হয়েছে, দুই রাষ্ট্রপ্রধানই মালদ্বীপের টালমাটাল পরিস্থিতি নিয়ে যথেষ্ট উদ্বিগ্ন। গণতান্ত্রিক কাঠামো ও আইনের শাসন বজায় রাখার পক্ষে মত দিয়েছে দুই দেশই। কিন্তু চিনের প্রত্যক্ষ মদতে মালদ্বীপ ক্রমশই বেপরোয়া হয়ে উঠছে। দ্বীপরাষ্ট্রটির প্রেসিডেন্ট আবদুল্লা ইয়ামিন সে দেশের সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ মানতে অস্বীকার করেছেন। সুপ্রিম কোর্ট বিরোধী রাজনৈতিক দলের সদস্যদের মুক্তির নির্দেশ দিলেও সে আদেশ না মেনে দেশে অঘোষিত এমারজেন্সির ডাক দিয়েছেন প্রেসিডেন্ট। ফলে সে দেশে এখন রাজনৈতিক অস্থিরতা তুঙ্গে উঠেছে। বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে টেলিভিশন চ্যানেল, রাস্তায় সর্বক্ষণ টহল দিচ্ছে সশস্ত্র সেনা।

মালদ্বীপের প্রেসিডেন্টকে সংসদের স্বাভাবিক কর্মক্ষমতা ফেরাতে ও দেশবাসীর সাংবিধানিক অধিকার অক্ষুণ্ণ রাখতে বলেছে আমেরিকা। ওয়াশিংটন ওই দ্বীপরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট, সেনা ও পুলিশকে আইনের অনুশাসন যথাযথভাবে অনুসরণ করার আহ্বান জানিয়েছে। এদিকে, রাষ্ট্রসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক হাই কমিশনার জেইদ আলা হুসেন বলেছেন, ‘মালদ্বীপে জরুরি অবস্থার ঘোষণা ও যাবতীয় সাংবিধানিক রক্ষাকবচের অবমাননার ফলে সামগ্রিক গণতান্ত্রিক কাঠামোই ভেঙে পড়েছে।’ শুধু মালদ্বীপই নয়, আফগানিস্তানের প্রসঙ্গেও এদিন মোদি ও ট্রাম্পের মধ্যে আলোচনা হয়েছে।

[মালদ্বীপে সেনা পাঠালে ফল ভাল হবে না, নয়াদিল্লিকে হুঁশিয়ারি বেজিংয়ের]

আফগানিস্তানকে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিতে দুই দেশই আগ্রহ প্রকাশ করেছে। সে দেশে শান্তি বিরাজ না করলে যে আখেরে পাকিস্তান ও পরোক্ষে চিনের লাভ, সেটা বিলক্ষণ জানেন মোদি ও ট্রাম্প। তাই বেজিংকে এক ইঞ্চিও জমি ছাড়তে নারাজ দুজনেই। এছাড়া রোহিঙ্গা ইস্যু নিয়েও দুই দেশের মধ্যে আলোচনা হয়েছে। কয়েক দফা যাচাইয়ের পর তাঁরা যাতে ফের মায়ানমারে ফিরে যেতে পারেন, তার ব্যবস্থা করতে আগ্রহী ভারত ও আমেরিকা। বাংলাদেশে প্রায় ৭ লক্ষ রোহিঙ্গার সাহায্যে এই মুহূর্তে বিশ্বের যে যে দেশ এগিয়ে এসেছে, তার মধ্যে অগ্রগণ্য ভারত ও আমেরিকা। এছাড়াও উত্তর কোরিয়ার পারমাণবিক নিরস্ত্রীকরণ নিয়েও নিজেদের মধ্যে কথা বলেছেন ট্রাম্প ও মোদি।

Sangbad Pratidin News App: খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ
নিয়মিত খবরে থাকতে লাইক করুন ফেসবুকে ও ফলো করুন টুইটারে